-0.1 C
New York
Saturday, December 7, 2019
Home Love At 1st Sight  Season 3 Love At 1st Sight Season 3 Part - 57

Love At 1st Sight Season 3 Part – 57

Love At 1st Sight
~~~ Season 3~~~

Part – 57

writer-Jubaida Sobti

নেহাল : লেডিস্ আমি ও আসছি ওকে? [ বলেই সে ও রাহুলের দিক দৌড়ে বেড়িয়ে গেলো ]

– [ চেচিয়ে ] হেইই ব্রো ওয়েট!

রাহুল : [ গাড়ীর দরজা খুলে ড্রাইভিং সিটে বসে ] রাহুল কারো জন্য ওয়েট করে না!

নেহাল : [ পাশের সিটে বসে হাপিয়ে উঠে ] হোয়াই ম্যান হোয়াইইইই? এখনো আগের মতোই থেকে যাবি! বিয়ে হয়েগেছে নাওলেজেবল হো!

রাহুল : [ সানগ্লাসটা চোখে লাগিয়ে ] ডোর বন্ধ হয়নি! [ নেহাল দীর্ঘশ্বাস ফেলে দরজাটা ভালো করে বন্ধ করে দেই, রাহুল ও তেডি স্মাইল দিয়ে গাড়ী টান দেই ]

নেহাল : বাট ব্রো! ইয়র এটিটিউড! [ হেসে ] আই লাইক ইট, ডেম! আই লাইক ইট,

___এইদিকে,স্নেহা রাহুলের কাজিনদের সাথেই বসে আছে, আর রাহুলের দাদী আর ফুফিরা মিলে একপাশে কথা বলছে!

রোহানী : [ স্নেহার হাত ধরে ] ভাবীইই আপনার হাতে কি হয়েছে?

স্নেহা : ও..ওটা তেত..তেমন কিছু না! জাষ্ট একটু কেটে গেছে?

রোহানী : বাট! হাওওও?

স্নেহা : চুচ..চুড়িতে!

রোহানী : অও! কেয়ারফুল ওকে? [ স্নেহা হেসে মাথা নাড়ালো ]

আলিসা : ভাবী! আমাদের, আপনার আর ভাইয়ার লাভস্টোরীটা শোনান না!

জাফসিন : হ্যা! ঠিক বলেছিস, ভাবী শোনান না! রাহুল ভাইয়া আর আপনার বন্ডিংটা দেখে মনে হচ্ছে আপনাদের লাভস্টোরিটা ও ভেরী ইন্ট্রেষ্টিং হবে!

স্নেহা : আ..আমাদের লাভস্টোরী?

আলিসা : হ্যা! ভাবী আপনাদের লাভস্টোরী! লাইক আপনার আর রাহুল ভাইয়ার ফাষ্ট মিট কোথায় হয়েছে,কিভাবে হয়েছে,দেন ভাইয়া আপনাকে প্রোপোজ কিভাবে করেছে!

– বলেননা বলেননা ভাবী প্লিইইইইইজজজ!

স্নেহা : [ মুচকি হেসে ] আচ্ছা! ওকে! [ বলতেই বাকিরাও এক্সাইটেড হয়ে স্নেহার দিক তাকিয়ে কান পেতে রইলো ]

স্নেহা : বাবা-মা এবং রাশু গ্রামে চলে যাচ্ছিলো, তাদের বিদায় দিয়ে স্টেশনে আমার ফ্রেন্ডসদের অপেক্ষা করছিলাম, এক্সামের পর তাদের সাথে ও অনেকদিন পর দেখা হচ্ছিলো, তাই আর তর সইছিলো না, তাদের তিনজনকে স্টেশনে দেখার সাথে সাথেই দৌড়ে ছুটে যাচ্ছিলাম, এবং ঐসময়ই হঠাৎ রাহুলের সাথে ধাক্ষা লাগে,

– এবং ঐটাই আমাদের ফাষ্ট মিট ছিলো!

জাফসিন : বাট ভাবী এটা তো বলেন, যখন আপনাদের ধাক্ষা লেগেছিলো তখন কি হয়েছে?

স্নেহা : ধা..ধাক্ষা লাগাতে আমি আন-ব্যালেন্স হয়ে পড়ে যাচ্ছিলাম,কিন্তু…

আলিসা : কিন্তু কিন্তু ভাইয়া ধরে ফেলেছিলো এম আই রাইটটট?

স্নেহা : [ ব্লাশিং হয়ে হেসে ] হুম!

আলিসা : আচ্ছা দেন দেন?

স্নেহা : ব্যাপারটা আমার কাছে খুবই অবাক লাগলো, হুট করে পড়ে যাওয়া আবার হুট করেই কেউ এসে ধরে ফেলা, [ মুচকি হেসে ] পরে রাহুল থেকেই জানতে পারলাম ঐদিন, ও ইচ্ছে করেই আমাকে ফেলে দিয়েছিলো!

আলিসা : ইইইই! নটি বয়!

