রোমান্টিক_অত্যাচারঃ_২ পর্ব-৬

0
263

রোমান্টিক_অত্যাচারঃ_২
পর্ব-৬
লেখিকাঃ #Israt_Jahan
ধারনাঃ #Kashnir_Mahi
আশফিঃ কি উঠবেন না?
মাহিঃ (নিশ্চুপ)।মুখ বাঁকিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে রইলো।
আশফিঃ আচ্ছা চলো আজকে না হয় আমরা এখানেই ঘুমিয়ে পড়ি। কি বলো?
মাহিঃ কোনো প্রয়োজন নেই।আপনি রুমে গিয়ে শুয়ে পড়ুন।
আশফিঃএতো কথা বলে কাজ নেই।ওকে কোলে তুলে সোজা বেডরুমে চলে এলাম।
মাহিঃ কোলে করে তুলে এনে আমাকে বেডে শুইয়ে দিলো।আমি গালটা ফুলিয়ে বসে আছি।
আশফিঃলাইটটা অফ করাই ছিলো।দরজা টা লক করে আমি এসে ওর পাশে শুয়ে পড়লাম।
-কি হলো?ঘুমাবেন না? তখন তো আমাকে রুমে নিয়ে আসার জন্য কতকিছুই না করলেন।
এখন তো এলাম।তো এভাবে বসে আছেন কেনো?শুয়ে পড়ুন।
মাহিঃ আমি ওর দিকে একটু রাগ চোখে তাকিয়ে কাঁথাটা গায়ে নিয়ে ওর দিকে উল্টো পাশ করে শুয়ে পড়লাম মাঝে কিছুটা দুরত্ব রেখে।
আশফিঃ মাহি?😡😡
মাহিঃ ওর ডাক শুনে ওর দিকে তাকালাম।কেমন রেগে গেছে মনে হলো?
-কি হয়েছে?
আশফিঃসেই শুরু থেকে তোমাকে বলে আসছি তোমার সাথে আমার যতই রাগারাগি হোক ঝগড়াঝাঁটি হোক মাঝখানে ফাঁকা রেখে তুমি শুইবেনা। সেটা কি ভুলে গেছো?
মাহিঃ রাগ করলে কি মানুষ গায়ের সাথে গা লাগিয়ে মিশে ঘুমায়?তাহলে কি আর সেটা রাগ দেখানো হলো?এই লোকটার জন্য রাগের মত করে রাগটা করতে পারিনা।সেই মিশে গিয়েই শুইতে হবে ওনার সাথে।আমি ওর কিছুটা কাছে এসে শুইলাম। তবুও কেমন জল্লাদের মত করে তাকিয়ে আছে।
আশফিঃ ওর হাতটা ধরে টেনে এনে একদম আমার বুকের মাঝে নিয়ে এলাম।
-আজকেই লাস্ট ওয়ার্নিং দিচ্ছি এই ভুলটা যেনো না হয়।রাগ হলেও এভাবেই আমার সাথে মিশে শুয়ে থাকবে।
মাহিঃ কেনো?কি হয় মাঝখানে ফাঁকা রেখে শুইলে?😠😠
আশফিঃ কি হবে আবার? শয়তান বাসা বাঁধে মাঝখানে।তাতে দুরত্বটা আরো বেশি সৃষ্টি হয়।
মাহিঃ ওরা কথাটা শুনে আর না হেসে পারলাম না। ফিক করে হেসে দিলাম। হাসার সময় ওর দিকে চোখ পড়লো। আমার হাসি দেখে এখন ওর রাগ হয়ে গেছে।
আশফিঃ এটা কি কোনো হাসির কথা যে হাসছো এভাবে?
মাহিঃ মানে? তুমি কি এটা সিরিয়াসলি বলেছো?
