স্যার যখন স্বামী সিজন২ পার্ট_১৫

0
584

স্যার যখন স্বামী সিজন২
পার্ট_১৫
#লিখা জান্নাতুল ফেরদৌস

পরেরদিন তমাদের বাসায় গেলাম।আন্টি আগে থেকেই জানত যে তমাকে আমি অনেক আগে থেকে ভালোবাসি।তাই আন্টিকে বিয়ের প্রপোজালটা দিলেই উনি আর অমত করেন নি।

ফারিদের মা – “ভাবী আমরা আজকেই এংগেজমেন্টের কাজটা সেরে ফেলতে চাইছি।যদি আপনার কোন আপত্তি না থাকে।”

মেঘ- “না না,, আপত্তি কিসের থাকবে?আমিও চাইছি তমার বিয়েটা তাড়াতাড়ি দিয়ে ফেলতে।আমার শরীরটাও বেশি ভালো যাচ্ছে না।আপনাদের মতন ভালো ফ্যামিলির ঘরে মেয়েকে বিয়ে দিতে পারলে মরেও শান্তি পাব।”

ফারিদ- “আন্টি এইটা কোন ধরণের কথা হল?আমি কিন্তু রেগে যাচ্ছি।”

মেঘ- “মৃত্যুর কথাতো কেউ বলতে পারে না।সত্য কথাতো মেনে নিতেই হবে।তবে মনের মধ্যে একটা খুশি কাজ করছে আমার মেয়েটাকে সুখে রাখার মতন কেউ আছে।একসাথে সে ভালো একটা পরিবার আর ভালো জীবনসঙ্গী পাবে।”

ফারিদ- “আন্টি আমি তমাকে সর্বোচ্চ সুখের রাখার চেষ্টা করব সেটা নিয়ে তুমি নির্ভাবনায় থাকতে পার।কিন্তু প্লিজ মরে যাব মরে যাব এই কথাটা বলবে না।খারাপ লাগে খুব।”

মেঘ- “আচ্ছা বাবা,,আর বলব না।আমি তমার সাথে কথা বলে ওকে নিয়ে আসছি।”
.
.
মামণির কাছে আমার বিয়ের কথা শুনে মাথাটা খারাপ হয়ে গেল।বিয়েটাই কি জীবনের সব কিছু নাকি?তাও আবার বিয়ের প্রপোজাল নিয়ে আসছে ফারিদ স্যার।এত ভালো মানুষকে আমি ঠকাতে পারব না।বিয়েটা বন্ধ করতে হবে।

তমা- “মামণি আমাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য এত উঠেপড়ে লাগলে কেন?আমি আর তুমি মিলে কত্ত হ্যাপী লাইফ কাটাচ্ছি সেটাই তো অনেক।আমাকে বিয়ে দিয়ে কি তুমি তোমার লাইফ থেকে আমাকে সরাতে চাইছ?”

মেঘ- “তমা এটা কেমন কথা হল?”

তমা- “তাহলে এইসব কি করছ?”

মেঘ- “কি করছি তুই কি তা বুঝতে পারছিস না।তোকে আমি সবসময় সুখী দেখতে চাই।তুই একটা পারফেক্ট ফ্যামিলি ,একটা ভালো হাসবেন্ড পা,একটা সুখের লাইফ কাটা আমি সেটা চাই।আর ফারিদের সাথে তোর বিয়ে হলে তুই তার সব পাবি।”

তমা- “তুমিও তো বিয়ে করেছ।কিন্তু কখনো কি সুখী হতে পেরেছ।মামণি বিয়ে করলেই যে মানুষ সুখী হবে তার গ্যারান্টি কেউ দিতে পারেনা।আর ফারিদ স্যারকে তোমার এখন ভালো লাগতেও পারে কিন্তু কয়েকদিন পর যদি দেখ তার ভালো মুখোশের আরেকটা খারাপ মুখোশ আছে তখন কি করবে?”

