ত্যাগ  র্পব – দুই এবং শেষ

0
2130

ত্যাগ
র্পব – দুই এবং শেষ

#কয়েকঘন্টাপর…..
আমি মিরার রুমে ই ছিলাম। হঠাৎ দরজা খোলার শব্দ শুনে পেছনে তাকিয়ে দেখলাম আতিক এসেছে।
যা অনুমান করেছিলাম তাই….. আতিক খালি হাতে ফিরেছে।
ওর চোখ-মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছে ছুটে এসেছে এখানে। হয় তো মিরার জন্য চিন্তা হচ্ছিলো তাই। মনে প্রশ্ন জাগলো ” এতো ভালোবাস মিরা কে…..?”

আতিকের চোখে বিষ্ময় আর অনেক গুলো প্রশ্নের ছাপ দেখতে পেলাম।
মিরার বেডের পাশে খাবারের খালি প্লেট আর ওকে একটি বাচ্চা কে জড়িয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখে আতিক বেশ অবাক হয়েছে বুঝলাম। আতিক কোনো প্রশ্ন করার আগে আমি ই বলতে লাগলাম,,,,,,,
:— আপনি কোনো বাচ্চা খুঁছে পাবেন না তা আমি জানতাম। এই মেয়ে টি এখন থেকে আপনাদের দুজনের। বাচ্চা টি কে কোলে তুলে দেওয়ার পর ই আপনার ওয়াইফ শান্ত হয়েছেন।

আতিক আমার দিকে কৃতজ্ঞতাপূর্ণ দৃষ্টি তে তাকিয়ে বলতে লাগলো,,,,,,,,
:— থ্যাংকস এ লট ডক্টর…. আপনার এই ঋণ আমি কি ভাবে শোধ করবো আমি বুঝতে পারছি না।
আমি বাচ্চাটির দিকে এগিয়ে গিয়ে কোলে তুলে নিয়ে কপালে চুমু খেয়ে বলতে লাগলাম,,,,,,,,,
:— এই বাচ্চা টি কে আদর, স্নেহ, ভালোবাসা দিয়ে যদি মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে পারেন, তাহলে ই আমার ঋণ পরিশোধ হয়ে যাবে।
:— অবশ্যই….. কিন্তু বাচ্চা টি কার??
:— আমি বিকালে বাচ্চাটির বার্থ সার্টিফিকেট আপনার কাছে পাঠিয়ে দেবো। তখন ই না হয় দেখে নেবেন।

কথা টা বলেই সেখান থেকে চলে এলাম।

পুরনো সব স্মৃতি, পুরনো মানুষগুলো, চেনা শহর সব কিছু কে পেছনে রেখে পাড়ি জমিয়েছি কানাডার উদ্দেশ্যে। যে সুযোগ টা হাত ছাড়া করে ফেলেছিলাম। সে সুযোগ টা আরো এক বার পেলাম,শুধুমাত্র রাবেয়া আপার সুপারিশের কারনে।
তাই পুরনো সব কিছুর থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করে অপরিচিত শহরের উদ্দেশ্যে চলেছি।
দুচোখে বাঁধ ভাঙা কান্না আসছে। মনে হচ্ছে নিজের কলিজা টা ছিড়ে ওদের দিয়ে এসেছি। নিজের শেষ সম্বল টাও আজ বিলিয়ে দিলাম। তাতে কি….?? ভালোবাসার মানুষ টার জন্য না হয় আরও এক বার #ত্যাগ স্বীকার করলাম……

বিকালে এক জন র্নাস আতিকের কাছে এসে ওর হাতে
একটা খাম ধরিয়ে দিয়ে বলল,,,,,,,
:—ড. অলিভিয়া আপনাকে এই খামটা দিয়ে দিতে বলেছিলেন।
নাম টা শুনে আতিকের বুকের ভেতর ধুক করে উঠলো।
আতিক নার্স কে প্রশ্ন করলো,,,,,,,
:— কি নাম বললেন?? ড. অলিভিয়া?
:— হ্যা, রাবেয়া ম্যাডামের সাথে যে ম্যাডাম আপনার স্ত্রীর অপারেশন করেছেন তিনি।
:— ওহ….. আচ্ছা দিন।

