আমার পাগলি প্রেমিকা ২য় পার্ট 

0
164

আমার পাগলি প্রেমিকা ২য় পার্ট

…..#জেএইসজনি…
.
.
.
আমি ঃ তোমার চেহারা এত শুকালো কি ভাবে, ,খাওনা কত দিন,,
নিলা ঃ আপনি যেদিন আমার কথা না শুনে এরিয়ে গেলেন সেদিন থেকে যানেন সেদিন আমি কত কষ্ট পেয়ে ছি,, আবার যদি এমন কষ্ট দেন
তা হলে দেখবেন আমি কি যিনিস,,
আমি ঃ আচ্ছা আর কষ্ট দেবনা আমার লক্ষিটি, হোয়েছে,, এবার যাও
ওয়াস রুম থেকে ফেরেস হোয়ে আসো,,
নিলা ফ্রেস হোত চোলে গেল,,
এই ফাকে আমি কিছু খাবার আন্তে
পাঠালাম,
ও ফ্রেস হোয় বের হলো, ,আমি তাওয়েল টা এগিয়ে দিলাম,,
আমি ঃ এবার এখানে বসো, ,
কিছুক্ষণ পর খাবার চোলে আসলো,,
ওর সামনে সবগুলো সাজিয়ে দিলাম,,
নাও এগুলো খাও,,
নিলা ঃআমি এগুলো সব খেতে পারবো না,,
আমিঃ হা করো আগে ঠান্ডা জুসটা খাও,,হ্যা এবার এই চিকেন টা খাও
নিলা ঃ আমি আর পারবো না,,
আমিঃ আর একটু এই সুপটা খেয়ে নাও,, হ্যা এইতো হোয়েছে, ,,
নিলা ঃ আপনি খাননা কেন, হা করুন আমি খাইয়ে দিচ্ছি,,
নিলা আমাকে এক এক করে সব খাইয়ে দিল,,
,
মেয়েটা আসলেই জাদু যানে,, আমি হা করে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছি,,
নিলা ঃ কি দেখেন ওমন করে
আমি ঃ তোমাকে, তুমি এত সুন্দর কেন,
নিলা ঃযান আমার লজ্জা করেনা,, এই কথা বলে নিলা আমার বুকের ভিতর মুখটা লুকিয়ে ফেললো,,
হাহাহ,লজ্জাবতী একটা,
,,
আমি ঃ আচ্ছা নিলা তুমি ওখানে কি করতে গিয়েছো,,
নিলাঃ আম্মুর ঔষদ আনতে যাচ্ছিলাম দোকানে, পথে ওই বখাটেরা দরলো,,
আমিঃতোমার বাবাকে বললেই তো পারতে,,
নিলা আমর বুক থেকে মাথা তুলে, মাথাটা নিচু করে বললো,, বাবা নেই,,
আমিঃ ও সরি,,
নিলাঃ এই জন্যই তো আমি আপনার ভালোবাসায় সারা দেই নি,, আমিও আপনাকে প্রথম দেখায় পছন্দ করে ফেলেছি,, ভালো লেগে গিয়েছিল,, কিন্তু আমার মতো এতিম মেয়েকে কে ভালো বাসবে,, আমার মতো এতিম মেয়ে ভালোবাসা ঠিক না, এই ভেবে আপনার কাছ থেকে দুরে থাকতে চেয়েছি,, পারলাম কই, তবে এটা সত্য আমার মতো এতিম মেয়েকে ভালোবেসে কিছুই পাবেন না,তার চেয়ে বরং ভুলে যান আপনি,,
,,
নিলা এই কথা গুলো নিচে তাকিয়ে কাদতে কাদতে বললো।
আমি নিলাকে খুব শক্ত করে বুকের মাঝে জড়িয়ে দরে বললাম,
আর একবার যদি এতিম বলছোনা, তাহলে থাপ্পর দিয়ে দাত ফেলে দিব,,,,
আচ্ছা আমি তোমাকে ভুলে গেলে তুমি পারবে সুখে থাকতে,, পারবে আমাকে ভুলে যেতে,,,
,,
নিলা আমার শার্ট দুহাত দিয়ে আরো জোরে খামছে দরে কান্না করতে করতে বুকের ভিতর মাথা নারিয়ে ইশারায় না বললো,,,
তার পর নিলা বুকের ভিতর থেকে বললো,,
নিলা ঃ একদম মরে যাবো,,, এ কদিনই বেচে থেকে মরে গিয়েছি,, আর পারবো না,,
,,
এবার আমি নিলাকে বুক থেকে তুলে সামনে বসালাম,,
আমি ঃ বাসায় কেকে আছে,,
নিলা ঃ মা আর বড় ভাই,,
আমি ঃ ভাই কি করে,,
নিলাঃ অনার্স শেষ করে, ঘুরাফিরা করে, আড্ডা দিয়ে বেরায়, ,।
আমিঃ তা চাকরি করে না কেন,,,
