ফাল্গুনের_ফুল  part_7

0
312
ফাল্গুনের_ফুল
part_7
#Writer_Farzana

খুব tension-এ আছি। ফাল্গুনের ফুল যদি রাজি না হয়। Try করে দেখতে দোষ কোথায়। কিন্তু কিভাবে manage করবো ওকে 😰? ওর স্বভাবে একটু ছেলেমানুষি আছে। So, বাচ্চাদের যেভাবে পটাতে হয়, ওকেও সেভাবে পটানোর চেষ্টা করা যেতে পারে 🤔। উফ্, মাথায় কিছু আসছে না। নেছারের কাছ থেকে লতার ফোন number টা নিয়ে call করতে হবে। জানতে হবে ওর পছন্দের জিনিসগুলি, তা না হলে পটাবো কিভাবে। এতো কম সময়ে কিভাবে কি করবো মাথায় কিছু আসছে না। এসব চিন্তা করতে করতে ১১:০০ বেজে গেল। নাহ আর সময় নষ্ট করলে চলবে না। নেছারকে call করলাম।-
Samir: হ্যালো নেছার, লতার ফোন number টা তোর কাছে আছে না?
Nesar: কেন কি করবি? লতাকে বিয়ে করবি? যাক বাঁচলাম 😁
Samir: জ্বি না, আমি ওতো ভালো friend না যে তোকে বাঁচাবো। কিছু information দরকার। তাই লতার num টা চাই আমার। আছে তোর কাছে?
Nesar: দোস্ত, শোন না…
Samir: হ্যা অথবা না শুনতে চেয়েছি 😠
Nesar: হ্যা..
Samir: দে তাহলে। আর তুই মিষ্টি কিনে তাড়াতাড়ি ready হয়ে ৩:০০ দিকে বের হয়ে যাবি।
Nesar: দোস্ত, মাকে নিয়ে যাই😟?
Samir: না। তাহলে মনে করবে তুই-ই বিয়ে করতে চাস।
Nesar: না, না.. Number নে তুই..০১৯১৫******….
Number নিয়ে লতার কাছে call করলাম। তারপর ওর কাছে জেনে নিলাম আমার দুষ্টু বউটার কি কি পছন্দ। আর সাথে এও বললাম, আমি যে call করেছিলাম এটা যেন আমার দুষ্টু বউটা না জানে।
৩:০০ টার দিকে নেছার বের হয়ে গিয়েছে। Tension হচ্ছে প্রচুর। না জানি আমার দুষ্টু বউটার আব্বু আম্মু আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি হতে রাজি হবে কিনা 😣
🌸💖💖💖🌸: দুপুর ৩:৩০ টা বাজে। হঠাৎ কলিং বেলের শব্দ হলো। এ অসময়ে আবার কে এলো 🤔। যে result করেছি, তাতে তো কারও মোবারকবাদ দিতে আসার কথা নয়। না জানি কে এসে আবার বলবে, ফাল্গুনী SSC তে তোমার result কি? আর আম্মুর আবার শোক শুরু হয়ে যাবে। তারপর আমাকে আবার কত্তো বকাঝকা করবে। চিন্তায় ছেদ পরলো আম্মুর ডাকে- ফাল্গুনী দেখো তো গেটে কে এসেছে। যাচ্ছি বলে গেটের দিকে গেলাম। গেট খুলতেই চোখ আমার চড়খ গাছ..😱একি এতো নেছার স্যার, হাতে মিষ্টি। আমার তো আসলে ফেল করার কথা ছিল, সেখানে A- পেয়েছি। তাই মনেহয় স্যার খুশি হয়ে মিষ্টি নিয়ে এসেছেন মোবারকবাদ দেয়ার জন্যে 😜। কিন্তু যার result বের হয় সেই তো মিষ্টি দেয় সবাইকে 😕। তাহলে স্যার কেন মিষ্টি আনলেন 🤔
আমি: জ্বি স্যার, আপনি 🙂?
