ধর্ষিতা_বউ পার্ট:৪৫

0
566

ধর্ষিতা_বউ

পার্ট:৪৫

#Rabeya Sultana Nipa

 

সকাল থেকেই সবাই বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। প্রাপ্তির বাপের বাড়ি থেকে সবাই সকালেই চলে এসেছে।আবিদ চৌধুরীর কড়া অর্ডার ছিলো প্রাপ্তির আর সুমির বাপের বাড়ির লোক যেনো সকালেই আসে।অরণী প্রাপ্তির রুমে এসে প্রাপ্তিকে জড়িয়ে ধরে, কেমন আছিস আপু?

প্রাপ্তি -ভালো। নীরা কই?
নীরা দরজায় দাঁড়িয়ে এইতো আমি।নিচে সবাই কথা বলছে তাই তোমার কাছে আসতে দেরি হয়ে গেছে। আয়ান ফ্রেশ হয়ে ওয়াশ রুম থেকে বেরিয়ে তোয়ালে দিয়ে চুল মুছতে মুছতে এসে অরণী আর নীরাকে দেখে, বাহ্ আমার শালিকে তো অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে।অবশ্য নীরাও কম যায় না।

নীরা- আপুর থেকে তো আর বেশি না।

আয়ান মুচকি হেঁসে তা ঠিক বলেছো আমার বউয়ের থেকে বেশি না।আমার বউ সারা দুনিয়াতে এই একটাই যা শুধু এই আয়ানের।প্রাপ্তি একটা শার্ট আয়ানের হাতে ধরিয়ে দিয়ে,চুপচাপ নিচে যাও। সবার সাথে শুধু বউ বউ,তোমার লজ্জা লাগেনা সারাক্ষণ বউ বউ করো যে?

আয়ান -আমার বউ আমি যা ইচ্ছা তাই করবো তাতে লজ্জা কিসের?

প্রাপ্তি-(চোখ রাঙিয়ে মুখটা গম্ভীর করে)যেতে বলছি তোমাকে!

আয়ান-যাচ্ছি তো কি রাগ দেখায়রে বাবা।
আয়ান নিছে এসে প্রাপ্তির বাবা মায়ের সাথে দেখা করে বসতেই আসিফ এসে, আয়ান একটু সাইডে আসো তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে।আয়ান আসিফের কথা শুনে আসিফের দিকে মুচকি হেঁসে তাকিয়ে চলুন ভাইয়া ছাদে যাই ওইখানে বসে কথা বলা যাবে।

আসিফ -ঠিক আছে চলো।
আয়ান আর আসিফ ছাদে মুখোমুখি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
আসিফ নিরবতা ভেঙে আয়ান আমি এইখানে তোমাকে আলাদা ভাবে কেন ডেকে এনেছি আশা করি তুমি তা ভালো করেই জানো।

আয়ান -ভাইয়া আমি জানি আপনি জয়ের কথা বলছেন।

আসিফ -আমি জানি জয় তোমার কাছেই আছে। ওর বাবা মায়ের কাছে ওকে ফিরিয়ে দিলে মনে হয় সবার জন্য ভালো হবে ।

আয়ান – ভাইয়া আপনি এইখানে কার হয়ে কথা বলতে আসছেন?
শ্বশুর বাড়ি পক্ষ হয়ে নাকি আপনার বোনের হয়ে?

আসিফ -কি বলতে ছাইছো তুমি?
তুমি আমার বোন কে বিয়ে করেছো বলে এই না তুমিই শুধু আমরা বোন কে ভালোবাসো।আমার বোনেরা আমরা জীবনের একটা অংশ। আর সেটা নিয়ে তুমি কথা বলতে পারোনা।

আয়ান – ভাইয়া! আপনি আমাকে ভুল বুজবেন না।আমি শুধু এইটুকুই বলবো আপনাকে, প্রাপ্তির সাথে যারা অন্যায় করেছে আমি কাউকেই ছাড়বো না।যতদিন আমি বেঁচে আছি ততদিন ওর গায়ে আমি কোনো আঁচ লাগতে দিবো না।

আসিফ -তারমানে জয় ও এর সাথে আছে।ঠিক আছে আয়ান তোমার যা ইচ্ছা করো যেনো তোমার কোনো সমস্যা না হয়।