মেঘ- “……..”

তমা- “জানি কিছুই করতে পারবে না তখন।তাই শুধু শুধু আমাকে বিয়ে দিয়ে ঝামেলা বাড়ানোর দরকার নেই।আমরা যেমন আছি তেমন ভাবে লাইফটা কাটিয়ে দিই।”

মেঘ- “এত কথা শুনতে চাই না আমি।যা করছি তোর ভালোর জন্যই করছি।ফারিদ বর্তমানে তোমাকে সুখে রাখবে আর ভবিষ্যতেও।এই বিশ্বাসটা আমার ছেলের উপর আছে।তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নিচে আসো।”

এত্ত রাগ উঠছিল বলার মতন না।যে করেই হোক এংগেজমেন্টটা বন্ধ করতেই হবে।উনার সাথে কথা বলতে হবে।

রেডি হয়ে নিচে গেলাম।
স্যার আমার হাতে আন্টি পড়ানোর আগেই উনাকে বললাম,,

“আপনার সাথে কিছু কথা ছিল।”
“হুম বল।”
“এইখানে!”
“তো কি হয়েছে।এখানে বলতে পার সমস্যা নাই।”
“মাথায় চিট আছে ব্যাটার।(মনে মনে)।এখানে না আমার রুমে আসুন”
“আচ্ছা আসছি।”
.
.
“হুম বল।কি বলার জন্য এইখানে নিয়ে আসছ?”
“আপনাকে বিয়ে করা আমার পক্ষে সম্ভব না।”
“কেন?”
“এত কেন এর উত্তর আমি দেব না।বিয়ে করব না আমি। শুধু এতটুকুই জেনে নিন।”
“কোন কারণ ছাড়াতো আমি শুধু শুধু বিয়ে বন্ধ করব না।যদি বিয়ের ভাঙ্গার কারণ আমার গায়ের রং হয় তাহলে তোমাকে একটা কথা বলে রাখি গায়ের রং দিয়ে আর যাই হোক ভালোবাসা আর সংসারটা হয় না।গায়ের রংয়ের সৌন্দর্য আজ আছে কাল নেই।তাহলে কাল যদি আমার গায়ের রংয়ের সৌন্দর্য না থাকে তাহলে তুমি আরেকজনকে ধরবে।এটাই স্বাভাবিক।যেখানে গায়ের রংয়ের সৌন্দর্য মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায় সেখানে ভালোবাসাটা থাকে না থাকে শুধু লালসা ।”
“দেখুন গায়ের রং আমার কাছে কোন মূল্য রাখে না।আর যাই হোক এই চিপ কারণটা আমি আপনাকে দেখাব না।আপনার আসল সৌন্দর্য গায়ের রঙে না বরং আপনার গুণ,বিবেক,আর বুদ্ধিমত্তায় নিমজ্জিত। অন্য কারণে বিয়েটা ভাঙ্গতে চাচ্ছি।”
“আচ্ছা। কারণটা বল।”
“আমি একটা ছেলেকে ভালোবাসি।”

এবার ফারিদ স্যার হো হো হো করে জোরে হেসে উঠল।

“তুমি একটা ছেলেকে ভালোবাস আর এটা আমাকে বিশ্বাস করতে বলছ।যে মেয়ে অন্য ছেলের দিকে এমনকি আমার দিকেও ঠিকভাবে তাকায় না সে কিনা অন্য আরেকজনকে ভালোবাসে।হাসালে বুঝেল বড্ড হাসালে আমাকে।”

