গরীবের প্রেম শেষ পাট

0
538

গরীবের প্রেম
লেখা/ রুবেল(হিংসুটে ছেলে)
——part2 -শেষ পাট

!
সাদিয়া বাসায় গিয়ে সায়মন কে কল করলো কিন্তু সায়মন ফোন রিসিফ করছে না,
সাদিয়ার মেজাজ অার ও গরম হয়ো গেল,
অবশেষ সায়মন ফোন রিসিফ করলো,

এ হারামি ফোর রিসিফ করিস না কেন?( সাদিয়া)
তুই ফোন কিনে দিছিস জন্য কি তোর ফোন রিসিফ করতে হবে?( সায়মন,,)
হ রিসিফ করতে হবে (সাদিয়া)
নিয়ে যা তোর ফোন, লাগবে না অামার(সায়মন)
রাগ দেখে বাচি না, অাচ্ছা শোন কাল একটু অাসতে পারবি(সাদিয়া)
কোথায় (সায়মন)
অাজ যে খানে দেখা করলাম (সাদিয়া)
অাচ্ছা ঠিক অাছে, অাসবো, অার শোন একটু খাবার নিয়ে অাশিস(সায়মন)
অাচ্ছা ঠিক অাছে (সাদিয়া)

!
পরের দিন সকাল ১০ টা….
সাদিয়া এসে বসে অাছে, সায়মন এর অাসার কোন খবর এ নাই
সাদিয়া অনেক টা রেগে অাছে
হঠাৎ সায়মন পাশে এসে বসলো

!
কয়টা বাজে (সাদিয়া)
১১ টা (সায়মন)
তোরে অাসতে বলছি কয়টায় (সাদিয়া)
১০ টায় ( সায়মন)
লেট করলি কেন(সাদিয়া)
জিএফ এর লগে দেখা করতে গেছিলাম(সায়মন)
কি??????(সাদিয়া)
জিএফ জিএফ। শুনছিস(সায়মন)
অাচ্ছা যা তার সাথে ডেটিং কর(সাদিয়া)
ও জানু রাগ করো না, অাসলে ঘুম থেকে উঠতে লেট হইছে (সায়মন)
তাহলে জিএফ এর কথা কইলি কেন(সাদিয়া)
অারে না তুই তো অামার জিএফ, (সায়মন)

ফাজলামো করিস না নে অাগে খা (সাদিয়া)
হুম দে (সায়মন)
শোন তোর ভালো কোন শাট অাছে (সাদিয়া)
কেন? অার শোন না অাজকের খাবার টা দারুন হইছে (সায়মন)
হুম অামি নিজে রান্না করছি (সাদিয়া)
উফপ অামার কপাল অনেক ভালো তোর মত একটা বউ পাবো (সায়মন)
অাবার শুরু করলি (সাদিয়া)
শোন বিয়ের পর কিন্তু রোজ অামাকে এ ভাবে রান্না করে খাওয়াবি? (সায়মন)
এটাই তোর শেষ খাওয়া বুজলি (সাদিয়া)
মানে?????(সায়মন)
মানে কালা অামায় ছেলে পক্ষ থেকে অাংটি পড়াবে (সাদিয়া)
মজা করছিস(সায়মন)
অামি তোর মত না যে মজা নিয়ে থাকবো যা বলছি সত্যি বলছি, তাই তোক বললাম ভালো শাট পড়ে কাল অামার বাসায় অাসবি(সাদিয়া)

!

সাদিয়ার মুখে এমন কথা শুণে সায়মনের মাথয় যেন অাকাশ ভেঙ্গে পড়লো,
কারন সাদিয়া সায়মন কে ফ্রেন্ড মনে করলেও সায়মন সাদিয়াকে বুকের মধ্যে বউ সেজে রেখেছে,
সায়মন ভাবতো সাদিয়া মুখে যাই বলুক সাদিয়া অামাকে অনেক ভালোবাসে,
হ্যা সাদিয়া সায়মন কে অনেক ভালোবাসে সেটা শুধু বন্ধু হিসাবে। সায়মনের চোখ এ দিয়ে পানি পড়ছে।

কি রে কাঁদছিস কেন(সাদিয়া)

কই না তো (সায়মন)
না তো মানে এই তো তোর চোখে পানি (সাদিয়া)
না মানে কিছু দিন পর তুই অার এ ভাবে অামার সাথে দেখা করবি না, খাবার অানবি না এটা ভেবে কান্না পাচ্ছে (সায়মন)
হুম এবার একটা জব খুজে তুই ও বিয়েটা করে নে, অাচ্ছা শোন অামি গেলাম কাল অাসিস কিন্তু (সাদিয়া,)
!
সায়মন রুমে গিয়ে অঝরে কান্না করছে কিছু তেই মানতে পারছে না সাদিয়া অন্যনো কারো হয়ে যাবে, বুকটা যেন ফেটে যাচ্ছে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করছে সাদিয়া তুই শুধু অামার অার কারো না, বাঁচবো না তোক ছাড়া,

!
রাতে না খেয়ে সায়মন ঘুমিয়ে গেছে,
সকাল ৯ টা একটা শাট বের করে সেটা ভালো কর লন্ডী করে , শাটটা পরে সাদিয়ার বাড়ি চলেগেল।