আতিক খামটা খুলে দেখলো তাতে একটা বার্থ সার্টিফিকেট আর তার সাথে একটা চিঠি রয়েছে। বার্থ সার্টিফিকেট টা দেখতে ই যেনো তার মাথায় আকাশ ভেঙে পরলো। সার্টিফিকেটে বাচ্চার মায়ের নাম এর জায়গায় লেখা অলিভিয়া হোসেন আর বাবার নামের জায়গায় লেখা আতিক হোসেন অর্থাৎ তার নাম। আতিকের হাত কাপতে লাগলো। মনে মনে সে বলতে লাগে,,,,,,,
:— এটা কি করে সম্ভব…..!!!
কাপা কাপা হাতে ও চিঠি টা খোলে। তাতে লেখা রয়েছে:—

” আতিক……
এখনো কি তুমি বুঝতে পারো নি কিছু? এতো গুলো দিন তোমার পুরনো ছয় বছরের ভালোবাসা তোমার চোখের সামনে ছিলো। অথচ তুমি তাকে চিনতেই পারলে না…..??
তুমি এখন এটাই ভাবছো তাই না যে এই বাচ্চা টার বাবার নামের জায়গায় তোমার নাম কেনো লেখা?
হ্যা….তুমি যেটা অনুমান করছো সেটা ই। এই বাচ্চার বাবা তুমি ই আতিক….। তুমি যখন আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলে তখন যে আমি দুসপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম সেটা আমি নিজেও জানতাম না। নয়ন মনি তোমার মেয়ে।
আতিক আমি তোমার চোখের জল সহ্য করতে পারি না। আর তুমি মিরার চোখের জল সহ্য করতে পারো না। তাই নয়ন মনি কে তোমাদের দিয়ে গেলাম। আতিক… নয়ন মনি আমার চোখের মনি। বড় সাধ করে ওর নাম রেখেছিলাম। মনি আমার নাড়ী ছেড়া ধন। কতো টা কষ্ট হয় কোনো মায়ের তার দুধের বাচ্চা অন্যকে দিয়ে দিতে সেটা তো তুমি নিশ্চয়ই বুঝবে। বুকটা ফেটে যাচ্ছিল মনি কে রেখে আসার সময়।
আমি জানি মিরা আমার মেয়ে টাকে পূর্ন মাতৃস্নেহ দেবে। তোমার কাছে আমার একটা ই অনুরোধ, মনির প্রতি কখনো অবহেলা করো না।
আর ভয় পেও না তোমার জীবনে আমি কখনো বাধা হয়ে দাড়াবো না। তোমার প্রতি আমার কোনো অভিযোগও নেই। তুমি ভালো থাকলেই আমি খুশি।
তোমরা ভালো থেকো এদোয়া ই করি।
অলিভিয়া…..”

চিঠিটা পড়া শেষ করে আতিক হন্নে হয়ে অলিভিয়া কে খুঁজতে লাগে। সমস্ত হসপিটল খুজে অলিভিয়া কে না পেয়ে সেই নার্স এর কাছে যায় সে, যে তাকে অলিভিয়ার চিঠি টা দিয়েছিলো।

:— নার্স… ড. অলিভিয়া এখন কোথায়?
:— ম্যাডাম তো আজ দুইটার ফ্লাইটে কানাডা চলে গেছেন।
:— কিহ….. কানাডা চলে গেছে….!!! আচ্চা ওনার সাথে কিভাবে যোগাযোগ করা যাবে বলতে পারবেন??
:— সরি স্যার…ওনার সাথে যোগাযোগ করার কোনো উপায় নেই।

