Love_at_1st_sight Part : 4

0
120

Love_at_1st_sight😍😘💞
Part : 4

writer-Jubaida Sobti
রাহুল : Don’t worry স্নেহা, আমি কিছু করবো না তোমাকে ভয় পেতে হবে না।
(রাহুল Blushes 😍)
স্নেহা : একটু দূরে গিয়ে যদি দাড়াতেন😔
(রাহুল আবারো তেডি স্মাইল with blushes)😍
স্নেহা : (একটু বিরক্তিবোধ করে) দেখেন আপনি এভাবে দাঁড়িয়ে আছেন যদি কেউ এসে দেখে কি ভাববে।😧
সেটা বলার সাথে সাথে ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়া ছেলেদের মধ্য থেকে একটা ছেলেকে ডাক দিলো।
রাহুল : (জোড় গলায়) রিফাত!
রিফাত : yes! bro🙂
রাহুল : ভেতরে যাতে কেউ না আসে 😕
রিফাত : Ok bro!
স্নেহা :😯😯
রাহুল : (তেডি স্মাইল দিয়ে স্নেহার দিকে তাকিয়ে আছে)😍
স্নেহা : বুঝলাম কেউ আসবে না তাও একটু দূরে গিয়ে যদি দাঁড়ান,😞
স্নেহা রাহুলকে দূর গিয়ে দাঁড়াতে বললো অমনি রাহুল স্নেহার আরো কাছে এসে দু পাশে দু হাত দিয়ে দাঁড়ালো,😍
স্নেহা : না বলছিলাম যে কাছে এসেই দাঁড়ান 😬 (স্নেহা ভেবেছে ওনাকে যতো দূরে গিয়ে দাড়াতে বলছি আর ওনি কাছে এসে দাড়াচ্ছে। নিশ্চয় কাছে এসে দাঁড়াতে বললে দূরে গিয়ে দাঁড়াবে,)😂
স্নেহার কথা শুনে রাহুল দুপাশ থেকে হাত সরিয়ে একটু দূরে গিয়ে দাঁড়িয়ে পকেটে হাত দিয়ে হাসা শুরু করলো,😄
রাহুল : স্নেহা are u crazy 😃
স্নেহা : 😬😬 No I m not crazy.
রাহুল : r u sure 😂😂
স্নেহা : 100%😒
রাহুল : anyway আজকে প্রেক্টিসে আসলে না যে,?
স্নেহা : it’s ordered
রাহুল : who ordered u? 😧
স্নেহা কিছু না বলে চলে যাচ্ছিলো, রাহুল স্নেহার হাত ধরে ফেলে,
রাহুল : স্নেহা বলছো না কেনো? আমি কিছু জিজ্ঞেস করেছি?😐
স্নেহা : কিছুনা, হাত ছাড়েন।😢
রাহুল : স্নেহা আমার রাগ তুলবানা, বলো কে নিষেধ করেছে?😦
স্নেহা : বললাম তো কিছুনা।😧
হঠাৎ দরজায় টুকা দেওয়ার শব্দ হলো রাহুল স্নেহাকে আর কিছু না বলে একটু রেগে বেড়িয়ে গেলো।
স্নেহা ও বেড়িয়ে পড়লো রাহুলের পিছু পিছু,
মার্জান : স্নেহা! কোথায় ছিলি তুই তুকে খুজছিলাম কতো জায়গায় জানিস,
স্নেহা : এইতো লাইব্রেরি গিয়েছিলাম একটু।
মার্জান : ওহ চল একটু গার্ডেনের দিকে গিয়ে ঘুরে আসি। কলেজটা ঘুরে দেখায় হলো না।
স্নেহা : সবাই আসুক একসাথে যাবো।😊
মার্জান : আরে ওরা আসতে দেরী হবে আমরা বসে বসে কি করবো,, চলতো।
স্নেহা : দেখ মার্জান আমার না প্রচণ্ড মাথা ব্যাথা করছে। আজ নয় অন্য একদিন। এখন আমি বাসায় যায় কাল দেখবো প্রমিস।
মার্জান : ওকে বাবা! যা। Bye.