নেছার: একটু দরকারে এসেছি। তোমার আব্বুর সাথে কথা বলবো, ডাক দাও। (বলতে বলতে ভিতরে ঢুকে গেল)
ঘরে যেয়ে আব্বুকে বাইরে পাঠিয়ে দিলাম। Tension এ heartbeat বেড়ে মরে যাওয়ার মতো অবস্থা আমার 🤕। আব্বু স্যারকে নিয়ে ঘরে বসালো, কথা বলছে ওরা। আর আমি দেয়ালের সাথে কান লাগিয়ে কথা শোনার চেষ্টায় দাড়িয়ে আছি। কিন্তু কিছু বুঝতে পারছি না। ইট, বালু, সিমেন্ট দিয়ে ঘর বানানোর কি দরকার! পাটকাঠির বেড়া দিলেই তো সব clear শুনতে পারতাম। Last এ শুধু এতটুকু বুঝলাম- তাহলে সবার সাথে কথা বলে আমাকে জানাবেন। এই নিন আমার card.. Ans হ্যা হলে ওরা দেখতে আসবে 🙂
কি দেখতে আসবে🤔? আমি result খারাপ করেছি জন্যে কি বাবা বাড়ি-ঘর বিক্রি করে দেবে নাকি। সেজন্যে বাড়ি-ঘর দেখতে লোক আসবে। ধ্যাত, মাথায় তো কিছু আসছেই না, আসার মধ্যে জ্বরটাই এসে যাচ্ছে 🤒। আর ভাবতে পারছি না, সে যা হয় হবে…

নেছার স্যার চলে গেছে ১০ মি: হলো। আব্বু আম্মুর সাথে কথা বলছে। ভয়ে আর tension এ আমার গলা শুকিয়ে যাচ্ছে 😖। কি হচ্ছে ঘরের ভেতর কিছুই বুঝতে পারছি না। আপুও নাই যে বলবো যে- দেখো তো কি বলে। উফ্ কিছু ভালো লাগছে না। হুম idea, দরজার কাছে গিয়ে শুনি তো কি বলে 😋
আম্মু: দেখো, ছেলে আমার পছন্দ। এই বলে দিলাম তোমাকে। ছেলে ইন্জিনিয়ার, ঢাকা শহরে নিজের ১০ তালা বাড়ি আছে। তোমার মেয়ের জন্যে এর চেয়ে ভালো ছেলে আর কোথায় পাবে 😠
আব্বু: কিন্তু বয়সের deference টা বেশী হয়ে গেল না?
আম্মু: ভূলে যেওনা তোমার সাথে আমার বয়সের deference ১৫ বছরের। ওদের এর থেকে ২ বছর কমই হবে।
আব্বু: বিয়ে হলে তো পড়াশোনায় gap পড়বে (ঢোক গিলে বললো)।
আম্মু: তোমার মেয়ের যে পড়াশোনা তাতে করে না পড়া complete করার পর ইন্জিনিয়ার ছেলে তো দূরে থাক কোন teacher ছেলেও বিয়ে করবে না। আমার এই ছেলে পছন্দ হয়েছে। এই ছেলের সাথেই বিয়ে দেবো ওর।
আব্বু: ঠিক আছে, ওর সাথে কথা বলে দেখো ওর ছেলে পছন্দ হয় কিনা।
আম্মু: এতো ভালো ছেলে পছন্দ হবে না কেন। ভালো মন্দ বোঝার ওর বয়স হয়েছে নাকি? তোমার মেয়ে যদি রাজি না হয় না, তাহলে থাপ্পড় দিয়ে ওর সব কয়টা দাত আমি ফেলে দেবো 😡। তুমি ওদেরকে সামনের সপ্তাহে আসতে বলো। ( বলে উঠে দাড়ালো। মনেহয় আমার রুমেই আসবে)
আম্মুর কথা শুনে দুই হাত দিয়ে গাল দুইটা চেপে ধরলাম, যেন থাপ্পড় দিতে না পারে। আম্মু আসছে। এক দৌড়ে রুমে চলে আসলাম। এসে পড়ার টেবিলের সামনে বসে পড়লাম। অমনি আম্মুও রুমে ঢুকলো।
আম্মু: এখন আর পড়ার টেবিলে বসে কি হবে? সারা বছরেও তো বসতে দেখলাম না। আর এখন তো পরীক্ষা শেষই।
আমি: ( False position এ পরে গিয়েছি) না, ভাবছি আমি বোর্ড challenge করবো। A- তো পাওয়ার কথা ছিলো না 🙁
আম্মু: তাহলে কি পাওয়ার কথা ছিলো শুনি…
আমি: A+…(আমতা আমতা করে)
আম্মু: থাক আর বোর্ড challenge করতে হবে না। তাহলে দেখা যাবে কেঁচো খুড়তে সাপ বের হয়ে গিয়েছে।
আমি: মানে!