রোহানী : আচ্ছা ভাবী! ফাষ্টে তো আপনি জানতেন না যে ভাইয়া ইচ্ছে করেই ফেলেছিলো সো্ যখনি মোমেন্টটা হয়েছে তখন আপনার কিছু স্পেশাল ফিল হয়নি?

– লাইক সামথিং এমনটাই যে হার্টবিট বেড়ে যাওয়া, অর রোমান্টিং ফিলিং!

স্নেহা : হোহ! হার্টবিট তো বেড়েছিলো ওর স্পর্শে কিন্তু তা রোমান্টিক ফিলে নয় ভয়ে,

– কালো টি-শার্ট, কালো জ্যাকেট, কালো প্যান্ট, যে হাতে ধরে রেখেছিলো ঐহাতে কালো একটি ওয়াচ! সবচেয়ে ইন্ট্রেষ্টিং যে জিনিসটা খেয়াল করেছিলাম অতোরাতে চোখে কালো সানগ্লাস ও লাগিয়ে রেখেছিলো,

জাফসিন : ওয়াও ম্যান ইন ব্লাক!

স্নেহা : আমি ভেবেছিলাম ডাকাত-টাকাত হবে, [ বলতেই বাকিরা কিটকিটিয়ে হেসে উঠলো ]

– পরে ভালো করে খেয়াল করে দেখলাম পেছনে একটি গিটার ব্যাগ ও আছে, তারপর ভাবলাম হয়তো সিংগার-টিংগারই হবে!

আলিসা : আচ্ছা ভাবী! আপনি যখন এসব খেয়াল করছিলেন তখন ভাইয়া কি করছিলো?

স্নেহা : ওর আর কি! সেই তেডি স্মাইল দিয়ে তাকিয়েই ছিলো!

আলিসা : আই থিংক তখন ভাইয়ার আপনাকে দেখে লাভ এট ফাষ্ট সাইট হয়েগিয়েছিল! তাই শুধু তাকিয়েই ছিলো! হি-হি! আচ্ছা তারপর বলেন!

স্নেহা : তা..তারপর আমি ছুটে আমার ফ্রেন্ডস্ দের দিক চলে আসি, দেন সবাই মিলে বাসায় চলে যায়!

জাফসিন : ওহ নো! কেউ কিছু বললোই না? আম এক্সাইটেড দেন কি হয়েছে?

স্নেহা : পরদিন মর্নিং এ ভার্সেটি যায়, মার্জান বললো ফর্ম এনেছি কিনা ভালো করে চেক করে দেখতে, ব্যাগ থেকে ফর্মের কাগজটা বের করতেই হঠাৎ বাতাসে ফর্মটা উড়ে পার্কিং এড়িয়ার দিক চলে যায়, আমি দৌড়ে নিতেই যাচ্ছিলাম ঠিক ঐ টাইমেই ফর্মের উপর গাড়ীর চাকা এসে পড়ে,

– কলিজাটা আমার ছিড়ে যাওয়ার অবস্থা হয়েছিলো যখন গাড়ীর চাকাটা আমার ফর্মের উপরই এসে পড়ে,

রোহানী : ওহ নো! কে ছিলো ঐ ড্রাইভার? গাড়ী থেকে বের করে বিট করেননি?

স্নেহা : বিট করবো? আমিতো ওনাকে দেখে পালানোর চেষ্টা করি! আই মিন গাড়ীতে তোমার ভাইয়াই ছিলো!

জাফসিন : [ এক্সাইটেড হয়ে ] রিয়েলি?

আলিসা : জুটি যখন উপরওয়ালাই সে্ট করে রেখেছে আবার দেখা হোওয়ার তো ছিলোই!

জাফসিন : যতোই ভাগো না কেনো ভাবীইই! ঘুরেফিরে ভাইয়ার সামনেই হাজির হয়েছো! [ হাসতে লাগলো স্নেহা,এবং এরপরের বাকি কাহানীটুকু ও কন্টিনিউ বলতে লাগলো ]

একঘণ্টা হয়ে গেলো,

রোহানী : হোয়াট দ্যা হেল! এই সামিরের এত্তবড় সাহস! অলোয়েজ ব্রেক করে দিচ্ছে!

স্নেহা : বাট! আমার মন তখন কেনো জানি বলছিলো, রাহুল ওখানে আসবেই!

জাফসিন : উমমম! ভাবী ওখানে এসেছিলো কিনা তো জানিনা, বাট ভাইয়া এইখানে অবশ্যই চলে এসেছে! হি-হি! সি্ গাইস্ আজ ও সে্ইম পোজ ম্যান ইন ব্লাক! [ বলতেই সবাই একসাথে মেইন ডোরের দিক তাকালো, স্নেহা ও তাকাতেই দেখে রাহুল ঢুকছে ]

– উপস্! আজকে সব ব্লাক হলে ও কের্চ হোয়াইট হয়ে গেছে!

রাহুল : কি কথা হচ্ছে আমার বউ এর সাথে! [ বলেই সোফায় গা হেলিয়ে বসে পড়ে ]

আলিসা : ভাইয়া! আমরা না ভাবীর কাছ থেকে তোমাদের লাভ-ষ্টোরী শুনছিলাম!