-আমার প্রশ্নটা শুনে ছেলেটা রেগে গিয়ে আমার দিকে উল্টোপাশ করে শুয়ে থাকলো।তবে মাঝে ফাঁকা রেখে নয়।একদম মিশেই আছে আমার সাথে। কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো মুরব্বিরা বলে থাকে সেগুলো এখনকার মানুষ অনেকেই বিশ্বাস করেনা। আশফি ও করেনা তবে যদি সেটা বৌ সংক্রান্ত বা আমাদের সম্পর্ক সংক্রান্ত কোনো বিষয় হয় তবে সেটা ও Definitely মানবেই।
আশফিঃ অনেক্ষণ হয়ে গেছে মেয়েটা তখন থেকে খালি নড়চড় করছে আবার এপাশ ওপাশ ও করছে। আর ওর জন্য আমার ঘুম ভেঙ্গে যাচ্ছে বারবার।
-এই কি সমস্যা?এতো নড়াচড়া করলে পাশে অন্য কেউ ঘুমোতে পারে?
মাহিঃ স্যরি।
-ওর পাশ থেকে উঠে ওয়াশরুমে গেলাম। একে তো ঘুম আসছেনা তার উপর কেমন অস্থির অস্থির লাগছে শুয়ে শান্তি পাচ্ছিনা।অনেকটা বমি বমি ও পাচ্ছে তাই চোখে মুখে পানি দিলাম। ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে সোফায় গিয়ে হেলান দিয়ে চোখটা বন্ধ করে বসলাম।
আশফিঃ প্রেগন্যান্ট হওয়ার পর থেকে মেয়েটা একটা রাত ও ঠিকমত ঘুমোতে পারছেনা।এরকম অবস্থা হবে আগে জানলে এতো তাড়াতাড়ি কিছু করতাম না।কিন্তু ড. ও তো বললো প্রথম প্রেগন্যান্সিতে এমনটা অনেকেরই হয় আস্তে আস্তে সেটা ঠিক হয়ে যায়। তিনটা মাস পার হয়ে গেলো ওর তো। এখনো কোনো ইমপ্রুভমেন্ট ই দেখছিনা। ওর এরকম অবস্থা দেখতে আমার নিজের কাছেই খারাপ লাগে। যদি পারতাম সত্যি সত্যিই ওর কষ্টটা আমি নিয়ে নিতাম।বিছানা থেকে উঠে ওর কাছে সোফায় গিয়ে বসলাম।তারপর চোখটা খুলে আমার দিকে তাকালো।
-আমি এখানে বসে আছি তুমি আমার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ো।আমি তোমার কপাল টিপে দিচ্ছি।
মাহিঃ আশফি ওর কোলে বালিশ রাখলো।আমি বালিশের উপর মাথা রেখে শুয়ে পড়লাম।আর ও আমার কপালটা আস্তে আস্তে অনেক সুন্দর করে টিপে দিচ্ছে আমি ওর দিকে চেয়ে আছি।
আশফিঃ ভালো লাগছে?
মাথাটা ঝাঁকিয়ে হ্যাসূচক উত্তর দিলো মাহি।
মাহিঃ বেশকিছুক্ষণ হয়ে গেছে আশফি আমার কপালটা টিপেই চলেছে কিন্তু কিছুতেই ঘুমটা আসছেনা।
আশফিঃমাহি ঘুম কি আসছেনা?খারাপ লাগছে খুব?
মাহিঃ একটুও খারাপ লাগছেনা কিন্তু তাও ঘুমোতে পারছিনা।ঘুমটা যেনো আজকে আমার থেকে ছুটি নিয়েছে।তুমি চলো বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ি। আমার যখন ঘুম আসবে তখন আমি ঘুমিয়ে পড়বো।উঠে বসে ওকে বললাম।
আশফিঃতুমি আমার ঘুমের কথা চিন্তা করছো? মাহির দুটি চোখে যখন ঘুম নেমে আসে ঠিক তখনই আশফি ঘুমোতে পারে। তাহলে তোমার ঘুমকে ডেকে আনার জন্য কি করা যায়?
মাহিঃ কিচ্ছু করতে হবেনা। আমি তোমাকে দেখি তারপর যখন ঘুম আসবে তখন তোমার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়বো।
আশফিঃআচ্ছা?কিন্তু আমার তো মনে হচ্ছেনা এভাবে তোমার ঘুমটা আসবে।
মাহিঃ শিওর?