আম্মু: মানে, দেখা যাবে তখন teacher রা বলবে- হ্যা আমাদেরই ভুল হয়েছে। A- না, তুমি আসলে D grade পেয়েছ।
আমি: আম্মু হয়েছে বলে কি আমাকে এতো insult করবে নাকি (মনে মনে) 🙁?
আম্মু: কি হলো, কথা বলো না কেন?
আমি: তাহলে আমি আবার পরীক্ষা দেব।
আম্মু: থাক আর পরীক্ষা দিতে হবে না। যা বলছি তা মন দিয়ে শোন। নেছার তোমার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলো। ছেলে ইন্জি….
আমি: নেছার স্যার কে আমি বিয়ে করতে পারবো না ( আম্মুর কথা শেষ হওয়ার আগেই বললাম)।
আম্মু: গাধা, নেছার কি ইন্জিনিয়ার নাকি? ছেলে ইন্জিনিয়ার, নেছারের বন্ধু।
আমি: ( কি সব উপাধি দেয়, ভালো লাগে না। গাধা একটা উপাধি হলো। হরিণ বললে তাও হতো) আম্মু আমি পড়তে চাই। আমি বিয়ে করবো না। SSC তে result খারাপ হয়েছে এর মানে এই নয় যে next time ও result খারাপ হবে।
আম্মু: ছেলে তোমাকে বিয়ের পরেও পড়াবে।
আমি: (ধ্যাত বিয়ের পরে কেউ পড়ে নাকি) আম্মু আমি সত্যি ভালো করে পড়বো। সত্যি বলছি।
আম্মু: হ্যা, বিয়ের পরে পড়ো। তোমার বরই তোমাকে পড়বে। সামনের সপ্তাহে ছেলে আর ছেলের বাবা তোমাকে দেখতে আসবে।
আমি: কিন্তু আম্মু…
আম্মু: চুপ, একদম চুপ 😡..(বলে উঠে চলে গেল)।
এই বললো ভালো মন্দ বোঝার বয়স নাকি আমার হয়নি। তাহলে বিয়ে দিতে চায় কিভাবে 😵। খুব কান্না পাচ্ছে 😭😭😭….