নিলাঃ চাকরি কি আর হাতে জিনিস চাইলো আর পেয়ে গেলো,,
অনেক চেষ্টা করেছে লাভ হয়নি,,,
আমি ঃ ও,তা তোমাদের পরিবার চলে কিভাবে,,
নিলাঃবাবার ফ্যানশনের টাকায়,,,
আমিঃআচ্ছা মন খারাফ করো না,, এখন থেকে আমি আছিতো,,
আচ্ছা চলোতো তোমার আম্মুকে দেখতে যাবো,
নিলাঃআগে আম্মুর ঔষদ নিয়ে নেই,, তার পর,,
আমি ঃ আমি ডক্তর খবর দিচ্ছি,, বাসায় এসে তোমার আম্মুকে দেখে যাবে আর ঔষদ ও দিয়ে যাবে,,চলো,,
নিলাঃ চলেন,,
,,
আমি ডক্তরকে ফোন করে নিলার বাসার ঠিকানা অনুযায়ি আসতে বোলেছি,,
আমিও চলছি নিলার সাথে নিলাদের বাসার উদ্দ্যেশে,,
কিছুক্ষন গাড়ি চলার পর নিলার কথা অনুযায়ি গাড়ি থামালাম,,
,
আমিঃকি হলো,
নিলাঃএটাই আমাদের বাসা
বিতরে চলুন,,,
আমি নিলার পিছন পিছন গেলাম,,
,
ভিতরে যেতেই দেখি একজন বিদ্ধ মহিলা আদ শোয়া হোয়ে আছে,,,
দেখেই মনে হচ্ছে কিছুটা অসুখে ভুগছে,,
আমাকে দেখে উঠে বসার চেষ্টা করলো,,
তখন আমি কাছে গিয়ে বললাম,,
আমিঃ আহা কি করছেন কি,, সুয়ে থাকুন,, উঠা লাগবে না,,
আমার কথায় ওনি শুয়ে থাকলেন,,
নিলার দিকে তাকিয়ে জিগাসা করলেন,, নিলা ওনি কে,,
নিলাঃ ইয়ে মা ওনি মস্ত বড় পুলিশ অফিসার,,
নিলার মা ঃ তা ওনি তোর সাথে কেন,,আর তুই ওনাকে চিনলি কি করে,,,
নিলাঃ আসলে মা ইয়ে মানে উনি আমি,
,
নিলার বেগতিক দেখে
নিলার মা আমাকে বললো,,
কে বাবা আপনি, ওর সাথে আপনার কি,,
আমি ঃ আপনি আপনি করে লজ্জা দিবেন না,,, আমি আপনার ছেলের মতো, so তুই করে অথবা তুমি করে বলবেন, আপনি যেহেতু আমার মায়ের মতোই তাহলে আপনাকে মা বলেই ডাকি,, আসলে হোয়েছে কি আমি আর নিলা মানে একেঅপরকে ভালোবাসি,,
নিলার মাঃ কি বলো বাবা এসব, আমাদের নুন আনতে পান্থা ফুরায়,,আর তুমি আসছো আমার মেয়েকে ভালোবাসতে,,
আমিঃ কি বাঝে বকছেন যে আপনি,,
আচ্ছা এসব কথা পরে বলা যাবে,,,
নিলার মা ঃ তুই দারিয়ে আছিস কেন, যা মেহমান আসছে, একটু শরবত করে দে,,
নিলাঃ যাচ্ছি,,,
আমিঃ তা আপনার শরিল এখন কেমন,,
মাঃ আজকাল তেমন একটা ভালো যাচ্ছে না,, মেয়েটাকে নিয়ে খুব চিন্তা হয়,, আমার কিছু হোয়ে গেলে মেয়েটাকে কে দেখবে,মেয়েটা এমনেই দুখিনি,,
আমিঃ চিন্তা করবেন না,,আপনি এমনেই অসুস্থ এসব চিন্তা করে আরো অসুস্থ হোয়ে যাবেন,,,
,,
কিছুক্ষন পর ডাক্তার আসলো,,ওনাকে দেখে কিছু ঔষদ দিয়ে গেলো,,
,
আমিঃ আচ্ছা আমি চলি,,
নিলার মাঃ কি বলো, রাতে খেয়ে যেও,,
আমিঃ না ডিউটি রেখে এসেছি, যেতে হবে,
নিলার মাঃ নিলা নিলা, ওকে একটু এগিয়ে দিয়ে আয়,,
নিলা উঠন পর্যন্ত আসতেই আমি বললাম,
থাক আর আসতে হবে না,
আচ্ছা শোনো তোমার ভাই আসলে বলবে তার সার্টিফিকেট গুলো নিয়ে আমার সাথে যেন দেখা করে, কালই।
নিলাঃ ঠিক আছে,,
,
আমি ঃ আর তোমার বান্ধুবিদের বলবে না আমি যে পুলিশ,, আচ্ছা আমি এখন যাই,,
আমি সামনে ঘুরে যাওয়া দরলেই নিলা আমার হাত দরে ফেলে,,
আমি পিছন ঘুরে দেখি নিলা আমার দিকে তাকিয়ে আছে, কিছু বলবে হয়তো,,