সাদিয়ার বাড়িতে অনেক মেহমান,
পুরো বাড়িটাকে খুব সুন্দর করে সাজিয়েছে, সাদিয়ার বর নাকি অনেক বর বিসনেস ম্যান, সাদিয়া অনেক খুশি সেটা সাদিয়া কে দেখে বুজা যাচ্ছে,
সাদিয়া তার হবু বরের হাতটা ধরে অাছে,
অনেকে ফটো সুট করছে,,
এ গুলো দেখে সায়মনের যেন বুকটা ফেটে যাচ্ছে,
সায়মনের খোজ নেযারো কোন প্রয়জন মনে করছে না সাদিয়া
সব অায়োজন শেষ এবার অাংটি পরাবে

ঠিক এ সমায়ে সায়মন চিৎকার করে বললো,
সাদিয়া তুই শুধু অামার অার কারো না, অামি তোকে ছাড়া বাচবো না রে,
সায়মনের মুখে এমন কথা শুনে সবাই চুপ হয়ে গেলো,
সাদিয়ার বাবা মাথু নিচু করে অাছে,
সাদিয়া সায়মনের কাছে এসে

তুই কি পাগল হলি অামি তোক তো ভালো বন্ধু ভাবতাম
অার তুই কি না অাজ অামার এত বড়ো সবনাশ করলি ছি, বের হয়ে যা এখান থেকে(সাদিয়া)
সাদিয়া অামি তোক ছাড়া বাচবো না রে তুই শুধু অামার, (সায়মন,)

সাদিয়া সায়মনেন গালে অনেক গুলো থাপ্পর দিলো

অারে তোর কি যোগ্যতা অাছে অামাকে বিয়ে করার, অামার হবু কি করে যানিস। অনেক বড়ো বিসনেস ম্যান যা এখান থেকে (সাদিয়া)

সাদিয়া এ কথাটা বলে দৌড়ে নিজের রুমে চলে গেল,
এ দিকে সাদিয়ার বাবা তার পোশা সিকিরুটির দিয়ে অনেক মার মারলো
রক্তে ভিজে গেছে সায়মনের শাটটা,

সায়মন কে বাহিরে রেখে অাসলে
সায়মনের কিছু বন্ধু সায়মন কে হসপিটালে নিয়ে যায়,
দু দিন পর সায়মন একটু সুস্থ হয়,

অাজ সাদিয়া বিয়ে,
সায়মনের পক্ষ থেকে সাদিয়া কে একটা বক্স গিফট করা হলো
উপরে লেখা ছিলো যানি অনেক রেগে অাছিস, প্লিজ বক্সটা বাসর রাতে গিয়ে খুলে দেখিস,
,
সাদিয়া বক্স টা নিজের কাছে রেখে দিলো,
বাসর রাতে সাদিয়া বক্স টা খু্লে একটা চিঠি অার একটা চাকরির apartment লেটার। যে চাকরিরে জয়েন করলে সায়মন মাসে, ৪০০০০ হাজার টাকা বেতন পাবে,
চিঠিটা সাদিয়া পরতে লাগলো

ডিয়ার জানু,

সরি সরি রাগ করলি? অাসলে অনেক দিন ধরে তোকে জানু বউ সোনা বলছি তো তাই অভ্যাস হয়ে গেছে,
লাল শাড়ি পড়ে বসে অাছিস তাই না?
যানিস প্রায় রাতে অামি স্বপ্ন দেখতাম তুই লাল শাড়ি পড়ে বাসর ঘড়ে বসে অাছিস অামার জন্য,
তার পর যখন অামি রুম এ অাসতাম তুই খাট থেকে নেমে অামাক অনেক কিল ঘুসি দিয়ে বলতি কুত্তা হাড়ামি কতক্ষন থেকে বসে অাসি।
হা হা হা সত্যি স্বপ্ন কখনো বাস্বব হয় না।
ঐ শোন না কথা দিচ্ছি অার কখনো হোস্টেল বিল বাকি রাখবো না,
তোর হাতের খাবারটা অনেক মিস করবো রে,
হা হা হা এখন অামি না খেয়ে থাকলেও কেউ খাবার নিয়ে অাসবে না,
অাচ্ছা শোন না সে দিন খুব কস্ট পাইছিস তাই না?
কি করবো বল তোর কেউ হাত ধরুক / অাংটি পড়াক এটা অামি মানতে পারছিলাম না,
তাই হঠাৎ ও গুলো বলে ফেলছি,
তুই তো যানিস অামি অনেক ফাজলামো করি,
এটা যানার পরও তুই……..
তোরে ফাজলামো করে বলছিলাম বউ
অার তুই অামার যোগ্যতা দেখলি,
অামি তো তোর বাড়িে দাড়োয়ান হওয়ারো যোগ্যতা োরাখি না,
ফাজলামোটা বুজলি না,
তুই রুমে যাওয়ায় পর যানিস অামাক অনেক মার মারছে রে
অনেক রক্ত বের হইছিল,
একটা কথা বলি সত্যি অামি তোক অনন্যে কারো সাথে শেয়ার করতে পারবো না,
তাই তো চলে যাচ্ছি অনেক দুর
যে খান থেকে কেউ ফিরে না।
ভালো থাবিস জানু

!
সাদিয়া চিঠিটা পড়ার পর অঝরে কেদে যাচ্ছে,
সাদিয়া রাতে বের হলো সায়মন কে খুজতে
সায়মন ততোক্ষন এ চলে গেছে না ফেরার দেশে।

সমাপ্ত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here