রাহুল : আরে স্নেহা! যাকে তাকে আমাদের লাভ-স্টোরি জানিয়ে দিচ্ছো কেনো? স্পেশাল লাভ-স্টোরি বলে একটা কথা আছে না, যা শুধু স্পেশাল মানুষদের বলা যায়,এগুলো তো সব অষ্ট্রেলিয়ান খামারের গরু!

আলিসা : [ সোফার কশুন নিয়ে রাহুলের গায়ে ছুড়ে মেরে ] কি বললে? আমরা অষ্ট্রেলিয়ান গরু? [ বলেই আরো কয়েকটা ছুড়ে ছুড়ে মারতে লাগলো, রাহুল কশুন কেচ নিয়ে নিয়ে হাসছে আর আবার উল্টো ছুড়ে মারছে,স্নেহা ও হাসতে লাগলো তাদের কান্ড দেখে, হঠাৎ ]

নেহাল : [ দৌড়ে এসে ] ভাবীইইই! কাম, কাম, [ বলেই স্নেহার হাত ধরে বসা থেকে উঠিয়ে চোখে হাত দিয়ে রাখে ]

স্নেহা : কিন্তু কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?

নেহাল : সারপ্রাইজ ভাবী সারপ্রাইজ!

রোহানী : ওয়াওওও! আম অলসো্ সারপ্রাইজড গাইস্!

নেহাল : [ রোহানীর দিক তাকিয়ে ] শিসসসস! [ বলেই স্নেহাকে কিছুটা সামনের দিক এগিয়ে নিয়ে ধীরেধীরে চোখ থেকে হাত সরিয়ে নেই, আর স্নেহা চোখ খুলে সামনের দিক তাকাতেই জারিফা মার্জান আর শায়লাকে দেখে শকড হয়ে যায়, চোখে পানি চলে এসেছে স্নেহার, দৌড়ে গিয়ে তিনজনকেই একসাথে জড়িয়ে ধরলো, তারাও হেসে আগলে নিয়ে জড়িয়ে ধরলো শক্ত করে ]

মার্জান : অওও স্নেহা! আই মিসড ইউ সো মাচ!

স্নেহা : [ চোখ মুছে ] আই মিসড ইউ টু!

নেহাল : ভাবী! ভাবী! কেমন লেগেছে সারপ্রাইজ? আই মিন আপনার শালীদের দেখে কেমন ফিল হচ্ছে আপনার হুম উম? [ হেসে উঠলো সবাই নেহালের কথা শুনে]

গীতালি : [ মুখে হাত দিয়ে কনফিউজড হয়ে এগিয়ে এসে ] নেহাল ভাইয়া? এরা ভাবীর শালী অয় কেমনে? এরা তো রাহুল ভাইয়ার শালী অইবো তাই না?

জারিফা : [ হেসে ] মিষ্টার অষ্ট্রেলিয়া! আমরা ভাবীর শালী নয়য়য়য়য়! রাহুলের শালীইইইই!

নেহাল : আরে আগেও তো বলেছি একই তো! ভাবী মানে রাহুল! রাহুল মানে ভাবী সো্ হলো না ভাবীর শালী?

গীতালি : খাইছে! এতো উবার ইস্মাট ভাষা আমার বুঝন আসে না, ভাবীর ও বলে আবার শালী অয়!

নেহাল : ওহো গীতালি! উবার ইস্মাট না, ইটস্ কল ওভার স্মার্ট!

গীতালি : আপনের ভাবীর শালী কওনের থেইকা,আমার উবার ইস্মার্ট কওনডা বহুদ পার্ফিক্ট আছিলো!

নেহাল : হোয়াট হোয়াট পার্ফিক্ট?

গীতালি : হো পার্ফিক্ট! [ বলেই চলে গেলো ]

আলিসা : নেহাল ভাইয়া! তোমার এখন বেশি টেনশন না করে এইদিকে এসে বসে যাওয়াটা আরো পার্ফিক্ট হবে! [ সবাই আরো কিটকিটিয়ে হেসে উঠলো ]

নেহাল : [ কনফিউজড হয়ে একটু হেসে ] পার্ফিক্ট! ওখেই! আই থিংক শি ইজ রাইট! [ বলেই সোফায় গিয়ে বসে পড়লো ]

জারিফা : [ এক্সাইটেড হয়ে স্নেহার কাছে এসে ফিসফিসিয়ে ] স্নেহা! লাষ্ট নাইটের কাহাণী বল! কি কি হয়েছে,

স্নেহা : পাগল হয়েগেছিস নাকি?

শায়লা : আমার ও তাই মনে হচ্ছে! কমোনসেন্স নেই তোর?

– এইদিকে দাড়িয়েই সব জেনে নিবি নাকি! বাকিদের সাথে ও আগে দেখা করেনে তারপর নাহয় শুনবি!

