অন্যরকম ভালোবাসা পর্বঃ ১০

0
336

অন্যরকম ভালোবাসা পর্বঃ ১০
– আবির খান

হঠাৎই মায়ার ফোনটা বেজে উঠলো… মায়া তারাতাড়ি ফোনটা রিসিভ করলো…

মায়াঃ হ্যালো কে বলছেন??
লোকঃ আপনি কি মায়া চৌধুরী??
মায়াঃ হ্যা…কেন??
লোকঃ আসলে আমাদের আবির স্যারের আপনাকে খুব প্রয়োজন…
মায়াঃ কেন কেন কিককি হয়েছে তার??আতংক হয়ে…
লোকঃ আপনি এসেই দেখুন..আপনাকে আমি একটা এড্রেস মেসেজ করে দিচ্ছি আপনি তারাতাড়ি চলে আসুন…

মায়া এড্রেসটা নিয়ে অনুকে সাথে নিয়ে আবিরের কাছে চলে যায়…
বিশাল এক বাড়ি..বাড়ি বললে ভুল হবে যেন রাজপ্রাসাদ… মায়া আর অনু আস্তে আস্তে ভিতরে যাচ্ছে…হঠাৎ একটা লোক তাদের পথ আটকায়..

লোকঃ আপনি কি মায়া চৌধুরী??
মায়াঃ হ্যা…
লোকঃ আমিই আপনাকে ফোন দিয়ে ছিলাম…দেখুন আমি আপনাকে স্যারের সাথে দেখা করিয়ে দিবো..তবে আপনাকে শক্ত হতে হবে..প্লিজ স্যারকে দেখে ভেঙে পরবেন না..স্যারের এখন আপনাকে খুব প্রয়োজন…
মায়াঃ কেন ওনার কি হয়েছে?? ভয়ে ভয়ে..
লোকঃ আসুন আমার সাথে…

লোকটা সিরি দিয়ে উপরে উঠছে…আর মায়া ও অনু তাকে অনুসরণ করছে..একটি রুমের সামনে এসে লোকটি দাড়ালো…
লোকঃ দেখুন আপনি নিজেকে প্লিজ শক্ত রাখবেন..
অনুঃ মায়া..
মায়াঃ…
মায়া এক অজানা ভয় নিয়ে দাড়িয়ে আছে…লোকটি আস্তে করে দরজাটা খুলে দিলো..মায়া আস্তে আস্তে ভিতরে যাচ্ছে..

বিশাল বড় এক রুম…তবে রুমটাতে ঢুকে মনে হচ্ছে দেয়াল গুলো অনেক আহাজারি করছে…হঠাৎ মায়ার চোখ যায় সামনে..দেখে অনেক গুলো ডাক্তার একসাথে দাড়িয়ে আছে.. কিন্তু কার জন্য তা দেখা যাচ্ছে না…
মায়া আস্তে আস্তে সামনে এগোতে লাগলো..এক অজানা ভয়ে বুকের ভিতর মনে হচ্ছে হাতুড়ি না বড় পাথর দিয়ে কেউ বারি দিচ্ছে..মায়া সবাইকে পার করে সামনে এগিয়ে গেলো.. প্রথমে একজন মহিলাকে আর একজন অল্প বয়সের মেয়েকে বসে কাদতে থাকতে দেখে..মহিলাটা মায়ার দিকে খুব অসহায় ভাবে তাকিয়ে আছে… এবার মায়া আস্তে করে মহিলার পাশে তাকায়…

মায়া এরপর যা দেখে..সত্যিই সে জীবনেও ভাবতে পারেনি তাকে এরকম কিছু দেখতে হবে..
মায়া দেখে আবির নিথর হয়ে শুয়ে আছে…পুরো শরীরই ব্যান্ডেজ করা..আবিরকে দেখে মনে হচ্ছে একটা জীবন্ত লাশ… মায়া এ দৃশ্য দেখে আর নিতে পারেনা…সেখানেই বেহুস হয়ে পরে..আর অনু সাথে সাথে মায়াকে ধরে ফেলে..