অবশেষে অপেক্ষার সেই কাঙ্খিত দিন চলেই আসলো। ঠিক আসেনি, এখনো ১ দিন বাঁকি আছে 🙂। কিন্তু আমার আর তর সইছে না। নেছার ফোন করে বলেছে আমার দুষ্ট বউটার বাবা-মা প্রস্তাব accept করেছে, সেই সেদিন থেকে অপেক্ষা করছি। অপেক্ষার প্রহরগুলি যেন মধ্যাকর্ষনে আটকে ছিল। তাই আর দেরী না করে বাবাকে নিয়ে আজই রওনা হয়ে গিয়েছি 😋। আজ আর রোমান্চকর journey করার জন্যে বাসে যাচ্ছি না। বাবা আছে তাই car এই যাচ্ছি। নেছারের ওখানে থাকবো, যেন ঠিক ৩:০০ টায় আমার বউটাকে দেখতে যেতে পারি। আমার দুষ্টু বউটার জন্যে কিছু gift কিনেছি, empress করতে হবে তো 🙂। লতার কাছে তো জেনেই নিয়েছিলাম। তাই gift select করতে বেগ পেতে হয়নি। 5 box chocolate, squatty system dairy, beauty box আর কয়েকটা cartoon এর CD কিনেছি। লতা বললো ওর নাকি Teddy bear অনেক পছন্দ। কিন্তু সেটা আর কিনিনি। বুদ্ধি থাকতে পাগল হয়ে নিজের ঘরে আর সতীন আনতে চাই না। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওকে আমি কোনদিন teddy bear কিনে দেবোনা। এটা ছাড়া যা চাইবে তাই কিনে দেব। সখ করে আর ঘরে সতীন আনছি না। যদিও ছেলেদের সতীন হয় না, তাও ভয় লাগে যদি আমাকে বাদ দিয়ে teddy bear নিয়ে ব্যাস্ত থাকে। তখন আমার কি হবে 😞
খুব tension এ আছি, কিভাবে যে আমার দুষ্টু বউটাকে ভালোবাসার কথা বলবো 🤔। আমি জানি আমার ভালোবাসা বোঝার মত যথেষ্ট বয়স ওর হয়েছে। কিন্তু তা accept করার মত বয়স বা মানসিকতা হয়তো ওর হয়নি। দেখা যাক কি হয়, আল্লাহই একমাত্র ভরসা। আল্লাহ ওকে যদি আপনি আমার করে দেন, আল্লাহ এক ওয়াক্ত নামাজও আর আমি কাযা করবো না। Plz আল্লাহ… মাত্রই ধ্যান করতে করতে সন্যাসি হয়ে যেতে নিয়েছিলাম। তা বাবা আবার তাতে ব্যাঘাত ঘটালো 😠। গুতা দিয়ে বললো-
বাবা: কিরে চোখ বন্ধ করে দুই হাত জোড় করে বিড়বিড় করে কি বলছিস?
আমি: যেন নিরাপদে পৌছতে পারি সেই প্রার্থনা করছি আল্লাহর কাছে 😜। ( জিহ্বায় কামড় দিয়ে.. আল্লাহ আর কোনদিন মিথ্যাও বলবোনা)
বাবা: হুম, ভালো তো।
তারপর বাবা নানা ধরনের প্রশ্ন করা শুরু করলো আমার দুষ্টু বউটার সম্পর্কে। আর আমিও বাধ্য ছেলের মতো ans দিতে লাগলাম। কিছুক্ষণের ভেতর নেছারের বাড়িতে এসে পৌছলাম।
🌸💖💖💖🌸আজ নাকি আমাকে দেখতে আসবে। ২:০০ বাজে, আম্মু রান্না-বান্না নিয়ে ব্যাস্ত। তারপরও এর মাঝে মাঝে এসে আমাকে ready হওয়ার জন্য তাড়া দিয়ে যাচ্ছে। এখনও এসেছে-
আম্মু: ফাল্গুনী.. তুমি এখনও ready হওনি? আর ১ ঘন্টা পর ওরা চলে আসবে। লতা, মা ওকে ready হওয়ার ব্যাপারে একটু help করো তো।
লতা: জ্বি আন্টি…
আমি: দেখো আম্মু, আমি শাড়ি পড়ে ওদের সামনে ধুমকেতু সেজে বসে থাকতে পারবো না 😡।
আম্মু: শাড়ি পড়লে কেউ ধুমকেতু হয় নাকি 😮?
আমি: হয়ই তো….
আম্মু: শাড়ি না পড়লে লেহেঙ্গা পড়ো। লালটা পড়ো…
আমি: আমি শাড়িও পড়বো না লেহেঙ্গাও পড়বো না । যেভাবে আছি সেভাবেই যাব।
আম্মু: ঠিক আছে, তাহলে একটা ভালো থ্রী পিছ পড়ো। (বলে চলে গেল)..…
🌸💖💖💖🌸: ২:০০ বেজে গিয়েছে। এখনো decision নিতে পারছিনা যে কি পড়বো। শার্ট না পান্জাবী 🤔!