জারিফা : নেভার নেভার! আমি এক্ষুনি শুনবো! বলনা স্নেহা কি কি হয়েছে, আচ্ছা চল ঐদিকে ফাকা আছে ঐ দিকে গিয়ে বল! [ বলেই স্নেহার হাত ধরে নিয়েই যাচ্ছিলো তখনি ]

রাহুল : লাভ নেই! [ স্নেহার পাশে এসে দাঁড়িয়ে ] আধি ঘারওয়ালি, আমার পুরো ঘারওয়ালিকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো? লাষ্ট নাইটের কাহাণী শুনতে? [ জারিফা জিহবায় কামড় দিয়ে হাসতে থাকে ]

রাহুল : হি-হি কোনো লাভ নেই! কজ লাষ্ট নাইট কিছুই হয়নি! ইউ নো আমার না, ফুটিকিস্মত!

শায়লা : [ কিটকিটিয়ে হেসে ] আহা! বেচারা!

মার্জান : এক্সুলি ভালোই হয়েছে, এতোদিন হুটহাট যেখানে সেখানে রোমান্স শুরু করে দিতেন না? তাই এখন আপনার বিয়ের পরের রোমান্সে অপেক্ষার প্রহর গুনতে হচ্ছে!

রাহুল : হ্যা তাই ভাবছি, স্নেহা যেহেতু অপেক্ষার প্রহর গুনাচ্ছে তোমাদের থেকে কারো একজনের সাথে সেই প্রহর শেষ করে নিবো!

– [ স্নেহার কাধে হাত রেখে ] কি বলো স্নেহা? [ স্নেহা হেসে রাহুলের পেটে দিলো একটি চিমটি ]

মার্জান : [ গলা ঝেড়ে ] এহেম এহেম! আমি আসি! [ বলেই হুড়হুড় করে সোফার দিক চলে গেলো ]

রাহুল : আরে এইতো পালালো! [ মুচকি হেসে ] এনিওয়েস্ তাহলে তোমরা দুজনের মধ্যে থেকে ডিসাইড করে নাও আমার সাথে বেড শেয়ার কে করছো!

জারিফা : শাশ..শায়লা সিংগেল আছে জিজু! আ..আমি ঐদিকটা যাচ্ছি রোহানী ডাকছে! [ বলেই দৌড় দিলো ]

রাহুল : [ হাত উঠিয়ে আলসে কেটে ] উমমমম! তাহলে আমার অপেক্ষার প্রহর এবার শেষ হতে যাচ্ছে, সো্ ভাবছি কোনদিক থেকে শুরু করবো! [ বলেই শায়লার কাছাকাছি এসে দাড়াতেই ]

শায়লা : ছিইইই জিজু! [ বলেই রাহুলকে সরিয়ে দিয়ে দৌড়ে চলে যায় ]

রাহুল : [ হেসে হেসে ] আরেহ! পালাচ্ছো কেনো তোমরা? [ স্নেহা ও রাহুলের কান্ড দেখে হেসে বাকিদের দিক এগিয়ে যাচ্ছিলো তখনিই ]

রাহুল : [ স্নেহার হাত ধরে কাছে টেনে ] তুমি আবার কই পালাও! সবাইকে পালাতে দিলেও তোমাকে পালাতে দিচ্ছিনা!

স্নেহা : [ হাত ছুটানোর চেষ্টা করতে করতে ] কি করছেন রাহুল! ছাড়েন কেউ দেখবে!

রাহুল : দেখুক! [ with tedi smile ]

স্নেহা : আরেহ পাগল নাকি? দাদী,ফুফী সবাই আছে, আর আপনার লজ্জা বলতে কিছু নেই?

রাহুল : [ হেসে ] একদমই নেই স্নেহা! কিভাবে পাই লজ্জা দেখি? [ বলেই স্নেহার পেটের শাড়ীর নিচে হাত দিতেই ]

স্নেহা : রাহুল! আপনার বাবা! [ বলেই রাহুলকে ধাক্ষা দিয়ে সরিয়ে এগিয়ে যায় সোফার দিক, রাহুল ও হেসে পেছন পেছন এগিয়ে এসে স্নেহার পাশে সোফায় হেলান দিয়ে দাঁড়ায় ]

দাদী : ভালোই করেছো তোমরা এসে, আমি তো ফোন করতেই ছিলাম নাফিসা আবার নিষেধ করে বললো তোমরা হয়তো টায়ার্ড থাকবে তাই আর ফোন করলাম না,

নেহাল : আরে মম! নিষেধ করেছো কেনো! ফোন করতে?

নেহালের মা : নেহাল! ওরা টায়ার্ড থাকবে ভেবে নিষেধ করেছিলাম!

জারিফা : হাইই! আংকেল গুড মর্নিং!

রাহুলের বাবা : গুড মর্নিং! ডিয়ার!

____এইদিকে,

নেহালের মা : [ নেহালের দিক ফিসফিসিয়ে ] নেহাল! ঐ মেয়েটার থেকে দূরে দূরেই থাকবি!

নেহাল : হোয়াই মম? দূরে দূরে কেনো থাকবো? ওর কাছে খারাপের কি আছে?