< <<<<ফ্ল্যাশব্যাক>>>>>
(((আবির মাটিতে পরে আছে…প্রচন্ড রক্তক্ষরণ হচ্ছে মাথার পিছন থেকে…হঠাৎ একদল এস্পেসাল ফোর্স জয়েন করে এই মিশনে..তাদের মেইন লক্ষ্যই ছিল আবিরকে বাচানো…তারা সব শত্রুকে মেরে আবিরকে হাসপাতালে নিয়ে কোনরকম প্রাথমিক চিকিৎসা করে আবিরকে নিয়ে একটি প্রাইভেট জেট প্লেনে করে সিংগাপুর এ নিয়ে যায়…
এর মাঝে আবিরের মাকে আবিরের ভয়সে কনভার্ট করে হাইটেক রোবট দিয়ে তাকে এই বলা হয় যে আবির ঘুরতে যাচ্ছে আসতে দেরি হবে..যাতে তার মা চিন্তা না করে..
৫ জন ডাক্তার মিলে টানা ১০দিন তাদের বেস্ট চিকিৎসা দিয়ে কোন রকম আবিরকে ঠিক করে তুলে..তবে আবির মাথায় প্রচন্ড আঘাত পাওয়ায় তার এমন কিছু হয়ে যায় যা আবিরের সাথীরাও কখনো ভাবে নি…)))

মায়ার হুস ফিরে…সে আবিরের কাছে দৌরে গিয়ে হাউমাউ করে কান্না করতে থাকে…অনু কোন ভাবেই মায়াকে ঠান্ডা করতে পারছে না…মায়া ডাক্তারদের কাছে ছুটে যায়..
মায়াঃ ডাক্তার আমার আবিরের কি হয়েছে?? ও এমন নিথর হয়ে পরে আছে কেন??কি হয়েছে ওর??বলুন…বলছেন না কেন???
ডাক্তারঃ দেখুন প্লিজ আপনি শান্ত হোন..
মায়া যে একজন মহিলাকে আবিরের পাশে দেখেছিলো সে এসে মায়ার মাথায় কাদতে কাদতে হাত রাখে..
মাঃ আমি আবিরের মা..
মায়া আবিরের মাকে জরিয়ে ধরে আরো কাদতে লাগে..
মায়াঃ আন্টি ওনার কি হয়েছে??কেউ কিছু বলছে না কেন??
মাঃ মারে আমার ছেলেতো এখন জিন্দা লাশ হয়ে গেছে..
মায়াঃ মানে??
মাঃ ও মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা পাওয়ায় কোমায় চলে গিয়েছে…
মায়া এ কথা শুনার পর মায়া পুরো শরীর অবস হয়ে যায়..মায়া ঠাস করে নিচে বসে পরে…আবিরের মা আর অনু মায়াকে গিয়ে ধরে…মায়া যেন বোবা হয়ে গিয়েছে…হঠাৎ মায়া ডাক্তারের কাছে ছুটে যায়…

মায়াঃ ডাক্তার উনি কি আর কখনো ভালো হবেন না??কাদতে কাদতে..
ডাক্তারঃ ওনাকে যদি ভালো ভাবে ট্রিটমেন্ট আর সেবা-যত্ন করা যায় তাহলে আল্লাহ চেলে ভালো হতে পারে..তবে তার যে অবস্থা তাতে তার ৫% চাঞ্চস আছে ভালো হওয়ার…
মায়া আর কথা বলতে পারছে না…মায়ার কাছে আবার আবিরের মা আসে…