আতিক অসহায়ের মতো মিরার কেবিনে ফিরে আসে। মিরা ঘুমাচ্ছে। আতিক ধীর পায়ে নয়ন মনির কাছে এগিয়ে যায়। মাটি তে বসে পরে। নয়ন মনি কে কোলে তুলে নিয়ে সে অবাক হয়ে দেখতে লাগলো আর বলতে লাগলো,,,,,,,,
:— তুই দেখতে একদম তোর মায়ের মতো হয়েছিস। কিন্তু তোর মা যে আমায় একবার তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ টাও দিলো না। এক বার সবটা বলার সুযোগও দিলো না। আমি যে তোর আর তোর মায়ের কাছে অপরাধী হয়েই রয়ে গেলাম রে মা….. ।
কথাগুলো বলেই আতিক কাদতে লাগলো। কোনো রকমে চোখের জল টা মুছে সে আবার বলতে লাগলো,,,,,,,,,
:— তোর মায়ের সাথে আমি যত টা অন্যায় করেছি, তার চেয়ে দ্বিগুণ ভালোবাসা দিয়ে আমি তোকে বড় করবো, দ্বিগুণ ভালোবাসা দিয়ে তোকে আগলে রাখবো, একটা আচড়ও তোর গায়ে লাগতে দেবো না। কথা দিলাম আমি তোকে….কথা দিলাম রে মা…..

কথাগুলো বলে আতিক মেয়ে কে বুকে জড়িয়ে আবার কাদতে লাগলো।


#২০বছরপর……….

আজ বহু বছর পর আবার দেশের মাটিতে পা রাখলাম।
এই কয়েক বছরে কি পেয়েছি সেটা হিসাব করে দেখলাম, স্বামী-সংসার-সন্তান না পেলেও ডাক্তারি পেশার কারনে সাধারন গরীব মানুষ গুলোর অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। এতোগুলো বছরে সাহস পায়নি আতিক আর আমার মেয়েটার কোনো খোজ নেবার। অতীত আমার বন্ধ দরজায় বার বার কড়া নেড়েছে। কিন্তু সে ডাকে সাড়া দিলে যে আমি নিজেকে সামলে রাখতে পারতাম না।

ফিরে এসেছি সেই চিরো চেনা জায়গায়। যেখানে প্রথম নিশ্বাস নিয়েছিলাম, যে ছোট্ট বাড়ি টায় আমার আর আতিকের ছোট্ট সংসার টা শুরু করেছিলাম। বাড়ি টা খুঁজে পেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এই কয়েক বছরে সব কিছু বদলে গেছে।
বদলে গেছে আমার চশমার পাওয়ার, পাক ধরেছে চুলে।
সব কিছু বদলে গেছে কিন্তু আমার বাড়িটা একটুও বদলায় নি। ঠিক যেমন টা রেখে গিয়েছিলাম তেমন টা ই আছে। অবাক নয়নে তাকিয়ে রইলাম। আর ভাবতে লাগলাম,,,,,,,,
:— এটা কি করে সম্ভব!! এতোগুলো বছরে তো বাড়ি টার পোকামাকড়ের বাড়ি হয়ে যাওয়ার কথা ছিলো…..!!!

হঠাৎ আমার পাশ থেকে মোদাচ্ছের কেউ বলে উঠলো,,,,,,,,
:— আমি জানতাম…… জানতাম তুমি ফিরে আসবে।
আমি বিষ্মিত হয়ে পাশ ফিরে তাকালাম। ওমা এযে অল্প বয়সি এক মেয়ে। আমি বলতে লাগলাম,,,,,,,,,
:— কে মা তুমি…..? কি বলছো?
:— আমায় চিনতে পারলে না? ভালো করে দেখো।

আমি তাকিয়ে রইলাম আর চেষ্টা করলাম চেনার। হঠাৎ বুকের ভেতর টা ধুক করে উঠলো। যা ভাবছি তাই ই নয় তো?? তবে আমি কি ভাবে ওর চোখে চোখ রেখে কথা বলবো?? ওর তো কোনো দোষ ছিলো না। ও যদি আমায় প্রশ্ন করে কেনো আমি এমনটা করেছিলাম, তবে আমি কি জবাব দেবো? আমি যে ওর কাছে অপরাধী হয়ে যাবো।
আমি চোখ নামিয়ে নিলাম।