নেহালের মা : কারণ এসব মেয়েগুলোর উপর আমার মোটেও বিশ্বাস নেই! তোদের মতো ছেলেদের দেখলে এরা…

নেহাল : [ বিরক্তি হয়ে ] স্টপ ইট মম! [ বলেই অন্যপাশ ফিরে গেলো, নেহালের মা ও নাক ফুলিয়ে রাগান্বিত ভাবে লিভিং সাইডে গিয়ে বসে পড়লো ]

রাহুলের বাবা : [ স্নেহার দিক তাকিয়ে ] স্নেহা! ব্রেকফাস্ট করেছো?

স্নেহা : জি! করেছি!

দাদী : সবাই করেছে শুধু রাহুল! [ বলেই থেমে যায়, রাহুল ও অন্যপাশ ফিরে গিয়ে স্নেহার শাড়ীর আচল নিয়ে আংগুলে পেচাতে থাকে ]

রাহুলের বাবা : আমি অফিস যাচ্ছি মা! লাঞ্চে আসবো!

দাদী : কিন্তু তুই যে বললি যতোদিন না রাহুলের সব প্রোগ্রাম শেষ না হয়, ততোদিন কোনো অফিসে যাবি না!

রাহুলের বাবা : হ্যা! বলেছিলাম এক্সুলি, ইতালির একটা নিউ প্রজেক্ট এসেছে, মুরাদ ও না বলে মিটিং রেখে দিয়েছে তাই যেতে হচ্ছে!

দাদী : আচ্ছা ঠিকাছে যা! কিন্তু এর আগে ব্রেকফাস্ট করেনে!

রাহুলের বাবা : ব্রেকফাস্ট আমি অফিসে করে নিবো! [ বাকিদের দিক তাকিয়ে ] এঞ্জয় গাইস্ [ বলেই মুচকি হেসে চলে যাচ্ছিলো তখনিই ]

স্নেহা : [ পাশ মুড়ে দাঁড়িয়ে ] ব্রেকফাস্ট করে না গেলে আপনার মেডিসিন টাইমলি নিতে পারবেন না! [ রাহুলের বাবা থেমে গিয়ে অবাক হয়ে তাকায় স্নেহার দিক ]

স্নেহা : জি! হাহ..হার্টের মেডিসিন! টাইমলি নেওয়া ভালো, তাই! [ রাহুলের বাবা স্নেহার কথা শুনে, মুচকি হেসে মাথা নাড়িয়ে ডাইনিং টেবিলের দিক চলে যায় ব্রেকফাস্ট করতে ]

দাদী : [ স্নেহার ফ্রেন্ডসদের দিক তাকিয়ে ] তোমরা আবার দাঁড়িয়ে আছো কেনো চলো এসো ব্রেকফাস্ট করতে!

জারিফা : নাহ দাদী আমরা তো আজ এতোগুলো ব্রেকফাস্ট করেছি যে আজ সারাদিনে আর খেতে পারবো কিনা ও কে জানে!

লিনিসা ফুফি : কিন্তু তোমরা এইখানে যখন আসছো তাহলে বাসা থেকে কেনো ব্রেকফাস্ট করে আসলে,

জারিফা : না,নাহ বাসায় ব্রেকফাস্ট করার সময়টুকু ও কই দিলো, রাহুল গিয়ে আমাদের এমন তাড়াহুড়ো করে নিচে নামতে বলেছে যে, [ হেসে ] পরে গাড়ীতে উঠে দেখি এতোগুলো খাবার! [ রাহুলের দিক তাকিয়ে ] হাউ সুইট জিজু! আমাদের কত্তো কেয়ার করে, [ রাহুল ও হেসে চোখ টিপ মারে ]

দাদী : আচ্ছা তাহলে তোমরা গল্প করো আমরা ঐদিকটা আছি! [ বলেই দাদী,এবং লিনিসা ফুফিও লিভিং সাইড চলে গেলো ]

আলিসা : কাম ভাবী! দাঁড়িয়ে আছেন কেনো?

[ স্নেহা সোফায় বসতে যাওয়ার জন্য পা এগুচ্ছিলো তখনিই শাড়ীর আচলে টান খাওয়াই পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখে,রাহুল আচল দাত দিয়ে কামড়ে ধরে এক ধ্যানে কি যেনো চিন্তা করছে ]

স্নেহা : আরেহহ! [ বলেই আচল ঝাড়ি মেরে টেনে নেই ]

রাহুল : [ দাতে ব্যথা পাওয়ায় মুখ চেপে ] আআহ! স্নেহা![ স্নেহা হেসে সোফায় গিয়ে আলিসার পাশে বসে পড়ে ]

রাহুল : আরে দাঁড়াও না কথা ছিলো তো! [ বলেই স্নেহা আর আলিসার মাঝ বরাবর দাঁড়িয়ে ]

– এইই হাট, হাট সাইড দে!

আলিসা : [ স্নেহার পাশে আরো লেগে বসে ] নেভার! কখনোই দিবো না সুন্দর করে বলো!

রাহুল : আমার পিচ্চি আলিসা, আমার বোন! প্লিজ দয়া করে সাইড দে!