আশফিঃট্রাই করে দেখতে পারো।
মাহিঃ ওকে। আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছি।কিন্তু কেমন যেনো আনইজি আনইজি লাগছে।এভাবে দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে বসে থাকা যায়?
-এই তুমি তাকিয়ে আছো কেনো?তাকাবো তো আমি শুধু একা।
আশফিঃতো আমি কি করবো?আমাকে ও তো কিছু একটা করতে হবে।
মাহিঃ হুম বুঝেছি এভাবে হবেনা।
আশফিঃআচ্ছা আমরা একটা গেইম খেলি।গেইম টা হলো আমি যতক্ষণ পারবো তোমাকে চুমু দিবো আর তুমি যতক্ষণ পারবে আমাকে চুমু দিবে।তারপর দুজনে tired হয়ে পড়লে ঘুমিয়ে পড়বো।
মাহিঃ খালি দুষ্টুমি করার বাহানা তাইনা? ফাজিল একটা।
আশফিঃউমমমমম আচ্ছা তাহলে তোমাকে একটা গল্প শোনায়।গল্পটা শুনতে শুনতে তুমি ঘুমিয়ে পড়বে
মাহিঃবাচ্চাদের মত করে ঘুম পাড়াতে চাইছো?ঘুম আসবে আমার?
আশফিঃগল্পটা কিন্তু বাচ্চাদের ছিলোনা।
মাহিঃ তাই?তাহলে কেমন গল্প সেটা?
আশফিঃনা শুনলে বুঝবে কি করে?
মাহিঃ ঠিক আছে তাহলে শুরু করো।
আশফিঃশুরু তো করতেই পারি কিন্তু তার আগে আমার একটা শর্ত আছে।
মাহিঃ শর্ত মেনে গল্প শুনতে হবে আমাকে?
আশফিঃঠিক আছে না চাইলে শুনতে হবেনা।
মাহিঃ না না ঠিক আছে।
বলো কি শর্ত?
আশফিঃগল্পের মাঝে মাঝে আমি যখন থেমে যাবো তখন আমাকে তোমার এক একটা করে পাপ্পি দিতে হবে আর তারপর তারপর বলতে হবে।এখন শুরু করার আগে একটা দাও?
মাহিঃ দুষ্টু একটা।ওর কাছে গিয়ে ওর গালে লম্বা একটা পাপ্পি দিলাম।
-নিন এখন শুরু করুন।
আশফিঃ আমার কাছে এসো।আমার কাঁধে মাথা দাও।
মাহিঃ ওর কাঁধে গিয়ে মাথা রাখলাম।ও আমার ঘাড়ের উপর হাত রেখে ডানবাহু জড়িয়ে ধরে গল্প বলা শুরু করলো।
আশফিঃহুম এখন বলি। গল্পটা হচ্ছে একজন অত্যাচারী এবং চরিত্রহীন রাজার ভালোবাসার গল্প।
মাহিঃ অত্যাচারী রাজা? সে আবার কাউকে ভালোবাসে?