আমিঃ কি হলো,
নিলাঃ আর একটু থেকে যাননা,,
আমি নিলাকে কাছে টেনে বললাম,,

অল্পদিনে এত ভালোবাসতে নেই,, পাগলি একটা,
নিলা কিছু বলছে না, ,একফোটা পানি পরলো আমার হাতে,, পাগলি টা কাদছে,, মাথাটা উপুরে তুললাম,,
আমিঃ কি হোয়েছে কাদছো কেন, চোখের পানি টুকু মুছে দিলাম,,
কপালে একটু চুমু দিলাম, আর বললাম এটা আজ কের জন্য, আরেকটা চুমু দিলাম, তার পর বললাম এটা কালকের জন্য,,থাকতে পারবে না তুমি, পরসু দিন তোমার কলেজে আসবো তোমাকে দেখতে,, কাল আসতে পারবো না,, হোয়েছে এবার,, আমার নাম্বার তো তোমার কাছে আছেই, কোনো সমস্যা হলে যানাবে,,এবার আসি,, পাগলি একটা,,

,,
এই বলে সেখান থেকে চোলে আসলাম,,
,
পর দিন সকাল সকাল একটা ছেলে আসলো আমার অফিসে,,
কেবিনের সামনে আসতেই কনেষ্টেবল বাধা দিল,,
কি চাই,,
ছেলেঃ স্যার আসতে বোলেছে,,