আলিসা : হিহি! সো্ সুইট! [ বলেই রাহুলকে স্নেহার পাশে বসার জায়গা দিয়ে সে সাইড হয়ে বসে ]

রাহুল : [ সোফায় বসে ] মুটি! অষ্ট্রেলিয়ান খামারের গরু!

আলিসা : [ চেচিয়ে ] আআআআ! [ রাহুলকে চিমটিয়ে ] মাই ওয়েট ফরটি সেভেন কিলো অনলি! ওকে?

রাহুল : ওও! তাই তো বলছি আমি ফুটা খাচ্ছিলাম কেনো! হাড্ডির দোকান!

আলিসা : [ কাদো ভাবে ] ওওহ! নোওও [ বলেই কশুন দিয়ে রাহুলকে বারি মেরে উঠে অন্য জায়গায় গিয়ে বসে পড়ে, রাহুল হাসতে থাকে,বাকিরাও সবাইমিলে হেসে আড্ডা দিতে লাগলো ]

রাহুল : [ ফিসফিসিয়ে ] স্নেহা!

স্নেহা : হুম?

রাহুল : তুত..তুমি কিভাবে জানো, যে বাবার হার্টের প্রবলেম?

স্নেহা : আজ সকালে! আপনার ড্রেসিং এর ড্রয়ারে একটা ফাইল ছিলো ওটাই দেখেছি!

রাহুল : ওহ!

স্নেহা : সরি রাহুল! আপনার পার্মিশন ছাড়া আপনার জিনিষে হাত দিয়েছি বলে, এক্সুলি আমি চুড়ি নিতে গিয়ে তখন হঠাৎ…

রাহুল : ওহো শাট-আপ স্নেহা! সরি কেনো বলছো! আমার জিনিষ মানে তোমারই তো! এতে পার্মিশন কেনো লাগবে!

– বাব..বাট স্নেহা! তুমি যা দেখেছো ফাইলে! তা আর কাউকে বলার দরকার নেই! ওকে?

স্নেহা : কেনো? আপনার বাবার হার্টে আরো তিনটে ব্লগ আছে এটা তিনি জানলে কষ্ট পাবে তাই?

– রাহুল!

রাহুল : হুমম?

স্নেহা : আপনি চাইছেন না যে আপনার বাবা কষ্ট পাক! তাই তো? [ চুপ করে থাকে রাহুল কোনো জবাবই দেইনা স্নেহাকে ]

স্নেহা : আ..আপনিও তো ব্রেকফাস্ট করেননি! আপনার বাবা একা বসে ব্রেকফাস্ট করছে, আ..আই মিন আপনি ও সাথে করেনিন!

রাহুল : শাট-আপ!

স্নেহা : শাট-আপ বলে বলেই সব সময় চুপ করিয়ে দেন! একই ছাদের নিচেই আছেন দুজন, অথচ একজন একজনের সাথে কথা বলা তো দূরের কথা, চোখাচোখা হতেও চান না,

– কেনো রাহুল? ভুল তো মানুষ করেই থাকে, তাই বলেকি ক্ষমা পাওয়ার অধিকারটাও হারিয়ে ফেলে?

রাহুল : স্নেহা! কি হয়েগেছে তোমার? হঠাৎ এসব আবার কেনো বলছো?

নেহাল : গাইস্ তোমরা কি ঝগড়া করছো?

রাহুল : না! কক..কথা বলছি জাষ্ট! [ স্নেহার দিক তাকিয়ে কাধে হাত রেখে ফিসফিসিয়ে ] অন্য টপিকে কথা বলি স্নেহা! ওকে?

স্নেহা : কতোদিন টপিক চেঞ্জ করতে থাকবেন রাহুল? [ রাহুল দীর্ঘশ্বাস ফেলে নাক ফুলিয়ে স্নেহার কাধ থেকে হাত সরিয়ে দুহাত একত্রে মুঠি বেধে মুচড়া মুচড়ি করতে থাকে ]

স্নেহা : নিজেও কষ্ট পাচ্ছেন, ওনাকে ও কষ্ট দিচ্ছেন! আপনি চাইলে আবারো…

রাহুল : প্লিজ স্নেহা প্লিজজ! চেঞ্জ দ্যা টপিক!

স্নেহা : [ রাহুলের হাতের মুঠি ছুটিয়ে, নিজের হাতের মুঠিতে ভরে ] রাগ উঠছে? হুমম?

– হারিয়ে দিন এই রাগকে! আপনার বাবার ভালোবাসার থেকে তো আর বড় নয়!

– আপনার খুশির জন্য! মিথ্যে অভিনয় করে আমার ফ্যামিলির কাছে পর্যন্ত নতো হয়েছে!তারমানে তিনি ও চাইছেন তার পরিবারকে আগের মতো ফিরে পেতে!

রাহুল : স্নেহা! এতোটা বছর যা হয়েছে [ মুচকি হেসে ] তুমি সাথে আছো এখন!

– সো্ আর কিছু চাই না,নাও আই হ্যান্ডেল ইট!