আয়ান – ভাইয়া আপনি চিন্তা করবেন না।জয়কে পুলিশের হেপাজত করেই রেখেছি যতদিন আসল কাল পিটকে ধরতে না পারছে ততদিন কাউকে জানানো হবেনা জয় কোথায় আছে।
দুজনে কথা শেষ করে নিচে নেমে এলো। সন্ধ্যায় পার্টি শুরু হবে। সবাই কাজ নিয়ে ব্যস্ত। অভ্র তার বাবা মাকে নিয়ে চলে আসছে । ঝিনুক তাদেরকে এনে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে।প্রাপ্তি আসতেই ঝিনুক অভ্রর মাকে পরিচয় করিয়ে দিতেই প্রাপ্তি তাদেরকে সালাম করে আপনারা বসুন।
ঝিনুক -প্রাপ্তি! রেশী কোথায়? ওকে ডেকে আনো।।

প্রাপ্তি -আপু রেশীকে অরণী আর নীরা রেডি করছে। অভ্র ভাইয়া আপনি কেমন আছেন? অনেকে দিন পরে দেখা।

অভ্র -সেই জন্যই অবাক হয়ে তোমাকে দেখছি। আয়ান কোথায়? ওকে তো দেখছি না।

আকাশ আর আয়ান কথা বলতে বলতে এসে অভ্রকে দেখে,
আয়ান -তোর আজকেও লেট! আজ তোর এনগেজমেন্ট আর তোরই দেখা নেই।

অভ্র- পার্টি কিন্তু শুধু তোদের জন্যই হচ্ছে।শুধু শুধু আমার দোষ দিস কেনো?আকাশ ভাইয়া আপনি বলেন এইটা কি ঠিক?
আবিদ চৌধুরী নিজের রুম থেকে বের হয়ে এসে অভ্রর বাবা মায়ের সাথে কথা বলছে।অভ্রর বাবা অভ্রকে দেখিয়ে, বেয়াই সাহেব এই হচ্ছে আমার ছেলে অভ্র।
অভ্র সালাম দিয়ে আংকেল কেমন আছেন?
আবিদ চৌধুরী অভ্রর দিকে তাকিয়ে ভালো । কিন্তু আয়ান ও তো তোমার বন্ধু। এখন দেখছি ঝিনুকেরও দেবর।যাক ভালোই হয়েছে।
প্রাপ্তি সবার জন্য নাশতা নিয়ে এসেছে।আবিদ চৌধুরী প্রাপ্তিকে দেখে তোমরা এখনো রেডি হওনি? একটু পর তো সব গেস্ট এসে যাবে।

ঝিনুক -প্রাপ্তি যাও তুমি রেডি হয়ে নাও। আব্বু সত্যিই বলছেন। এইতো আমরাও যাচ্ছি।আয়ান! তুই দাঁড়িয়ে আছিস কেনো?

আয়ান রেডি হয়ে নিচে চলে এসেছে। প্রাপ্তি নিজেই রেডি হচ্ছে।সব কিছু ঠিকঠাক হয়ে গেলেও শাড়ির কুচিটা ঠিক মতো হচ্ছেনা।বার বার চেষ্টা করছে সে।।
আয়ানের হঠাৎই মনে হলো তার ফোনটা উপরে রুমে ফেলে রেখে এসেছে। ফোন আনতে রুমে গিয়ে প্রাপ্তির শাড়ির কুচি নিয়ে ঝামেলা করছে দেখে নিজেই হাটু ভেঙে বসে কুচি ঠিক করে দাঁড়িয়ে প্রাপ্তির দিকে তাকিয়ে, মনে মনে ভাবছে অসম্ভব সুন্দর লাগছে তোমাকে।তোমার এই চোখ দুটোতে কোনো এক অজানা মায়া আছে। যে মায়ায় এই আয়ান বার বার তোমার প্রেমে পড়ে।ইচ্ছে করে হাজার বছর তোমাকে সামনে বসিয়ে রেখে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি।
প্রাপ্তি আয়ানের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেঁসে, মনে হচ্ছে কিছু একটা ভাবছ।

আয়ান -হুম ভাবছি তো।ভাবছি আমার বউটা এতো সুন্দর কেনো?
যার দিকে তাকালে আমি পৃথিবীর সব কিছু ভুলে যাই। ইচ্ছে করে সারাক্ষণ তাকে কাছে পেতে।

প্রাপ্তি -হুম মাথায় আবার সমস্যা দেখা দিয়েছে।তোমাকে দেখছি ডাক্তার এইবার দেখাতেই হবে।

আয়ান-বুজেছি ভালো লাগছেনা তোমার! যখন আমি থাকবোনা তখন বুজবে ঠেলা।
কথাটা শুনে প্রাপ্তি আয়ানের ঠোঁটে হাত দিয়ে, আর কখনো এইরকম কথা বলোনা।তুমি না থাকলে তোমার প্রাপ্তিই যে থাকবে না।
সুমি দরজায় এসে দাঁড়িয়ে, দুজনের ভালোবাসা শেষ হলে নিচে চলেন বাবা ডাকছে।
সুমিকে দেখে প্রাপ্তি সরে গিয়ে, চলো বাবা ডাকছে।