“কি আপনার কি মনে হয় আমি আপনারর সাথে মজা করছি?”(রেগে)
“আচ্ছা আচ্ছা সরি সরি।এত রাগ করতে হবে না।যাও কয়েক মিনিটের জন্য আমি মেনেও নিলাম তুমি অন্য কাউকে ভালোবাস।কিন্তু তারপরওও আমি বিয়ে ভাঙ্গব না।”
“কেন?”
“কারণ এরকম একটা বাজে অযুহাতে আমি বিয়ে ভাঙ্গব সেটা তুমি কি করে ভাবলে।আর যদিউ কাউকে তুমি ভালোবাস সেটা হচ্ছে জাস্ট এট্রাকশন।আর অন্য কিছু না।তাছাড়া আমি ভালো করেই জানি তোমার মনে কেউ নেই।আর থাকলেও তাকে নিয়ে ভাবা এখন থেকেই বাদ দিয়ে দাও।কারণ এখন থেকে আমিই তোমার বর্তমান আর ভবিষ্যৎ।”
“………”
“নিচে চল।নাহলে সবাই খারাপ কিছু ভেবে নিবে।”
“…….”

উনাকে কি বলব কিছুই বুঝতে পারলাম না।উনার এমন কথা শুনে কিছু বলার ভাষাও পাচ্ছিলাম না। শেষ পর্যন্ত এংগেজমেন্টটা হয়েই গেল।কিছুতেই আমি তা আটকাতে পারলাম না।না এইভাবে হবে না।উনাকে সত্য কথাটা বলেই দিতে হবে।আর উপায় নেই।হয়ত এতে আমার আত্নসম্মানটা চলে যাবে,যাক চলে তাও ভালো। কিন্তু কাউকে আমি ঠকাতে পারব না।
.
.
রাতে,,,
“হ্যালো,,”
“হুম বল।আমাকে মিস করছিলে বুঝি?”
“তেমন কিছু না।আপনার সাথে জরুরি কথা ছিল।”
“হুম বল”
“আপনি জানতে চাইছিলেন না আমি কেন বিয়েটা করতে চাইছি না।কালকে এর উত্তর দিব আমি।দেখা করতে পারবেন আমার সাথে।”
“তমা এবার এই ফাজলামি বন্ধ কর।তুমি কি বিয়ে বন্ধ করার জন্য একেবারে উঠেপড়ে লেগেছ।আর বিয়ে বন্ধের জন্য আমাকে আর মিথ্যা কথা শুনানোর দরকার নেই।”
“মিথ্যা কথা নয়,,আপনাকে আমি সত্য কথা বলব।হয়ত এই সত্য কথা শুনার পর আমাকে বিয়ে করার শখ আপনার চিরতরে মুছে যাবে।”
“তাই নাকি!তাহলে তো শুনতেই হচ্ছে তোমার সেই সত্য কথা যার জন্য আমি তোমাকে বিয়ে করব না।আচ্ছা দেখি তাহলে কালকে কি হয়।আমি রেডি তোমার কথা শুনার জন্য।কোথায় আসতে হবে।”
“নদীর পাড়ে।”
“আচ্ছা।সেখানেই কালকে কথা হবে।ঘুমিয়ে যাও পাখিটা।শুভ রাত্রি বউ।”
“হুম।”

কল কাটার পর,, আরে উনি আমাকে কি বললেন পাখি,বউ…।ধূরর……।
.
.
এরপরের দিন দুইজনে নদীর পাড়ে গেলাম,,
প্রায় ৩০ মিনিট পর,,
“কিছু বল,,”
“…….”
“যার কথা শুনার জন্য এখানে এলাম সেতো কিছুই বলছে না।৩০ মিনিট ধরে এক কথাতেই আটকে আছ যে তুমি কিছু বলতে চাও।আমিও তোমার কথা শুনতে চাই। তাই ভয় না পেয়ে সাহস করে
বলে ফেল।”
“আমার একটা খারাপ অতীত আছে।”
“হুম।তারপর।”
“এই অতীতের কথা শুনার পর আপনার আর আমাকে বিয়ে করতে ইচ্ছা হবে না।হয়ত এই কথা শুনার পর আপনার মনে আমার জন্য শুধু ঘৃণা জন্মাবে।”
“তাহলে আর সেই অতীতের কথা আমার শুনার দরকার নেই।”
“আছে।কারণ আমি আপনাকে ঠকাতে পারব না।”
“দেখ তোমার অতীত যেমনি হোক না কেন আমার তাতে কিছু যায় আসে না।আমার সিদ্ধান্ত বদলাবে না।তোমাকেই আমি বিয়ে করব।”