স্নেহা সেদিন আর কলেজে থাকেনি তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসে।
কেনো যেন রাহুলের কথা মনে পড়ছে
প্রথম যেদিন কলেজ গিয়েছিল, রাহুল তার দিকে চেয়ে ছিলো এক দৃষ্টিতে,
রেগিং এর সময় সব থেকে সহজ কাজটা স্নেহাকে দিলো।
পানি খেতে গিয়ে রাহুলের শার্ট ভিজিয়ে দিলো কিন্তু রাহুল কিছুই বলেনি,
কলেজে ঢুকার সময় গার্ডেন এর ঐদিকে সবসময় দাঁড়িয়ে থাকা,,
…কথা না বলে লজ্জিত ভাবে একটা তেডি স্মাইল দেওয়া… 😍
প্রেক্টিসের সময় দাঁড়িয়ে তার ডান্স দেখা, কাছে এসে স্নেহার মাথার চুল খুলে দেওয়া, ফুস্কার দোকানের সামনে গাড়ি থামিয়ে স্নেহার দিকে এক পলক চেয়ে আবার চলে যাওয়া, আর আজ প্রেক্টিসে না যাওয়াতে রেগে যাওয়া, হোয়াইট শার্ট পরে আজ লাইব্রেরিতে যখন এন্ট্রি করছিল 😍
স্নেহার হাত ধরে টান দেওয়া, কাধের দু পাশে দেওয়ালে হাত দিয়ে দাঁড়ানো,
স্নেহা ভাবতে ভাবতে Blushes 
হঠাৎ মোবাইলটা বেজে উঠলো।
স্নেহা : হ্যালো!
শায়লা : স্নেহা তুই আজ চলে গেলি যে তাড়াতাড়ি, মার্জান বললো তোর নাকি মাথা ব্যথা করছিল তাই চলে গেলি।
স্নেহা : হে আসলে, একটু ব্যথা ছিলো।
শায়লা : জানিস আজ নেহাকে রাহুল কি বলেছে?
স্নেহা : কি 😱
শায়লা : নেহা যখন রাহুলের সাথে ডান্স করছিলো এমন ভাবে লেগে ডান্স করছে যেন রাহুল তার অনেক কিছু, নেহার এমন
কান্ডে রাহুল may be uncomfortable ছিলো,
তারপর রাহুল কি বললো জানিস, listen নেহা u r only my dance partner!… understand… আর কিছু হওয়ার কথা ভাবা তো দূরের কথা মাথায় ও আনবি না।
নেহার face expression টা যদি তখন দেখতি না… পুরাই একটা ডাইনি 😂😂
স্নেহা : ( অনেক existing হয়ে) জানিস আজ রাহুল আমাকে খুজতে এসেছিল, এবং সে আমাকে খুজতে লাইব্রেরি সহ গিয়েছে,
স্নেহা শায়লাকে সব বললো আজকের ঘটনা…
শায়লা : oh yeah… I got it.. এখন বুঝতে পেরেছি আমাদের স্নেহার মাথা ব্যথা কেন হয়েছিল।আর রাহুল বাকি মেয়েদের Avoid করে শুধু তোকে দেখে কেন তেডি স্মাইল দেই 😊
by the way আমার তো এখন মনে হচ্ছে রাহুল তোকে…. 😍😜
স্নেহা : Blushes  যাহ… তেমন কিছুই না। আচ্ছা কাল দেখা হচ্ছে তাহলে।
শায়লা : ওকে বাই ….
স্নেহা : বাই।
সকালে স্নেহা রেডি হচ্ছে কলেজ যাওয়ার জন্য ঠিক ঐ সময় Unknown নাম্বার থেকে একটা মেসেজ এলো…
MSG : ব্লু ড্রেসটাই দারুন লাগে…😍
স্নেহা অনেক কনফিউজড হয়ে গেলো… কালতো আমি ব্লু ড্রেস পরিনি… আর কে সে ব্লু ড্রেস পড়াতে আমায় কবে দেখেছে।
লেইট হয়ে যাচ্ছে তাই স্নেহা মেসেজের আর জবাব না দিয়ে…কলেজ চলে গেলো…
স্নেহা কলেজ গিয়ে দেখে গার্ডেন এর ঐদিকের চেয়ার গুলো ভেংগে গেছে… মাটিতে পরে আছে অনেক লাঠি কিছু ভেংগে যাওয়া কিছু ঠিক… এমন লাগছে যেন তুফান হয়েছে তাই সব ভেংগে ছিড়ে ছিটে পড়ে আছে।
কলেজ টা ও কেমন নিস্তব্ধ হয়ে আছে।
কিছু বুঝতে পারছিনা কি হচ্ছে এসব।
কিন্তু আজ মিস্টার হ্যান্ডসামকে ও দেখছি না, প্রেত্যেকদিন তো কলেজ ঢুকার সময় গার্ডেনের দিকে দাঁড়িয়ে থাকে,আমাকে দেখলে একটা তেডি স্মাইল দেই।আজ কই গেলো।
সামনে যেতেই দেখি জারিফা,
জারিফা দৌড়ে আমার দিকে আসে, আমাকে টেনে একদিকে নিয়ে যায়…
কিছু বুঝতে পারছি না কি হচ্ছে এসব।😨
জারিফা : জানিস, এখন কি হয়েছে রাহুল আর সামিরের গ্রুপের সাথে অনেক মারামারি হয়েছে।
স্নেহা : সামির গ্রুপ মানে 😱
জারিফা : রাহুলের যে গ্যাংগটা আছে ঠিক ঐরকম সামির নামের ঐ ছেলেটির ও আছে। তারা একই সেমিস্টার এর হলে ও তাদের গ্রুপটা আলাদা। দুই গ্রুপের মধ্যে নাকি পুরোনো দুশমনি আছে,
স্নেহা : রাহুল ঠিকাছে? 