মেয়েটি বলতে লাগলো,,,,,,,,
:— কেনো চোখ নামিয়ে নিচ্ছো মা….?? তুমি তো চোখ নামিয়ে নেওয়ার মতো কোনো কাজ করো নি…. তবে কেনো অপরাধীর মতো মাথা নিচু করছো??

আমি চোখ তুলে অবাক দৃষ্টি তে ওর দিকে তাকালাম।

:— একটা বার তোমার মেয়ে টা কে বুকে টেনে নেবে না? একটা বার মনি বলে ডাকবে না?

আমার চোখ জলে ঝাপসা হয়ে এলো।
কাপা কাপা কন্ঠে বলতে লাগলাম,,,,,,,,,,,
:— মনি….আমায় ক্ষমা করে দিস মা…..

মনি ঝাপিয়ে আমার বুকে এসে বলতে লাগলো,,,,,,,
:— এমন করে বলো না মা…. আমি জানি মা একটা মেয়ে কখন তার নাড়ী ছেড়া ধন অন্যকে দিয়ে দিতে পারে। আমিও যে একটা মেয়ে। তোমার প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।
জানো মা…. ছোট বেলায় বাবা কে প্রায় দেখতাম তোমার ছবির সামনে বসে কাদতে। বাবা কে কতো বার জিঙ্গেস করেছি “কেনো বাবা কাদছো? ছবি টা কার?” বাবা শুধু বলতো “সময় আসুক তোকে সব বলবো।”
তারপর আমার যখন সাত বছর তখন মা মানে মিরা মা হুট করে ই একদিন স্টোক করে মারা গেলো। বাবা সেদিনও খুব কেঁদেছিলো। মনি মা জন্মগত ভাবেই মানসিক রোগী ছিলো। তাই আমি আর মা দুজনেই বাবার কাছে ছোট বাচ্চার মতো ছিলাম। ছোট বাচ্চার মতো বাবা আমাদের দুজন কেই সামলে রাখতো।

আমি এবার মনি কে থামিয়ে প্রশ্ন করলাম,,,,,,,,
:— কি বল্লি তুই…!!! মিরা জন্মগত মানসিক রোগী ছিলো? আর ও মারাও গেছে?
:— হ্যা মা….আর তোমার কথা আমি জানতে পারি আমার যেদিন পনেরো বছর বয়স পূর্ন হলো সেদিন। সে দিন বাবা আমাকে সব বলে। তোমার সাথে বাবার পরিচয়, বিয়ে, ডিভোর্স, তারপর আবার মিরা মায়ের সাথে বিয়ে সবটা। তোমার কথা জানার পর আমি তোমার সাথে যোগাযোগ করার অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু তুমি নিজেকে এতোটা ই গুটিয়ে রেখেছিলে যে তোমার কোনো খোজই আমি বা বাবা কেউ পাই নি। তারপর বাবা একদিন আমায় তোমাদের এই ছোট্ট বাড়িটায় নিয়ে আসে। আমার আর বাবার বিশ্বাস ছিলো শেকড়ের টানে এই বাড়ি টা তে তুমি একদিন ঠিক ফিরে আসবে। তাই আমি আর বাবা রোজ বিকালে এখানে এসে তোমার প্রতীক্ষায় থাকতাম। আর দেখো আজ ঠিক তুমি চলে এলে।

