My_Mafia_Boss পর্ব-২৩

0
355

My_Mafia_Boss পর্ব-২৩
Writer:Tabassum Riana
(আজ খুব খারাপ লাগছে তাই পর্ব গুলো ছোট হয়ে যাচ্ছে।মাফ করবেন সবাই)
রোয়েন রুহীর পেটে মাথা রেখে কফিতে চুমুক খেতে থাকে। রোয়েনের নিশ্বাস গুলো রুহীর পেটে লাগতেই কিছুটা সরে এলো রুহী কেমন জানি লাগছে ওর।রোয়েনের একেএকটা নিশ্বাস রুহীকে পাগল করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।রোয়েন ভ্রু কুঁচকে তাকায় রুহীর দিকে। কি হলো চুল মুছো রাগী গলায় বলে রোয়েন।You know that i don’t like disturbance.রুহী মাথা নিচু করে কি বলবে বুঝতে পারছেনা।গলা শুকিয়ে আসছে ওর।ম ম মানে বলছিলাম কি লাঞ্চের সময় হয়ে এসেছে।চলুন আস্তে করে বলল রুহী।
রোয়েন রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে বেরিয়ে গেল।কালা কুত্তা, অাফ্রিকান গন্ডার,মাফিয়ার বাচ্চা মাফিয়া, বিলাই,তিতা করলা,সারাদিন শুধু মুখ দিয়ে তিতা কথা বের হয়,একটু ভালো ব্যাবহার করলে কি হয়?অবশ্য আমারই তো বর কিউট বরটা উম্মাহ বলে চারপাশ তাকায় রুহী।

রোয়েন রাগে ফুঁসছে। এই মেয়ের সাহস হয় কি করে ওকে এসব কথা বলার?আজ আসুক নিচে ওর খবর আছে দাঁতে দাঁত চেপে বলে রোয়েন।রুহী নিচে নেমে আসে। রোয়েন চেয়ারে বসে রুহীর দিকে রক্তচক্ষু দিয়ে তাকিয়ে আছে।টেবিলের কাছে আসতেই রুহী থেমে যায় রোয়েন কে দেখে।ভীষন ভয় হচ্ছে ওর। চেয়ার ছেড়ে উঠে রুহীর দিকে এগোতে থাকে রোয়েন।রুহী পিছানোর সাহস পাচ্ছেনা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।রোয়েন দুই হাত দিযে রুহীর দুই কাঁধ চেপে ধরে।দাঁতে দাঁত চেপে বলে উঠে রোয়েন কি বলছিলে আমাকে? ক ক কইইই ক ক কি ব ব বলছিলাম?কাঁপা কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করে রুহী।আমি কালা কুত্তা বিলাই মাফিয়ার বাচ্চা মাফিয়া ব্লা ব্লা এসব শিখো স্কুলে যেয়ে? ধমক দিয়ে উঠলো রোয়েন।

আ আ আম সরি আর কখনো বলবো না।প্লিজ মাফ করে দিন কাঁদো কাঁদো বলে উঠে রুহী।রোয়েন রুহীর দিকে এক নজর তাকিয়ে বলতে থাকে কি জানি বললে লাস্টে? আবার বলো।কি বলেছিলাম মনে পড়ছে না আস্তে করে বলল রুহী।রোয়েন রুহীর দিকে মুখ এনে মুচকি হেসে বলল ঐযে তোমার কিউট বর উম্মাহ!!!!রুহী রোয়েনের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে যায় এলোক এতো কিছু শুনলো কি করে?এর থেকে বেশি অবাক হয় রোয়েনের মুচকি হাসি দেখে।রোয়েন এ প্রথম রুহীর দিকে তাকিয়ে হেসেছে ভাবতেই বুক টা ভরে গেছে রুহীর।রোয়েনের দিকে তাকিয়ে থাকে একপলকে ওনার হাসি এতো সুন্দর তা জানা ছিলো না রুহীর।রুহীর এভাবে তাকিয়ে থাকায় কিছুটা বিব্রত বোধ করে রোয়েন।খেতে বসো হালকা ধমক দিয়ে বলে উঠে রোয়েন।রুহী মন খারাপ করে খেতে বসলো।রোয়েন খাওয়ার মাঝেই রুহীকে আড়চোখে দেখতে থাকে।(রুহী ওকে বর মনে করে ভাবতেই অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করছে রোয়েনের)খাবার সেড়ে দুজনে রুমে চলে আসে।রোয়েন ল্যাপটপে কাজ করছে। রুহী বারান্দায় বসে চুল আঁচড়িয়ে নিচ্ছে।কি যে জট ধরেছে চুল গুলোয়।ইচ্ছে মতো চুল ছিড়ছে রুহী।তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে রুমে এসে দাঁড়ায় রুহী।ল্যাপটপে কাজ করতে করতে রুহীর দিকে চোখ পড়ে রোয়েনের।ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করে দাঁড়িয়ে আছো কেন?শুয়ে পড়ো (ধমক দিয়ে)

রুহী মাথা নিচু করে পাশে শুয়ে পড়ে।রোয়েন রুহীকে চোখের কোনা দিয়ে দেখে।দুই হাতের ওপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছে ওর মায়াবতী।কাঁধের চুল গুলো বালিশের ওপর পড়ে আছে রুহীর।ফর্সা কাঁধটা খুব বেশিই টানছে রোয়েনকে।মাথা নিচু করে রুহীর কাঁধে নাক ঘষতে থাকে রোয়েন।রোয়েনের নিশ্বাস ধীরে ধীরে গরম হচ্ছে।রুহী চোখ খুলে। রোয়েনের গরম নিশ্বাস গুলো ওর ভিতরে তোলপাড় সৃষ্টি করছে।রুহীর কাঁধে গভীর চুমো দিয়ে কানের লতিতে আলতো করে কামড় দেয় রোয়েন।রুহী চোখ খিচে রেখেছে।রুহীর কান থেকে ধীরে ধীরে গালে এসে থামে রোয়েন।গালে চুমো দিয়ে রুহীকে বুকে টেনে নিয়ে শুয়ে পড়ে রোয়েন।রুহী রোয়েনের বুকে গুটিসুটি মেরে ঘুমিয়ে পড়ে।রোয়েনের ঘুম আসছেনা।আরমান আহমেদের বলা কথা গুলো বারবার কানে বাজছে ওর।ডার্ক গ্রুপকে কি করবা রোয়েন?সে তো সর্বদাই তোমার বাড়ির দিকে তোমার ভালোবাসার দিকে নজর রেখে আছে কথা গুলো মনে পড়তেই বুকে শক্ত করে জড়িয়ে নেয় রুহীকে।শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে মায়াবতী কে রক্ষা করে যাবে রোয়েন। বড্ড বেশি ভালোবাসে মায়াবতী কে।

বিকেলে ঘুম ভাঙ্গতেই রুহী খেয়াল করলো রোয়েন ওকে খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রুহীর দিকেই তাকিয়ে আছে।চোখ গুলো লাল হয়ে আছে রোয়েনের। রুহীর তাকানোয় রোয়েন বলে উঠলো তোমার কোলে ঘুমুতে দিবে?রুহীর ভীষন মায়া হয় রোয়েনের কথায়।রোয়েন থেকে নিজেকে সরিয়ে উঠে বসে রুহী।রোয়েন রুহীর কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়লো।

চলবে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here