ওরা ছেলেটাকে ছেরে দিল,,
আমি আগেই ওদের বোলে রেখেছি যে একটা ছেলে আসবে,,,
ছেলেটি আমার কেবিনের সামনে এসে
বললো, ভিতরে আসতে পারি স্যার,
আমিঃ আসো,
এখানে বসো,,
আমি ঃ কি চাই,,?
ছেলে ঃ স্যার নিলা পাঠালো, আপনি
নাকি দেখা করতে বোলেছেন,,
আমিঃ ও তুমি নিলার ভাই, তা কি নাম তোমার,,
ছেলে ঃ স্যার রাহাত,,
আমিঃভালো,,আচ্ছা যে জন্য তোমাকে দেখা করতে বোলেছি,, তোমার ফেমিলি সম্পর্কে আমি সবই জানি,, তোমার ছোট একটা বোন আছে, তুমি ঘরের বড় ছেলে সে হিসেবে তোমার উচিত ঘরের হাল দরা,, তুমি কি করছো,, চার দিকে আড্ডা দিয়ে বেরাচ্ছো,,
রাহাত ঃ কি করবো স্যার চাকরি বাকরি পাইনা,, টাকা ছারা কেউ চাকরি দেয় না,, একেতে বাবা নেই,, কি করবো বলেন,,
আমিঃআচ্ছা আমি যা বলছি মন দিয়ে শোনো,, তোমাকে তোমার ঘরের হাল দরতে হবে, তার জন্য চাকরি করতে হবে,,, তোমাকে আমি পুলিশের চাকরি দেব,, কি করবে না,,
,
রাহত কেদে কেদে বললো, জি স্যার করবো স্যার করবো,,
আমিঃ সার্টিফিকেট এনেছো,,
রাহাত ঃ জি স্যার,,
আমিঃ তোমার সার্টিফিকেট আর এই চিঠিটা নিয়ে……. যায়গায় যাবে,, আর এ চিঠিটা তার হাতে দিবে,,
রাহাতঃ জি স্যার
আমিঃ কনফরম হলে আমাকে যানাবে,,, এখন যাও,,
রাহাত ঃ আপনাকে কি বলেযে দন্যবাধ দেবো,,
আমিঃ কিছু দিতে হবে না,,যাও।

,,

রাহাত চোলে গেল,,
বাকি দিনটা কাজে কাজে গেল,
রাতে নিলাকে খুব মিস করতে থাকি ,
পাগলিটা অল্প কদিনেই মনের ভিতর যায়গা করে নিয়েছে,,,
পর দিন চোলে গেলাম,,
নিলাদের কলেজে,
,
গিয়ে দেখি নিলা তার বান্ধুবি আনিসা,, মিরা,,পায়েল এর সাথে বোসে আছে,,
নিলা আমাকে দেখেই উঠে দৌরে এসে আমার বুকে ঝাপিয়ে পরলো,,
ওর বান্ধুবিরা তো অবাক,,
,,
নিলাকে খুব গভীর ভাবে জড়িয়ে দরলাম,,
পাস থেকে,,ওর বান্ধুবিরা বললো,, ইহিম ইহিম,, আমারা কিন্ত পাসে,, কি হলো,, দেখ নিলা ওনার বুকের ভিতরে চোলে যাচ্ছে,,
নিলা কিছুটা লজ্জা পেয়ে হালকা ভাবে ছেরে দিয়ে বললো,,তোরা না,,ফাজিল একেকটা,,,
বান্ধুবিরা হা করে তাকিয়ে থাকতে দেখে
নিলা লজ্জায় আমার বুকের ভিতর মুখ লুকালো,,
মিরাঃ দেখ দেখ কি লজ্জা পাচ্ছে,,
আমিঃ থাক আর দেখতে হবে না, তোমরা করবে এর থোকে বেশি,,
নিলাকে বুকের মাঝে রেখেই ওদের সাথে কথা বলতে লাগলাম,,
আমিঃ তা তোমাদের খবর কি, আছো ভালো,,
মিরাঃ আমাদের আর ভালো থাকা,, আপনাদের ভালোবাসা দেখে আমাদের বালো থাকা উবে গেছে,,
আমিঃ তোমাদের হিংসে হচ্ছে নাকি,,
মিরাঃ হবে না,, আপনাদের এরকম ভাবে দেখলে যেকেউই হিংসে হবে,,
আনিসাঃ ভাইয়া আজ কিন্তু আপনাকে ছারছি না, আজ ইচ্ছা মতো, ফুচকা খাবো, না বলতে পারবেন না,,
আমিঃ আচ্ছা,, চলো,,
মিরাঃ কি মহারাণি ভাইয়ার বুকের ভিতর থেকে এবার বের হও,,
আমিঃ আচ্ছা তোমরা সামনে আগাও, আমি আমার মহারাণিকে নিয়ে আসছি,,
পায়েল ঃ আচ্ছা, ,চল তোরা,,
,,,