মাঃ মারে আমার ছেলে তোকে অনেক ভালো বাসে…জানিস মায়া সিংগাপুরে ওর চিকিৎসার সময় একবার ওর হুস আসছিল তখন নাকি শুধু মায়া মায়া বলে ছিল…তারপর ছেলেটা আর কিছুই বলেনি..মায়া আমি তোকে এখানে ডেকে পাঠিয়েছি…একমাত্র তুই পারবি মা আমার ছেলেকে ভালো করতে…তোর ভালোবাসাই পারবে ওকে ঠিক করে তুলতে…মা পারবিনা আমার ছেলেটা আর তোর ভালোবাসার মানুষ টাকে ভালো করে তুলতে?? পারবি না মা??তুই আমার এখন শেষ ভরসা..ডাক্তারদের হাতে আর কিছুই করার নাই নাকি.. কাদতে কাদতে বলল..

মায়া মাকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে করতে বলল
মায়াঃ মা পারবো আমাকে পারতেই হবে..ওনাকে আমি সুস্থ করেই ছাড়বো…
মাঃ মারে অনেক ধন্যবাদ তোকে…
মায়াকে বুকে জরিয়ে ধরে কাদতে থাকে আবিরের মা..সাথে মায়াও…অনু আর আবিরের বোন আবিরের পাশে দাড়িয়ে দাড়িয়ে কাদছে এসব দেখে…
মায়া আবিরের কাছে ছুটে যায়… আবিরের মা সবাইকে বের করে ওদের একা রেখে চলে যায়..বাইরে এসে অনুকে বলে মায়ার বাবামাকে সব জানিয়ে দিতে…অনু সাথে সাথে ফোন দেয়…

আবির চোখ খুলে তাকিয়ে আছে….কিন্তু পাথরের মতো শুয়ে আছে…
মায়াঃ আবির আপনি কষ্ট পাবেন নাহ…আপনার মায়া এসে পরেছে দেখেন…আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন খুব তারাতাড়ি..আমি আপনাকে সুস্থ করে তুলবো… আপনাকে যে সুস্থ হতেই হবে…আপনাকে যে আমি ভালোবাসি অনেক তা বলতে হবে না আপনাকে..উঠুন না প্লিজ উঠুন..ওইদিনের মতো আবার জরিয়ে ধরুন না প্লিজ… উঠুন…বলতে বলতে মায়া আবিরের বুকে মাথা রেখে কাদতে থাকে..মায়া মাথা উঠিয়ে দেখে আবিরের চোখ থেকেও পানি পরছে…মায়া সাথে সাথে সবাইকে ডাক দেয়…ডাক্তারসহ সবাই তারাতাড়ি ভিতরে আসে..
মায়াঃ দেখেন মা দেখেন ডাক্তার দেখ অনু উনি কাদছে আমার কথা শুনে…
সবাই দেখছে আবিরের চোখ থেকে পানি পরছে…
ডাক্তারঃ সত্যিই এ পরিবর্তন ওনার জন্য খুব ভালো..আসলে ভালোবাসায় যে এতো শক্তি আর এতো ক্ষমতা তা আমাদের মেডিকেল সাইন্স আমাদের শিখায় নি…
মাঃ বলছি না মা তুই পারবি আমার ছেলেকে ভালো করে তুলতে…

এরপর শুরু হয় মায়ার জীবন যুদ্ধ…মায়ার বাবামায়ের কাছে থেকে পারমিশন নিয়ে মায়া লেগে যায় আবিরকে সুস্থ করতে…খাওয়ানো থেকে শুরু করে সব কিছুই মায়া নিজে একা করতো.. কোন লজ্জা কোন কিছুই মায়াকে দামায়নি…মায়ার লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র আবিরকে ভালো করে তুলা…দিন রাত শুধু আবিরের পাশে জায়নামাজ নিয়ে আবিরের সুস্থতা কামনা করতে থাকে মায়া..