আমি: এই দোস্ত শোন না, দেখ তো শার্ট পড়বো নাকি পান্জাবী পড়বো?
নেছার: পান্জাবী পড় (বলেই চলে যাচ্ছিলো)।
আমি: এই দাড়া, কোথায় যাচ্ছিস। কোনটা পড়বো একটু বলে তো যাবি।
নেছার: 😨 এই এইগুলি কি? এত্তো dress কেন?
আমি: দোস্ত, I’m really confused.. আসলে বুঝতে পারছিলাম না কোন dress টা পড়ে মেয়ে দেখতে যাব। তাই সব নিয়ে এসেছি 😬।
নেছার: কালোর উপর golden কাজ করা ওই পান্জাবী টা পড়।
আমি: ওই টা পড়লে তো বরের মতো দেখা যাবে। আর আমি তো বিয়ে করতে যাচ্ছি না।
নেছার: হ্যা সেটাই তো, বিয়ে করতে তো আর যাচ্ছিস না । তাহলে এতো ঢং করছিস কেন? একটা পড়লেই তো হয়। ছাড় আমাকে, কাজ আছে আমার। সব কিছু তো একাই manage করতে হচ্ছে। কোথায় একটু help করবি তা না dress নিয়ে পড়ে আছিস 😡।
আমি: কি এতো কাজ তোর? মিষ্টি কিনবি আর গাড়িতে তুলবি..
নেছার: হ্যা বললেই তো হলো। তুই যে মিষ্টির order দিয়েছিস সেটা তো এখানে পাওয়া যায়ই না, শহরে গেলাম সেখানেও পাওয়া গেলো না। তোর কথা- যেটা বলেছিস সেটাই আনতে হবে। অন্যটা হলে চলবে না। সেই সকাল থেকে যেয়ে বসে আছি। Order দিয়ে মিষ্টি বানিয়ে নিয়ে মাত্র আসলাম 😠।
আমি: পেয়েছিস তাহলে? Thanks দোস্ত 😝…
নেছার: ছাড় আমাকে, সেই কখন থেকে শার্টটা টেনে ধরে আছিস। কোন দুঃখে যে তোকে আমি কোচিং এ ক্লাস নিতে বলেছিলাম 😡। (বলতে বলতে চলে গেল)
এতো রাগের কি আছে বুঝলাম না 😯। এমন রাগ দেখাচ্ছে যেন মনে হচ্ছে , নিজে হাতে মিষ্টি বানিয়ে নিয়ে আসলো। ধ্যাত, mood টাই খারাপ হয়ে গেল। পান্জাবী পড়বোই না, শার্টই পড়বো। এমন সময় বাবা আসলো।
বাবা: কিরে এখনো ready হোসনি। ২:৪৫ বাজে, ৩:০০ দিকে নাকি বের হবি?
আমি: বাবা পান্জাবী পড়ি?
বাবা: হ্যা পড়…
আমি: নাকি শার্ট পড়বো?
বাবা: হ্যা…
(বাবা তো দেখছি আমাকে আরও বেশী confused করে দিচ্ছে)
আমি: যাও তো বাবা তুমি 😠। বাইরে গিয়ে wait করো, আমি ১০ মিনিটের মধ্যে ready হয়ে আসছি।
মিষ্টি আর কালো কালার মিক্স একটা শার্ট পড়লাম। এখন problem হচ্ছে- in করবো নাকি করবো না 🤔। in করে শার্ট পড়াটা আমার একদম পছন্দ না। অফিসেও আমি in করে শার্ট পড়ে যাই না। কিন্তু হবু শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি আবার কি মনে করবে, তাই শার্ট in করেই বের হলাম।
নেছার: উফ্, অবশেষে ready হলি তাহলে। এবার চল 🙂…..
আমি: হুম, চল…
বের হলাম, উদ্দেশ্য আমার হবু শ্বশুড় বাড়ি….
🌸Farzana🌸

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here