ওরা সামনে আগাচ্ছে,,
আমি ঃ এই নিলা এবার বুকের ভিতর থেকে বের হও,, এভাবে হাটবো কিভাবে,,
নিলা বুকের ভিতর থেকে ছোট ছোট করে বলতে লাগলো,,
নিলাঃ ওরা লজ্জা দেয় কেন,,
আমিঃ এত লজ্জা পেতে হবে না, ওরা চোলে গেছে,,
মেয়েটা এবার হালকা করে মাথা টা উঠালো,,
লজ্জায় মেয়েটার মুখ লাল হোয়ে গেছে,,
এবার চলো,,
হাটতে হাটতে ওদের কাছে গেলাম
,,
আনিসা ঃ এতক্ষন লাগলো আপনাদের আসতে,,
মিরাঃ দেখ দেখ ভাইয়াকে পেয়ে নিলা আমাদের ভুলে গেছে,,
আমিঃআচ্ছা হোয়েছে,, মামা ওরা যত প্লেট খেতেচায় তত প্লেট ফুচকা দেন,,, আর আমাদের কে এক প্লেট দেন ,,,
নিলাঃ মামা ওদের কে এক প্লেটের বেশি দিবেন না,,ওই তোরা তোদের বয়ফ্রেন্ডের কাছ থেকে খাবি,আমার জনের কাছ থেকে খেতে পারবি না,।
মিরাঃ তোরা দেখ দেখ, এইটা কি আমাদের নিলা,,তুই এই কথা বলতে পারলি,,যা খাবো না,,
আমিঃ আচ্ছা রাগ করতে হবে না,, তোমরা যখন ইচ্ছে তখন এখান থেকে ফুচকা খাবে,, আমি মামাকে বলে দেবো
মিরা বসা থেকে উঠে এসে আলতো করে জড়িয়ে দরে বললো,, ইউ আর গ্রেড ভাইয়া,,
নিলা এইটা দেখে রেগে গিয়ে ইরাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে বললো , এই তুই কি করছিস,
মিরাঃ সরি দোছ,, খুশি তে নিজেকে দরে রাখতে পারিনি,,
আমিঃএত খুশি হোয়ে লাভ নেই,, এক শর্তে খাওয়াবো,,
সবাই এক সাথে ঃ কি?
আমিঃ শর্ত হলো আমার মহারাণি কে দেখে রাখতে হবে,,
আনিসা ঃ এইটা আর কি শর্ত আমরা রাজি,,
আচ্ছা তা হলে তোমরা খেতে থাকো।,,
মামা আমাদের টা দেন,,
আমিঃনিলা হা করো,,
নিলা অভিমান করে মুখ সরিয়ে নিল,,
আমিঃ পাগলি একটা হা করো,, নিলা কে খাইয়ে দিলাম,,
নিলাঃ হা করুন,,
আমিঃ আচ্ছা দেও
,,
খাওয়া শেষ করে বললাম, তা হলে আজ আমি উঠি।,,
তোমাদর কাছে তো আমার নাম্বার আছেই,, কোনো সমস্যা হলে আমাকে ফোন দেবে,,
ওরা ফুচকা খেতে খেতে বললো, আপনি যান, আছে, সমস্যা নেই,,
আমিঃ তোমার আবার কি হলো,,
নিলাঃ আপনি এখনি চোলে যাবেন,,
আমিঃ পাগলি একটা এর জন্য হোপ করে থাকতে হয়,, এদিকে আসো, এই তোমরা ওই দিক তাকাও,,
আমি নিলার কাপালে একটা চুমু দিয়ে সেখান থেকে চোলে আসি,,
নিলা এক ধ্যানে আমার চোলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইলো……
……..চলবে…..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here