ব্যাঙ্গাত্মক ভাবে হেসে,,,”এইরকম কথা প্রায় ছেলেরাই বলে।একজন স্ত্রী সরল মনে যখন তার স্বামীকে তার খারাপ অতীতের কথা বলে তখন কিছু কিছু স্বামী বলে, “তোমার খারাপ অতীতে আমার কিছু যায় না।অতীতের সবকিছু ভুলে চল আমরা একটা নতুন জীবন শুরু করি “এইরকম সহানুভূতিমূলক কথা বলে তারা একটা মেয়ের মন জয় করে নেয়।হয়ত নিজের লালসাটা মিটানোর জন্য এইরকম উদারমূলক বাণী স্ত্রীকে শোনায়।কিন্তু অনেক মেয়েই হয়ত জানে না একটা ছেলের মুখের কথা,ওর মন ক্ষণে ক্ষণে বদলায়।নিজের চাহিদা পূরণ হওয়ার পর সেই মেয়েটা পুরাতন হয়ে গেলে তাকে আর কোন ছেলেরেই ভালো লাগবে না।হয়ত তখন তার চোখ অন্য কাউকে খুঁজতে পাগল থাকবে।নিজের চাহিদা মেটানোর জন্য হয়ত পেয়েও যাবে কাউকে।পুরাতন স্ত্রীকে ভালো না লাগার কারণে স্বামী ইচ্ছা করেই ঝগড়া শুরু করবে,,ছোট খাটো ভুলে তার স্ত্রীকে প্রায় খোটা দিবে আর সবশেষে তার স্ত্রীর অতীতটা টেনে তাকে দিনরাত কথা শুনাবে।হয়ত তখন সে ভুলে যায় একদিন সেই তার স্ত্রীর হাত ধরে বলেছিল তার খারাপ অতীত ভুলে যেতে। মেয়েটা তার স্বামীর সাথে নতুনভাবে বাঁচতে চাওয়ার জন্য যখন তার অতীত প্রায় ভুলতে বসল ঠিক তখনি সে তার স্ত্রীকে সেই খারাপ অতীত মনে করিয়ে দিয়ে তার কষ্টটাকে আরো দ্বিগুণ করে দেয়।

তো আপনার কি মনে হয় কোন ছেলেকে বিশ্বাস করে একটা মেয়ে তার খারাপ অতীতের কথা বললে সে তা মেনে নিবে।আর মেনে নিলেও সে যে তা নিয়ে পরবর্তীতে খোটা দিবে না তার কি গ্যারান্টি? আর আমি জেনে শুনে এই ভুল পথে পা ফেলব।কখনো না।কাউকে খারাপ অতীতের কথা জানানোই মানে সেখানে একটা সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়া।তাই আমার কথা শুনার পর আমার সাথে আপনার যে ভালো সম্পর্কটা ছিল সেটা আজকের পর থেকে শেষ হয়ে যাবে।আর আমাকে বিয়ে করার শখটাও আপনার পূরণ হয়ে যাবে।”