এভাবে আবিরকে দীর্ঘ ৩ মাস ধরে মায়া সেবা করে চলে..কিন্তু আবিরের ভিতরে সুস্থ হওয়ার কোন সিমটমই খুজে পায়না ডাক্তার…

আজ ডাক্তার আবিরকে চেক আপ করে বলল..
ডাক্তারঃ দেখুন ৩ মাস হয়ে গেলো… আবিরের তেমন কোন পরিবর্তনই আসলো না…আগামি ৫ দিনে যদি আবির ভালো না হয় তবে ওকে হয়তো আর কোনদিন ভালো করা যাবে না….এমনকি ও মারাও যেতে পারে…

মায়া আর আবিরের মা এ কথা শুনে যেন আকাশ থেকে পরে…
মায়া আরো ভালো করে আবিরের সেবা করা শুরু করে…খাওয়া দাওয়া করে না বললেই চলে…সারাদিন মায়া আল্লাহ কে ডাকতে থাকে জায়নামাযে বসে..
আজ ৩৫ তম দিন…রাত ১০ টা আর মাত্র ২ ঘন্টা সময় আছে আবিরের…এরপর হয়তো আর আবিরকে পাওয়া যাবে না…মায়া জায়নামাযে বসে অঝোর ধারায় কান্না করছে আর আল্লাহকে ডাকছে…
মায়াঃ হে আল্লাহ হে আমার মালিক..হে আমার রব..জীবনে কোন কিছুই চাইতে হয়নি…তুমি সবই দিয়েছো..আল্লাহ আজ তোমার কাছে একটা মানুষের জীবন ভিক্ষা চাচ্ছি.. তোমার দোহাই লাগে আল্লাহ আমাকে ফিরিয়ে দিওনা..তুমি ছাড়া আর কেউ ওনাকে ভালো করতে পারবে না…আল্লাহ তার সাথে শুধু বাকি জীবনটা পবিত্র বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে কাটাতে চাই… দয়া করো আল্লাহ তাকে ফিরিয়ে দেও আল্লাহ তাকে ফিরিয়ে দেও… আমি তাকে অনেক ভালোবাসি আল্লাহ অনেক ভালোবাসি…আল্লাহ দয়াকরে তাকে ভালো করে দেও…খুব জোরে জোরে প্রার্থনা…
মায়ার এ কথাটা যেন আকাশ ফেটে আবিরের কানে গিয়ে লাগে..
হঠাৎই আবির মায়া বলে ডাক দিয়ে উঠে…মায়া শুনতে পায়নি..আবির আবার মায়া বলে ডেকে উঠে… এবার মায়া স্পষ্ট শুনতে পায়…মায়া মাথা তুলে দেখে আবির হাত পা লরাতে পারছে তার দিকে তাকিয়ে কাদছে…সাথে সাথে জোরে আবির বলে মায়া আবিরকে জরিয়ে ধরে…

হ্যা মহান আল্লাহ তায়ালা মায়ার ডাক শুনেছেন…কারণ এ ভালোবাসায় আছে পবিত্রতা…
মায়ার আবির ডাক শুনে আবিরের মা কুরআন পড়া রেখে সবার সাথে দৌড়ে আসে আবিরের রুমে..

সবাই আবিরের রুমে ঢুকেতো পুরা অবাক… আবির মায়াকে জরিয়ে ধরে আছে..
আবিরের মাঃ আবির…বাবা তুই ভালো হয়ে গেছিস…
আবিরঃ মা…
আবিরের মাও আবিরকে জরিয়ে ধরে…
মাঃ মায়া তুই পেরেছিস..আমি জানতাম তুই পারবি..
আবিরের বোনঃ মা সত্যিই ভাবি পেরেছে..
মায়াঃ না মা…আমি কিছুই করি নি..মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবার ডাক শুনেছেন তাই উনাকে আজ আবার আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিয়েছেন…

আবির তার মা,বোন, মায়া সবাইকে দেখছে..সবার এই কইমাসে অবস্থা খুব খারাপ..