প্রাপ্তি আর আয়ান নিচে নামতেই আবিদ চৌধুরী একগাল হাঁসি নিয়ে তাদেরকে দেখছে।পাশে দাঁড়িয়ে আয়েশা বেগম ও চোখ দুটো ছলছল নিয়ে তাকিয়ে আছে।

আবিদ চৌধুরী – আয়েশা! আজ আমার আনন্দের সিমা নেই।আমার ছেলের সাথে বাড়ির যোগ্য বউই দাঁড়িয়ে আছে।আজ আমি সবার সামনে গর্ব করে বলবো প্রাপ্তি আমার ঘরের লক্ষ্মী।
প্রাপ্তি আর আয়ান সবাইকে সালাম করলো। আবিদ চৌধুরীকে সালাম করতেই দুজনকে জড়িয়ে ধরে অনেক কষ্ট দিয়েছি তোদের পরিবার থেকে আলাদা করে।ক্ষমা করে দিস তোর এই বাবাকে।

আয়ান- আব্বু আমি জানি তুমি আমাদের কতটা ভালোবাসো।আজকের এই দিনে আমরা কেউই মন খারাপ করতে চাইনা।

আকাশ -আব্বু এককাজ করলে কেমন হয় আগে রেশীর আর অভ্রর এনগেজডটা করে পেলি।

আবিদ চৌধুরী -ভালো বলেছিস।কিন্তু রেশীকে কই তাকে তো দেখছিনা।।
অভ্র এদিক সেদিক তাকিয়ে সত্যিই তো রেশী কোথায় ওকে দেখছি না কেনো?(ঝিনুকে পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে,) ভাবী ও কোথায়?

ঝিনুক – সিঁড়ির দিকে তাকিয়ে দেখো।
অভ্র ঝিনুকের কথা শুনে সিঁড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে অরণী রেশীকে নিয়ে আসছে।অভ্র মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে, অসাধারণ ।।

ঝিনুক -কিছু বললে?
অভ্র থতমত খেয়ে, কই কিছু বলিনি তো।
আবিদ চৌধুরী -আকাশ! রেশী যখন এসেই গেছে এনগেজডটা করে ফেল।আমি জামিলকে একটা ফোন করে আসছি।ওর ফ্যামিলি নিয়ে তো এখনো আসলোনা।
ঝিনুক অভ্রকে এনে রেশীর পাশে দাঁড় করিয়ে, অভ্রর হাতে একটা আংটি দিয়ে, অভ্র! রেশীকে এইটা পরিয়ে দাও।
আয়ান -আপু তুই তো এই বাড়ির লোক হয়ে ছেলে পক্ষ নিয়ে কাজ করছিস।
ঝিনুক -চুপ কর আগে দেবর তারপর তোরা।অভ্র কথা না বাড়িয়ে আংটি পরিয়ে দাও।অভ্র রেশীকে আংটি পরিয়ে দিতেই আয়ান ও রেশীর হাতে একটা আংটি দিয়ে এইটা অভ্রকে পরিয়ে দে।
সবকিছু ভালো ভাবেই চলছিলো। জামিল সাহেব দরজা এসে দাড়াতেই আবিদ চৌধুরী এগিয়ে এসে কোলাকুলি করে তুই বিদেশ গিয়ে তো আমাদের ভুলেই গেছিস।তোর ছেলে কোথায় ও আসেনি?

জামিল -এসেছে! গাড়ি পার্কিং করে আসছে।
আবিদ চৌধুরী -আচ্ছা চল তোকে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দি । অবশ্য তুই তো কম বেশী সবাইকেই চিনিস। আমাদের পরিবারের নতুন সদস্যর সাথে আগে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।প্রাপ্তি! আয়ান এইদিকে আসো।
(তারা কাছে আসতেই)ও আমার বন্ধু জামিল।জামিল! আমার ছোটো ছেলে আয়ান আর ছেলের বউ প্রাপ্তি।
প্রাপ্তি জামিল সাহেবকে সালাম দিতেই,
জামিল -তোমাকে কোথাও যেন দেখেছি কিন্তু মনে করতে পারছিনা।(এমন সময় জামিল সাহেবের ছেলে আসতেই) ওইতো, আবিদ আমার ছেলে চলে এসেছে।
পিছিন ফিরে তাকিয়ে দেখে, প্রাপ্তি নিজের অজান্তেই আস্তে করে বলে উঠলো সায়মন!
প্রাপ্তির আস্তে কথাটাও আয়ানের কানে পৌঁছাতেই প্রাপ্তির দিকে তাকালো।সায়মন ও প্রাপ্তিকে দেখে
অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।প্রাপ্তি আস্তে আস্তে এক পা দুই পা করে পিছাতে লাগলো।আয়ান প্রাপ্তির দিকে তাকিয়ে প্রাপ্তিকে বুজার চেষ্টা করছে। প্রাপ্তি আয়ানের দিকে খেয়েল না করে দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে চলে গেল।