“পিচ্চি তমা তো দেখি অনেক বড় হয়ে গেছে।এখন তার মুখে শুধু বাস্তবতার কথা শুনতে পাচ্ছি।শোন মেয়ে,,,এইটা ঠিক যে একটা খারাপ অতীত একটা ভালো সম্পর্ক নষ্ট করে দিতেই যথেষ্ট।।তাই আমার থেকে তোমার কোন খারাপ অতীতের কথা জানার ইচ্ছে নেই।তাছাড়া বোকা মেয়েরাই অতীত নিয়ে ভাবে, কষ্ট পায় আর বোকা, খারাপ আর বিকৃত মন মানসিকতার পুরুষরাই পারে একটা মেয়ের খারাপ অতীত নিয়ে খোটা দিতে।অতীত নিয়ে ভাবার বা আমার স্ত্রীর অতীতে কি হয়েছে তা নিয়ে চিন্তা করার সময় আমার নেই।আমি বর্তমান আর ভবিষ্যতে বিশ্বাসী।

হয়ত তুমি ঠিকি বলছ আমাদের পুরুষ মানুষের মুখের কথা,মন ক্ষণে ক্ষণে বদলায়।তাই যদি তোমার মনে হয় কোন ছেলেকে তোমার অতীতের কথা বললেই একটা সম্পর্ক শেষ হয়ে যেতে পারে তখন সেই গোপন কথা কাউকে না জানানোই ভালো। সেটা নিজের কাছে চেপে রাখা উচিত।তবে একটা কথা তমা,, বাকি পুরুষদের কথা আমি জানি না আমি শুধু এটাই জানি তোমার অতীতে যা কিছু হয়েছিল তা আমার জানার দরকার নেই।কেন জানো? কারণ হয়ত তোমার সে অতীতে আমি ছিলাম না।যদি সে অতীতে আমি থাকতাম তাহলে তোমার সাথে আমি কোনদিনও খারাপ কিছু হতে দিতাম না এইটা আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি।কিন্তু যেহেতু এখন থেকে আমি তোমার বর্তমান আর ভবিষ্যত তাই অতীতের ছায়া তোমার জীবনে আমি আর দ্বিতীয়বার মাড়াতেও দিব না।কারণ আমি সবসময়ের জন্য এখন তোমার কাছে আছি।আর ভবিষ্যতেও থাকব।ফারিদের বুকের বাম পাশে তমার হাতটা রেখে সে বলতে লাগল,,,আর এই কথাগুলো আমি এইখান থেকে আমার মন থেকে বলছি।

আর আরেকটা কথা সবার জীবনেই ভুল হয় ভুল আছে।আমাদের দ্বারা অনেক ভুলই হয় সেটা ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকৃতভাবে।লাইফে কেউ পারফেক্ট না।আর এইটা আমি ভালোভাবে জানি আমার তিলোত্তমা ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ভুল করতে পারে না।ভুল তোমার সাথে হয়েছ।ঠকেছ তুমি তাহলে তুমি আমাকে ঠকালে কি করে। আর তোমার শাস্তি পাওয়ার কোন প্রশ্নইই উঠে না।একটা সুন্দর জীবন,সংসার করার অধিকার তোমারও আছে।আর আমি তোমাকে সে সুন্দর জীবনটা দিতে চাই।সে অধিকারটা দিতে চাই।

সবশেষে একটা কথা বলব আমি এত সুন্দরও না যে মেয়েরা আমার পিছনে ঘুরবে।এইটা নিয়ে তুমি নিশ্চিত থাকতে পার।কালো ছেলে বিয়ে করার এইটাই ফ্যাসালিটি।কেউ তোমার স্বামীর দিকে বাজে চোখ দিবে না।আর মন যেহেতু একটাই তাহলে ভালোবাসার মানুষতো একজনি হবে।আর তাকে আমি পেয়ে গেছি।সে হচ্ছে তুমি।তুমি থাকতে অন্য কারোর দিকে চোখ দেওয়ারও আমার কোন ইচ্ছা নেই।সুতরাং ম্যাডাম, বিয়ে বন্ধ করার কোন প্রশ্নি উঠছে না।বিয়েটা হচ্ছে আর আলবৎ হবে।আর যদি আমি শুনেছি না তুমি বিয়ে বন্ধ করার কোন ফন্দি আটছ তাহলে জানোই তো আমি তোমার কি হাল করব।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here