স্নেহা : এতোটা বছর কি হয়েছে এটা ভাবা জরুরী নয় রাহুল! এতোটা বছর কিভাবে কেটেছে এটা ভেবে দেখুন!

– রাগের মাথায় নয় একবার ভালোবেসে ভেবে দেখুন! চাইলে তিনিও আপনাদের সবাইকে ত্যাগ দিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করতে পারতো, কিন্তু তিনি তা করেনি কারণ তিনি আপনাদেরকেই চাই!

– নিজে কি ইনকাম করছেন একটাকা? আর খরচ করছেন লাখ লাখ টাকা! এতোটাকা কই যাচ্ছে, কি করা হচ্ছে এই টাকায়? কখনো হিসাব চেয়েছে আপনার কাছ থেকে?

– ঐদিন পুলিশ স্টেশনে আপনাকে অ্যারেষ্ট করেছে শুনতেই দৌড়ে এগিয়ে গেলো, দোষ আপনার ছিলো নাকি ছিলো না এটাও যাচাই করেনি!

– তারমানে রাহুল! আপনার জন্য তার ভালোবাসা একবিন্দু ও কমেনি!

রাহুল : শেষ হয়েছে এবার? তোমার ওরেষণ দেওয়া?

স্নেহা : [ রাগান্বিত ভাবে ] আমার কথা গুলো আপনার ওরেষণ মনে হচ্ছিলো!

রাহুল : নাহ স্নেহা আমি ওটা…

স্নেহা : আমি ভাষণ দিচ্ছিলাম এতোক্ষণ?

রাহুল : লিসেন্ট..

স্নেহা : [ রাগান্বিত ভাবে ] কথার মাঝে কথা বলবেন না বলেদিলাম!

রাহুল : [ শকড হয়ে ] ও..ওখে!

স্নেহা : আপনার এটিটিউড সবার আগে! এই এটিটিউডের পেছনে কার মনে কি চলছে এতে আপনার কোনো কেয়ারই নেই!

– আপনাকে এবং আপনার এটিটিউডকে আমার তরফ থেকে মোবারক!

রাহুল : ঈ..ঈদ মোবারক?

স্নেহা : নাহ! এটিটিউড মোবারক! [ বলেই উঠে যাচ্ছিলো, তখনিই ]

রাহুল : [ হাত টেনে বসিয়ে দিয়ে ] কোথায় যাচ্ছো? আচ্ছা ওকে সরি!

স্নেহা : সরি চাই না রাহুল! ডিজপোস্ চাই! আপনার আর আপনার বাবার মাঝে!

– পারবেন? দিতে? [ রাহুল হতভম্ব হয়ে চুপ করে তাকিয়ে আছে স্নেহার চোখের দিক ]

স্নেহা : [ মুচকি হেসে ] পারবেন না!

– কারণ আপনার কাছে আপনার এটিটিউডই সবার আগে! এর আগে কিছুই না!

– আমি ও না! [ বলেই স্নেহা উঠে চলে যাচ্ছে ]

রাহুল : [ চেচিয়ে ] স্নেহা! ওয়েট, রাগছো কেনো? [ সবাই অবাক হয়ে একবার রাহুল আরেকবার স্নেহার দিক তাকাতে লাগলো ]

রাহুল : স্নেহা! এটিটিউড আগে না তুমিই আগে!

– কামঅন স্নেহা প্লিজ! [ থামলো না স্নেহা চলেই যাচ্ছিলো ]

রাহুল : [ স্নেহার এভাবে কষ্ট পেয়ে চলে যাওয়া সজ্য আর করতে না পেরে, চোখ কুচকে চেচিয়ে বলে উঠলো ]

– ও..ওকে স্নেহা! আমি যাচ্ছি,

– ডিড..ডিজপোস্ করবো! [ থেমে গেলো স্নেহা, পেছন ফিরে রাহুলের দিক তাকালো ]

রাহুল : [ কাদো ভাবে ] এ..এটিটিউড আগে না তুমিই আগে! [ চেয়ে রইলো স্নেহা কিছু বললো না, রাহুল ও কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে ধীরেধীরে এগিয়ে গেলো ডাইনিং টেবিলের দিক, বাকিরা ও হা করেই তাকিয়ে আছে রাহুলের দিক, গীতালি ও রান্নাঘরের চুলার সুইচড অফ করে দিয়ে তাকিয়ে রইলো ]

রাহুল : [ তার বাবার চেয়ারের পেছনে দাঁড়িয়ে থেকে, মনে মনে ] কামঅন রাহুল! কিছু তো বল!

– কি বলবি? [ আড়চোখে স্নেহার দিক তাকিয়ে দেখলো, স্নেহা দাঁড়িয়ে চেয়ে আছে তার দিক ]

রাহুল : [ মনে মনে কাদো কন্ঠে ] যদি জানটাই না চেয়ে নিতা স্নেহা! খুশি খুশিতে দিয়ে দিতাম!