আমি অবাক হয়ে মনি কে জিঙ্গেস করলাম,,,,,,,,,
:— তোর বাবাও আমার প্রতীক্ষা করতো!!!
:— কেনো মা…. তোমার কি বিশ্বাস হচ্ছে না?? আমি জানি তোমার বাবার প্রতি অভিমান আছে। কিন্তু বিশ্বাস করো তোমাকে ছেড়ে মিরা মা কে বাবা নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেনি…. বাধ্য হয়ে করেছিলো।
তোমার আর বাবার বিয়ের কথাটা দাদাভাই জানতেন না তা তো তুমি জানোই। দাদাভাইয়ের অনেক টাকার ঋণ ছিলো। পাওনাদারদের টাকা দিতে না পারায় তাদের করা অপমানের কারনে দাদাভাই যখন প্রায় মৃত পথযাত্রী ঠিক সেই সময় মিরা মায়ের বাবা দাদাভাইয়ের সব ঋণ পরিশোধ করতে রাজি হোন। কিন্তু তার বিনিময়ে মিরা মা কে বিয়ে করার সর্ত দেন।বাবা তখন জন্মদাতা পিতাকে বাচানোর জন্য নিজের ভালোবাসা #ত্যাগ করেছিল। কিন্তু বাবা তোমাকে এখনো আগের মতোই ভালোবাসে। তুমি বাবা কে ভুল বুঝো না প্লিজ।

আমার দুচোখে নোনা জল ভীড় করেছে আবার। আমি কেবল মনি কে জড়িয়ে ধরে কাদতে লাগলাম। হঠাৎ মনে হলো আমাদের থেকে কিছুটা দূরে কেউ দাড়িয়ে আছে। আমি চোখ মুছে ভালো করে তাকালাম। ওটা যে আতিক তা বুঝতে আমার খুব বেগ পেতে হলো না। ওর চোখদুটো জলে ভেজা। কতো দিন পর মানুষ টা কে দেখলাম…..

আমি আতিক কে উদ্দেশ্য করে বলতে লাগলাম,,,,,,,
:— দূরে দাড়িয়ে আছো কেনো?? এসো এখানে।

দেখলাম আতিকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। আতিক এগিয়ে আমাদের কাছে এসে বলতে লাগলো,,,,,,,,
:— অনেক অন্যায় করেছি তোমার সাথে….
জানি না আমি আদোও ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য কিনা। তবুও তোমার কাছে হাত জোর করে ক্ষমা চাইছি।

আমি নিজে নিজে ভাবতে লাগলাম,,,,,,
আতিকের আমার প্রতি করা অন্যায় গুলোর কোনো প্রতিবাদ আমি না করলেও আমার চুপ থাকা টাই হয় তো আমার প্রতিবাদ ছিলো। মনের কোথাও না কোথাও আতিকের প্রতি অভিমান জমে ছিলো। এই দীর্ঘ কয়েক বছরে সে অভিমান আরো বেড়ে গিয়েছিলো। কিন্তু আজ সবটা শোনার পর অভিমান গুলো যেনো কর্পুরের মতো উবে গেছে।

আমায় চুপ থাকতে দেখে আতিক আবার প্রশ্ন করলো,,,,,,,,,
:— কিছু বলছো না যে…আমায় ক্ষমা করেছো তো অলিভিয়া?
আমি আতিকের কথায় ভাবনার জগৎ থেকে বাস্তবে ফিরে এলাম। অতঃপর বলতে লাগলাম,,,,,,,,
:— তোমার প্রতি আমার আগেও কোনো অভিযোগ ছিলো না আজও নেই।
মনি উৎসাহ নিয়ে বলতে লাগলো,,,,,,,
:— তবে এখন থেকে আমরা সবাই সুখে-দুঃখে এক সাথে থাকবো। মা তুমি কাল ঘুমের দীর্ঘ দেহ পেরিয়ে এসেছো। জীবনে প্রতিবাদহীন ভাবে অনেক #ত্যাগ স্বীকার করেছো। আর না…..। কি থাকবে তো মা বলো…..

আমি মুখে হাসি ফুটিয়ে মনির মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে মাথা নাড়লাম……..

#সমাপ্ত……..

#লেখিকাঃ Jara Tasnim(Hidden Girl)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here