আবিদ চৌধুরী -আয়ান! প্রাপ্তি এই ভাবে চলে গেল কেনো?
আয়ান কথা গুরিয়ে আব্বু ও মনে হয় রুমে কিছু রেখে আসছে ওইটা আনার জন্য গেছে। জামিল সাহেব খুব গর্ব করে ছেলেকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে।
আয়ান অরণীর দিকে তাকিয়ে দেখে সুমি সহ অন্য গেস্টদের সাথে কথা বলছে।অরণীর পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে, অরণী ওইদিকে তাকাও কিছু দেখতে পাও কিনা দেখো তো?

অরণী -মুচকি হেঁসে ভাইয়া তুমিও না! কথাটা বলে তাকাতেই চোখ বড়সড় করে সায়মন! ও এইখানে কি করছে? আপু কোথায়।
অরণীর কথা শুনে আয়ান এইবার পুরোপুরি ভাবে শিওর হলো এইটাই সে সায়মন।।
ভাইয়া! আপু কোথায়?

আয়ান -অরণী চুপ করো। তোমার আপু উপরে চলে গেছে।অরণী প্লিজ তুমি এমন ভাবে থাকো যেন কেউ কিছু না বুজতে পারে।
সায়মন প্রাপ্তিকে উপরে চলে যেতে দেখে বার বার উপরের দিকে তাকাচ্ছে।জামিল সাহেব ছেলের মুখে বিষন্নতার চাপ দেখে কি হয়েছে পার্টিতে এসেছিস এনজয় কর।এইভাবে ডাস্টবিনের ময়লার মতো মুখ করে রেখছিস কেনো?
সায়মন বিরক্তিকর ভাব নিয়ে আব্বু যে মেয়েটা এইখান থেকে দৌড়ে উপরে গেলো মেয়েটা এই বাড়ির কে?
জামিল – আবিদের ছোটো ছেলের বউ। পার্টিতো ওদের জন্যই দেওয়া হয়েছে।কেন? তুই মেয়েকে চিনিস?
সায়মন কিছু না বলে সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে উপরে উঠে গেলো।
প্রাপ্তি নিস্তব্ধ হয়ে নিজের রুমে এসে খাটের উপর চোখ বন্ধ করে বসে আছে । তার অতীত গুলোকে যতই সে ভুলার চেষ্টা করছে ততই তার সামনে এসে থমকে দাঁড়াচ্ছে।কেনো আমার সাথেই শুধু এইরকম হয়।নাহ্ আমি আমার অতীত মনে করতে চাইনা। আমি শুধু আমার আয়ানকেই বুজি। আমি আর কিছু মাথায় আনতে চাইনা।কথা গুলো ভাবছে আর অঝোরে চোখ দিয়ে পানি পড়ছে।
সায়মন প্রাপ্তির দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে,সুন্দরী তুমিকি আমাকে ভাবছো।কথাটা শুনে প্রাপ্তি দাঁড়িয়ে তুই এইখানে?।
সায়মন -তোমাকে এতো ভালোবাসা দিয়েছি যে আজও আমায় মনে রাখছো?কিন্তু মনে তোমার এতো রাগ আমার জন্য যে তুই বলে ডাকছো?
আচ্ছা! আয়ান কি জানে তোমার সাথে আমার ভালোবাসার কথা?কতোটা ভালোবাসা দিয়েছি তোমাকে ওকে বলেছো?নাকি ওই ছেলেকে নিজের এই রুপ দেখিয়ে সব ভুলিয়ে রেখেছো?সত্যি এইটা মানতে হবে তুমি এক অপরুপ সুন্দরী। যে কেউই তোমার ভালোবাসায় ডুবে থাকতে ইচ্ছে করবে।সায়মনের কথা গুলো আর সহ্য করতে না পেরে চোখ বন্ধ করে কানে হাত দিয়ে প্লিজ তুই চুপ কর। আমার আর সহ্য হচ্ছেনা।আমার আয়ান আমাকে ভালোবাসে।আমি ওকে ঠকায়নি।আমি সত্যি ওকে ঠকায়নি। কথা গুলো বলতে বলতে হাঁটু ভেঙে নিচে বসে পড়লো।

চলবে,,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here