আশফিঃহুম।কতটা অত্যাচারী ছিলো সে আর কতোটা ভালোবেসেছিলো একজন রাজকন্যাকে তা তুমি শুনলে অবাক হয়ে যাবে।
মাহিঃ আমি খুব এক্সাইটেড এমন একজন রাজার ভালোবাসার গল্প শোনার জন্য।
আশফিঃআমিও যে খুব এক্সাইটেড তোমাকে ভালোবাসার জন্য। ওর ঠোঁটে কিস করতে গিয়ে বললাম।
মাহিঃ আহহা।আগে শুরু করোনা তারপর যতখুশি ভালোবেসো।পাগলটা আমার ঠোঁটে চুমু দিতে আসছিলো।হাত দিয়ে বাঁধা দিলাম আর কথাগুলো বললাম।
আশফিঃ ওকে ডার্লিং। তাহলে শুনো। রাজা ফালাক তাজ। যিনি ছিলেন মোহননগর রাজ্যের সম্রাট।অবিবাহিত ছিলেন তিনি আর তার বয়সটা আমার থেকে কম ছাড়া বেশি হবেনা।খুব অল্প বয়সে তিনি রাজ সিংহাসনে বসেন।দেখতে সুদর্শন হলেও তার মনটা ছিলো খুবি কুৎসিত।তার রাজ্যের প্রজাদের নিকট তিনি কেবল একজন অত্যাচারী, চরিত্রহীন,নিষ্ঠুর আর নরপিশাচ রাজা বলেই পরিচিত ছিলেন।সবসময় সবাই তার মৃত্যু কামনা করতো। সে রাজ্যে কোনো নারীর নিরাপত্তা বলে কোনোকিছু ছিলোনা। আর সেখানে যদি কোনো সুন্দরী মেয়ে তার চোখে পড়ে তাহলে তাকে তুলে নিয়ে এসে রাজা ফালাক তার শয্যায় ভোগের সামগ্রীর মত করে তাকে গ্রহণ করতো।আর নারীদেরকে তার ভোগের সামগ্রী বলে সম্বোধন করতো।
মাহিঃ ছিঃ। এরকম ধরনের রাজা ছিলো সে?
আশফিঃএর থেকেও আরো বেশি নোংরা ছিলেন তিনি। যে নারীকে তিনি একবার গ্রহণ করতেন তাকে দ্বিতীয়বার তিনি স্পর্শ করতেন না। হয় তাকে নিজের রাজমহলের দাসী করে রাখতেন আর না হলে তার সেনাপতি অথবা রাজমহলের অন্যকোনো পুরুষ তাকে kept woman করে রাখতো। একদিন সম্রাট ফালাক এবং সেনাপতি ইকরাম শেখ তাদের মাঝে কথোপকথন চলছে।
মাহিঃ তারপর?
আশফিঃতারপর……
[#বিষয়_বস্তুঃ সম্রাট ফালাক।]
ফালাকঃসেনাপতি ইকরাম?
ইকরামঃবলুন সম্রাট।
ফালাকঃ আমার রাজ্যটাকে অনেক ছোটো মনে হচ্ছে কেনো আমার কাছে? (রাজমহলের ছাদে দাড়িয়ে দূর দৃশ্য দেখার যন্ত্র দিয়ে দেখছিলেন আর কথাগুলো বলছিলেন)
ইকরামঃকি বলছেন সম্রাট! এই ১ বছরের মাঝে আপনি কতগুলো রাজ্য দখল করেছেন তা কি হিসেব করেছেন?আপনার রাজ্যের পার্শ্ববর্তী যত রাজ্য ছিলো তা সব আপনি কৌশলে এবং যুদ্ধের মাধ্যমে তা দখলে এনেছেন।
ফালাকঃ তুমি কি নিশ্চিত? আমার পার্শ্ববর্তী আর এমন কোনো রাজ্য কি আছে যা আমি নিজের দখলে আনতে পারিনি?যেখানে আমি আমার রাজত্য বহাল করতে পারিনি?
ইকরামঃ সম্রাট এটা আমি আপনাকে নিশ্চিতভাবে বলতে পারছিনা।মাফ করবেন।তবে আমাকে দিনের কিছু ভাগ সময় দিন আমি আপনাকে সঠিক খবর এনে দিচ্ছি।
এর মাঝে মন্ত্রী উপস্থিত হলেন।
মন্ত্রীঃ সালাম সম্রাট।
ফালাকঃ আরে মন্ত্রী সাহেব যে। এতো শিঘ্রই চলে আসলেন?