এরপর মায়ার ভালোবাসাময় যত্নে আর সেবায় আবির খুব তারাতাড়ি সুস্থ হয়ে যায়..
দীর্ঘচার মাসপর আজ আবির একটু হাটা চলা করতে পারছে…
মায়া আবিরকে জরিয়ে ধরে বিছানায় বসে আছে…আবির বসে বসে মায়ার চাঁদের আলোয় মায়াবী মুখটা দেখছে…কি যে অপরূপ লাগছে মায়াকে…আজ অনেকদিন পর মায়াকে একটু ভালো করে কাছ থেকে দেখতে পারছে আবির..কিন্তু মায়াকে খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে..আবির মায়াকে আরো শক্ত করে জরিয়ে ধরে..
আবিরঃ তোমার খুব কষ্ট হয়েছে তাইনা???
মায়াঃ কিসের কষ্ট কোন কষ্ট হয়নি…তবে হ্যা কষ্ট হচ্ছিলো…যখন আপনাকে হারাতে যাচ্ছিলাম….
আবিরঃ আমাকে অনেক ভালোবাসো তাই না..
মায়াঃ জানি না..লজ্জা পেয়ে..তবে এইযে আপনার বুকে শুয়ে আছি অনেক শান্তি লাগছে..একটা কথা জিজ্ঞেস করবো???
আবিরঃ হুম করো??
মায়াঃ আপনার এ অবস্থা হলো কি করে??আপনি এমন কি করেন যে আপনার হাতে গুলিও লেগেছিলো??
আবিরঃ দেখো মায়া আমি কি এটা কখনোই তোমাকে বলতে পারবো না..প্লিজ আর কখনো জিজ্ঞেস করো না…
মায়াঃ…. আমি ঠিক জেনেই ছাড়বো..মনে মনে..
আবিরঃ জানো খুব কষ্ট হচ্ছিলো… চোখের সামনে তোমাদের হারাচ্ছিলাম..
মায়াঃ আপনি সেদিন চলে যাওয়ার পর আপনার আর কোন খবরই পাইনি…খুব খুঁজেছি..পাইনি..তখন ওই হারানোতে আপনার ভালোবাসা,কেয়ার খুব মিস করেছি..আর এই মিস থেকেই আপনাকে…
আবিরঃ আপনাকে কি হুম???মজার স্বরে
মায়াঃ বলবো না…
আবিরঃ আমি জানি ভালোবেসে ফেলেছো তাইনা..হাহা…
হ্যা সত্যি মায়া আবিরকে অনেক মিস করতে করতে ভালোবেসে ফেলেছে..
মায়া আজ অনেক দিনপর আবিরের সেই মন মুগ্ধকর হাসিটা দেখছে..আর তার প্রেমে পরে যাচ্ছে..
আবিরের বুকে মাথা রেখে মায়া আর আবির এরপর ঘুমিয়ে যায়..

এরপরের দিন…
আবিরের পুরো পরিবার মায়াদের বাসায় তাদের বিয়ের কথা বলতে যায়..
আবিরের মাঃ বেয়াইসাব ওরা একে অপরকে অনেক ভালোবাসে..তাই আমি আপনার মেয়েকে তারাতাড়ি আমার আরেকটা মেয়ে করে নিয়ে যেতে চাই..এখন আপনি আর বেয়াইনসাব যদি পারমিশনটা দেন তাহলে ওদের বিয়েটা তারাতাড়ি দিয়ে দিতে চাই..
মায়ার বাবাঃ জ্বি বেয়াইনসাব আমারও আপনার ছেলেকে পছন্দ হয়েছে…তবে আমি আমার মেয়ের মুখ থেকে শুনতে চাই যে সে এ বিয়েতে রাজি আছে কিনা??
আবিরের মাঃ কি মায়া মা তুমি কি এই বিয়েতে রাজি??
মায়াঃ জ্বি নাহ…আমি রাজি না…আমি পারবো না এই বিয়ে করতে….

চলবে…?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here