– জান দেওয়ার চেয়েও বাবার সাথে ডিজপোস্ করাটাই ভয়ংকর কাজ মনে হচ্ছে আমার! [ বাবার প্লেটের দিক তাকিয়ে ] মাই ডিয়ার ফাদার এতো তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করছো কেনো! আরো কিছু তো খাও এক্সুলি সবই খেয়ে নাও!

– তাও এখন এইদিকে ফিরো না!

– যদি এইদিক ফিরে আমি ফেইস করবো কিভাবে? এখনো সময় আছে রাহুল! কেটে পর! [ বলেই চলে আসার জন্য পাশ ফিরছিলো তখনিই আবার স্নেহার দিক চোখ পরাই তাড়াতাড়ি আবারো ফিরে যায় ]

– শিট! শিট! রাহুল, কেটে পড়লে আবার স্নেহা ভাববে,এটিটিউড আগে তারপর ও!

– আই লাভ ইউ স্নেহা! বুঝো না কেনো কতো ভালোবাসি! এসবের সাথে এটিটিউড, ডিজপোস্ এসব কেনো মেলাতে যাচ্ছো কে জানে! [ হঠাৎ খেয়াল করলো চেয়ার সরিয়ে তার বাবা দাড়াচ্ছে, রাহুল নিজের কপালে হাত দিয়ে ঘাম মুচতে লাগলো, তার বাবা ফিরে তাকাতেই রাহুলকে দেখে চমকে উঠে, রাহুল ও কি আর করবে, নার্ভাসনেস্ কাজ করছে তাই তাড়াতাড়ি টেবিলের কাছে গিয়ে জগ থেকে গ্লাসে পানি ঢালতে লাগলো,

রাহুলের বাবা ও কিছু বললো না ভাবলো পানি খেতেই এসেছে, তাই বেড়িয়ে যাওয়ার জন্য হাটা ধরলো, রাহুল তাড়াতাড়ি পাশমুড়ে স্নেহার দিক তাকাতেই দেখে স্নেহা ও তারদিক থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে উপরের দিক চলে যাচ্ছে, এইদিকে তার বাবার দিক তাকিয়ে দেখে তিনিও চলে যাচ্ছেন, কোনদিক যাবে সে, আর না পেরে ]

রাহুল : [ হুট করে চেচিয়ে বলে উঠলো ] বাবা!

চলবে…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Lists of writers

Sultana Toma
200 POSTS0 COMMENTS
Maria Kabir
159 POSTS1 COMMENTS
Jubaida Sobti
126 POSTS0 COMMENTS
Rabeya Sultana Nipa
117 POSTS0 COMMENTS
Jannatul Ferdaus
64 POSTS0 COMMENTS
Jannatul Ferdous
48 POSTS1 COMMENTS
মিম
42 POSTS0 COMMENTS
Tabassum Riana
21 POSTS0 COMMENTS
AL Mohammad Sourav
15 POSTS0 COMMENTS
Shahazadi Humasha
12 POSTS0 COMMENTS
Abdullah Al Ador Mamun
11 POSTS0 COMMENTS
Tamanna
10 POSTS0 COMMENTS
Farzana Akter
8 POSTS0 COMMENTS
Umme Nipa
7 POSTS0 COMMENTS
Sadiya Afrin
7 POSTS0 COMMENTS
Nilufar_Nijhum Nijhum
4 POSTS0 COMMENTS
Tamanna Khan
4 POSTS0 COMMENTS
Shahriar Shuvro Sabbir
3 POSTS0 COMMENTS
Maruf Sabbir
3 POSTS0 COMMENTS
Joy Khan
2 POSTS0 COMMENTS

Most Popular

বা‌লিকা বধূ ৫ম পর্বঃ-শেষ পর্ব

বা‌লিকা বধূ ৫ম পর্বঃ-শেষ পর্ব #লেখাঃ_শার‌মিন_আক্তার_(#সাথী____) ----------তনয়‌াঃ আজ থে‌কে আমি মুক্ত মা! আয়াত না‌মের...

বা‌লিকা বধূ ৪র্থ পর্বঃ

বা‌লিকা বধূ ৪র্থ পর্বঃ #লেখাঃ_শার‌মিন_আক্তার_(#সাথী_____) --------আয়াতঃ প্লিজ তনয়া ব‌লো কি হ‌য়ে‌ছে? প্লিজ-----? তনয়াঃ আয়াত আজ পর্যন্ত...

বা‌লিকা বধূ ৩য় পর্ব

বা‌লিকা বধূ ৩য় পর্ব #লেখ‌াঃ_শার‌মিন_আক্তার_(#সাথী____) ---------তনয়ার ঘুমোন্ত মুখটার দি‌কে তা‌কি‌য়ে দেখ‌তে দেখ‌তে ওখা‌নেই ঘু‌মি‌য়ে...

বা‌লিকা বধূ ২য় পর্বঃ

বা‌লিকা বধূ ২য় পর্বঃ লেখাঃ_শার‌মিন_আক্তার_(#সাথী_____) ---------তনয়া ঘুমা‌চ্ছে আর আয়াত তা‌কি‌য়ে আছে তনয়ার...

Latest Posts

More