মেয়েটা অসত্বী পর্ব/ ৮

0
442

মেয়েটা অসত্বী পর্ব/ ৮

লেখক/ ছোট ছেলে

••••••••••••••••••••••

আমি আর নীলা শুয়ে রইলাম

নীলা/ এই কি ভাবছো একটু আদর করোনা

নীলার কথা আমার কানে যায়না

আমার কানে আসে রিমি গুনগুন কান্নার শব্দ

মেয়েটাকে এভাবে না মারলেও পারতাম

নীলা/ কি হলো

আমি/ কই কিছুনা তুমি দাঁড়াও আমি আসতেছি

নীলা/ কোথায় যাচ্ছো

আমি কোনকিছু না বলে বেরিয়ে পড়লাম

রিমি দেখি তার ঘরে কান্না করে দরজাটাও বন্ধ

আমি দরজা টোকা দিলাম

রিমি কান্না বন্ধ হয়ে গেলো চুপ করে রইলো মেয়েটা

নীলা/ এ কি তুমি এখানে কি করছো

আমি/ তুমি আবার কেন উঠে আসলে

নীলা/ তোমাকে ছাড়া আমার একদম ভালো লাগেনা চলো

ও ঘুমিয়ে পড়েছে

আমি/ তুমি যাও আমি আসতেছি

রিমি দরজা খুলো রিমি

ভিতর থেকে কোন সাড়া শব্দ পাইনি আমিও ভাবলাম হয়তো রিমি ঘুমিয়ে পড়েছে

অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর চলে এলাম

বসে রইলাম

নীলা/ কি হলো ঘুমাবেনা

আমি/ তুমি ঘুমাও আমি পরে ঘুমাবো

নীলা/ তুমিও না কেন একটা মেয়ের জন্য এত চিন্তা করো বুঝিনা আমি

নীলা ঘুমিয়ে পড়লো

কিছুক্ষণ পর আমিও শুয়ে পড়লাম

সকাল ৯টা ঘুম ভাঙ্গলো

আমি/ নীলা এই নীলা দেখ কত বাজে

মনে মনে ভাবতে লাগলাম রিমি আজ আমাদের ডাকেনি কেন

উঠে রিমির ঘরে গেলাম

দরজাটা এখনও বন্ধ

আমি/ রিমি এই রিমি কত বাজে ঘড়িতে দেখ আর তুমি এখনও ঘুমাচ্ছো

কি ব্যপার কোন সাড়া শব্দ নেই কেন

নীলা এই নীলা

নীলা/ কি হলো এত ডাকছো
কেন

আমি/ এই দেখনা রিমি এখনও উঠেনি

নীলা/ মহারাণী এখনও ঘুমাচ্ছে

এখন আমাদের নাস্তা দিবে কে

আমি/ ঘুম আজ বের করবো বাড়ি থেকে বের করে দিবো আজ এই পাপী মেয়েকে

নীলা/ ভিতরে ঢুকবে কি করে

আমি/ দরজা ভেঙ্গে ফেলবো

আর সিদ্ধান্ত নিলাম এই মেয়েকে এই বাড়িতে আর রাখবনা

অনেক চেষ্টার পর দরজাটা ভেঙ্গে ফেললাম

ভিতরে ঢুকে দেখি রিমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে

আমি দৌড়ে গিয়ে

রিমি/ রিমি এই রিমি কথা বলো কথা বলো

নীলা/ যাক আপদটা শেষ পর্যন্ত মরে গেছে ভালোই হলো

নীলার এমন কথা শুনে নিজেকে ঠিক রাখতে পারিনি

তাই রাগের মাথায় নীলাকে একটা চড় মারলাম

নীলা/ তুমি আমাকে মারলে তাও এই কাজের মেয়েটার জন্য

আমি/ হ্যাঁ মেরেছি ও কাজের মেয়ে নয় এ বাড়ির বউ

নীলা/ ঠিক আছে তাহলে তুমি তোমার বউ নিয়ে থাকো আমি গেলাম

নীলা অভিমান করে চলে যাচ্ছে

আমাকে তাড়াতাড়ি রিমিকে নিয়ে হাসপাতাল যেতে হবে

রিমিকে নিয়ে হাসপাতালে গেলাম

সারা শরীর রিমির ক্ষত বিক্ষত হয়ে আছে

ডাঃ রিমিকে দেখে বললো

দু-একদিন থাকতে হবে

আর এভাবে কে মারলো ওকে

এত নিষ্ঠুর ভাবে কেউ কাউকে মারতে পারে

আমি/ ডাঃ ওর কিছু হবেনা

ডাঃ/ না ভয়ের কিছু নেই

সব ঠিক হয়ে যাবে
তবে….
আমি/ তবে কি ডাঃ সাহেব

ডাঃ/ সময়মত ঔষধ খাওয়াতে হবে আর ওর প্রতি যত্ন আর খেয়াল রাখলে খুব দ্রুত ও সুস্থ্য হয়ে উঠবে

আমি/ ঠিক আছে আমি নিজে ওর সবকিছু দেখাশুনা করবো

ডাঃ/ তাহলে আর কি জ্ঞান ফিরলে ওকে নিয়ে যেতে পারবেন

ডাঃ এর কাছ থেকে রিমির কাছে আসলাম রিমি ঘুমাচ্ছে

অনেক আরামে আমিও রিমির পাশে বসে তার মাথায় হাত বুলাতে লাগলাম

একটু পরে রিমির জ্ঞান ফিরলো

চোখ খুলে দেখলো আমি তার পাশে বসে রইলাম

রিমি/ আপনি এখানে

আমি/ অন্যকারও বুঝি আসার কথা ছিলো

রিমি/ এখনও আমায় সন্দেহ করেন

আমি/ এসব কথা বলার সময় এখনও অনেক আছে

তুমি ঘুমাও আমি আসতেছি

বাহির হয়ে নীলাকে একটা ফোন করলাম

কিন্তু সে বার বার ফোন কেটে দেয়

একটু পরে নীলা নিজে ফোন দিলো

নীলা/ সরি ব্যস্ত ছিলাম তাই ধরতে পারিনি

আমি/ আচ্ছা সমস্যা নেই কোথায় আছো এখন

নীলা/ বাসায়
তোমার বউ এখন কেমন আছে

আমি/ হুমমমম ভালোই আছে

নীলা/ আচ্ছা রাখি রাতে আসবো

আমি/ রাতে না না থাক আজ আর আসতে হবেনা

নীলা/ কেন

চলবে…???

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here