মন্ত্রীঃ আপনি যে কাজে আমাকে পাঠিয়েছিলেন তা সম্পূর্ন করে তবেই আপনাকে খবর দিতে এসেছি। আমাদের রাজ্যের দক্ষিণ পার্শ্বে ঈষাণ দিকে একটি রাজ্য আছে রাজ্যটির নাম শেরপুর।সেটা এখনো আমাদের দখলকৃত হয়নি। আমি সেই রাজ্যের মানচিত্র সংগ্রহ করে নিয়েসেছি।
ফালাকঃ সাবাস মন্ত্রী আয়্যুব।আপনি সবসময় আমার আশা থেকে বেশিকিছু দিয়েছেন আমাকে। কি সেনাপতি সাহেব?? হাহাহা। লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। আমি সর্বদা অগ্রিম চিন্তার মাঝে থাকি এবং আমার পরিকল্পনাটা ও অগ্রীম। তুমি আমাকে কবে খবর এনে দিবে সেইদিন পর্যন্ত আমি অপেক্ষার প্রহর গুণতে থাকবো? সে যাই হোক। মন্ত্রী আমি আপনার সাথে এই বিষয় নিয়ে কিছুসময় বাদে আলোচনা করছি।আপনি এখন আসতে পারেন।
ইকরামঃ ক্ষমা করুন সম্রাট।আমার ভুল হয়ে গেছে।
ফালাকঃসেনাপতি ইকরাম এতো লজ্জিত হওয়ার কি আছে?সব কাজ কি সবার জন্য? তোমার কাজ তো অন্যকিছু।
ইকরামঃআদেশ করুন সম্রাট।আমি এক্ষণি তা পরিপূর্ণ করবো।
ফালাকঃহাহাহাহা। তুমি তো কিছুদিন আমাকে অনাহারে রেখেছো।
কথাটা শুনে সেনাপতি কিছুটা অবাক হলেন।
ইকরামঃ আমার বোধগম্য হয়নি সম্রাট। আপনি কি বোঝাতে চেয়েছেন?
ফালাকঃনাহ্ তোমার তো দেখছি মস্তিষ্কে মরিচা ধরে যাচ্ছে। মন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করে কথাটা বললেন।
-তুমি কি সত্যি বুঝতে পারছোনা আমি কোন কারণে অনাহারে আছি?
ইকরামঃবুঝতে পেরেছি সম্রাট।মাফ করবেন বেশি সময় অতিবাহিত করে ফেলেছি বোঝার জন্য। কিন্তু সম্রাট আপনার রাজ্যের এমন কোনো সুন্দরি নেই যাকে আপনি গ্রহণ করেননি।এমনকি আপনার দখলকৃত রাজ্যের রাজাদের রাজকন্যা ও আপনার থেকে রেহাই পায়নি।
সেনাপতির শেষের কথাটি শুনে রাজা ফালাক রাগান্বিত হয়ে সেনাপতির দিকে তাকালেন।সেনাপতি কাচুমাচু মুখ করে ক্ষমা ভিক্ষা চাইলেন।কথাটি তার মুখ ফোঁসকে বেরিয়ে গেছে।
ইকরামঃ সম্রাট! মন্ত্রীর আনা তথ্যে যে রাজ্যের কথা উল্লেখ হয়েছে শুধুমাত্র সেই রাজ্যের কন্যাই বাকি আছে আপনার…….
কথা থামিয়ে দিলেন রাজা।
ফালাকঃহুম বুঝেছি। রাজসভায় সবাইকে উপস্থিত হতে বলো।রাজ্য শেরপুর সম্পর্কে আমার আরো সুস্পষ্ট তথ্য চাই। আজকে ঐ রাজ্য দখলের বিষয়ে আলোচনা সভা বসবে।
চলবে।
(এভাবেই রাজা ফালাকের গল্পটি কিছুদিন চলবে আর এর মাঝেমাঝে আশফি আর মাহির সাংসারিক গল্পও চলবে।একদম অন্যভাবে গল্পটি সাজাতে চাইছি।যেখানে রাজা ফালাক এবং রাজকন্যা মেহের আর এদিকে আশফি এবং মাহির উভয়ের কাহিনীই চলতে থাকবে। রাজা ফালাক আর রাজকন্যা মেহের এর কাহিনীটা খুব বেশিদিন যাবেনা।কেমন লাগছে জানাবেন।এটাই ছিল গল্পের ধারা পরিবর্তন।আলিশা কে তৃতীয়পক্ষ হিসেবে আনা আমার গল্পের কাহিনী নয়। আমি সবসময় ভিন্নকিছু লেখার চেষ্টা করি)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here