জারিফা : হে ঠিকাছে কিন্তু মনে হচ্ছে রেগে ও আছে মন ও খারাপ করে আছে ,
স্নেহা : 😰😰
জারিফা : রাহুল আর তার ফ্রেন্ডরা কলেজে আসতে আসতে রাহুলের গ্রুপের ছেলেদের অনেক মেরেছে।
তাদের অবস্থা দেখে রাহুল রেগে পারছিল না যে সামিরের গ্রুপের ছেলেদের এক্ষুনি গিয়ে খুন করে আসবে কিন্তু রাহুলের ফ্রেন্ডসরা তাকে আটকে ফেলে ভাগ্যিস।
আরে! ক্লাসের তো সময় হয়ে গেছে চল স্নেহা।
স্নেহা : তুই ওনাকে দেখেছিস
জারিফা : ওনি মানে 😉
স্নেহা : ( Blushes) রাহুল।
জারিফা : 😉 পার্কিং এর দিকে যেতে দেখেছি,
স্নেহা পার্কিং এর দিকে গেল, দূর থেকে তাকিয়ে দেখলো রাহুল আনমনা হয়ে কি যেন ভাবছে।
অনেক টেনশনে আছে লাগছে,
স্নেহা রাহুলেন কাছে এসে দাঁড়ালে রাহুল স্নেহার দিকে তাকালো,কিন্তু একটু অবাক হলো,
রাহুল : What?
স্নেহা : জি! আপনার Assignment টা,
রাহুল : (অবাক হয়ে) ওহ, তো কমপ্লিট?
রাহুল Assignment গুলো হাতে নিলো,
স্নেহা এখনো দাঁড়িয়ে আছে।
রাহুল : কি কিছু বলবা,?
স্নেহা : না, নাতো…
রাহুল : তাহলে দাঁড়িয়ে আছো, যে।
স্নেহা আর কিছু না বলে চলে যাচ্ছে,
রাহুল : স্নেহা, দাঁড়াও।
স্নেহা ফিরে তাকায়।
রাহুল : Thank u 
স্নেহা : ( Blushes )😌
রাহুল কিছু না বলে চলে গেলো,
স্নেহা ক্লাসে এসে বসে,
জারিফা : কি হলো স্নেহা দেখা করেছিস? কি বলেছে রাহুল?
স্নেহা : হে দেখাতো করেছি, কিন্তু মনে হচ্ছিলো খুব টেনশনে আছে, তেমন কিছু বলেনি।
জারিফা : ওহ তোর ও বুঝি খুব টেনশন হচ্ছে 😉
স্নেহা : (blushes )
জারিফা : ওওও… সব বুঝি। কুচ কুচ হতাহে….😋
আচ্ছা চল ক্লাস করতে ভালো লাগছে না ঘুরে আসি,
শায়লা,মার্জান, জারিফা, সবাই মিলে কলেজ ঘুরে দেখছে,
গার্ডেনটা ঘুরে দেখতে দেখতে কিছু দূর গিয়ে দেখলাম কিছু ছেলে স্মোক করছে,
নির্জন জায়গা অবশ্য এসব হওয়ারি কথা,
শায়লা : চল এইখান থেকে ছেলে গুলো কেমন যেন ঠিক লাগছে না,
তাই আর বেশী দূর যায়নি, সবাই চলে আসি,
মার্জান : অনেক টায়ার্ড লাগছে চল বাসায় যাই।
জারিফা : হে রে আমিও অনেক টায়ার্ড আজ আর নয় বাসায় চল।
সব শেষে সবাই বাড়ি যাচ্ছিলো, আজ মিস্টার হ্যান্ডসামকে তো ঢুকতে ও দেখলাম না বেরুতে ও দেখলাম না 😞
স্নেহা ভেবে ভেবে আনমনা হয়ে বের হচ্ছে হঠাৎ বের হওয়ার সময় একটা ছেলের সাথে ধাক্ষা খেলো, স্নেহা ছেলেটিকে সাইড দিলে ও ছেলেটি ইচ্ছা করে ধাক্ষা খায়। স্নেহা বিরিক্ত বোধ করে ছেলেটির দিকে তাকালো…😦
ছেলেটি দেখতে খারাপ না,সানগ্লাস পরা কানের মধ্যে মোবাইলটা লাগিয়ে রেখেছে, নিশ্চয় কারো সাথে কথা বলছিল,
ছেলেটি স্নেহাকে দেখে ওয়াও 😍 বলে উঠে,
মার্জান : এই যে আপনি ওর সাথে ধাক্ষা খেয়েছেন সরি না বলে উলটা এসব কি বলছেন। 😡

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here