ফাল্গুনের_ফুল  part_4

0
461

ফাল্গুনের_ফুল
part_4
#Writer_Farzana

পুরোটা ক্লাসে আর একবারো ওর দিকে তাকাইনি। আমার মনের ভাব চোখে মুখে প্রকাশ পেয়ে যাবে কিম্বা কথা জড়িয়ে যাবে এই ভয়ে।-
বিকাল ৫ টা, কোচিং শেষ হয়ে গেছে। Student দের খাতা দেখার বাহানায় সব teacher দেরকে দেরী হবে বলে চলে যেতে বললাম। সবাই চলে গেল। তারপর খাতাগুলি রেখে কোচিং রুমের সামনে গেলাম। কিন্তু জিনিস টাতো খুঁজে পাচ্ছিনা 😕। (ঘাসের মধ্যে অনেক্ষণ খোঁজার পর) হুম পেয়েছি.. ফাল্গুনের ফুলের ভেঙে যাওয়া কাটা টা 😁। নস্যি কালার, বোঝাই যাচ্ছে dress এর সাথে match করে পরেছিলো। কাটা টা পকেটে ঢুকিয়ে রাজ্য জয়ের হাসি নিয়ে বাড়ি ফিরলাম 😁
সোজা গিয়ে বন্ধুর রুমে ঢুকলাম। ঢুকে দরজা টা আস্তে করে চাপিয়ে দিলাম, তারপর পকেট থেকে ফাল্গুনের ফুলের সেই ভাঙা কাটা টা বের করলাম। ওর কাটা টা ওর মতোই দুষ্টু। কাটা টা দেখতে খুব লাগছে, যেন ওকেই দেখছি 🙂। ভালো লাগার এমন feelings আমার life এ কখনও আসেনি। আমি এখন যে কাজগুলি করছি এটা যদি নেছার করতো, তাহলে ওকে আমার বন্ধ পাগল মনে হতো। কিন্তু আমি যেটা করছি সেটা আমার কাছে খুবই স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। আসলে যাকে ভালো লাগে, তার সব কিছুই ভালো লাগে।- ভাবনায় ছেদ পড়লো দরজায় নক করার শব্দে। চমকে উঠে তাড়াতাড়ি কাটা টা পকেটে ঢুকিয়ে রাখলাম।
Nesar: মাত্র আসলি নাকি? Dress change করিসনি যে?
Samir: হুম, মাত্রই আসলাম।
Nesar: তোকে মনে হয় খুব কষ্টে ফেলে দিয়েছি, নারে? আসলি বেড়াতে আর আমি তোকে কাজে ঢুকিয়ে দিলাম।
Samir: না না কিসের কষ্ট 🙂। তুই তো সারাদিন বাইরেই থাকিস, একা থেকে থেকে আমি তো bore ই হয়ে যেতাম। তারচেয়ে কোচিং করানো টাই ভালো 🙂। ( আমাকে যদি এখন বলে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কোচিং করাতে হবে আর তাতে ফাল্গুনের ফুল থাকবে। তাহলে আমি তা সানন্দে করাবো 😋😁)
Nesar: আজ ফাল্গুনী এসেছিল?
Samir: তোর যে ফাঁকিবাজ student সহজে আসতে চায় নাকি, ভূলে এসেছিলো 😁😁
Nesar: 😀😀
Samir: তুই যে বললি ফাল্গুনী cute…
Nesar: হ্যা, তো cute না!?
Samir: না। Cute বললে ভূল হবে, cute square… ( এর চেয়ে বেশী কিছু বলা গেলে তাই বলতাম, নেছার সন্দেহ করতে পারে তাই আর বেশী কিছু বললাম না। আমার আর ফাল্গুনের ফুলের বয়সের deference টা অনেক বেশী। তারপরও not bad । আমি আসলে আল্লাহর কাছে কোন জিনিস চেয়ে আজ পর্যন্ত কখনও ব্যর্থ হইনি। তাই আল্লাহর কাছেই চাইলাম আমি ওকে আমার জন্যে)
Nesar: কিরে, চুপ করে আছিস কেন? বাবার জন্যে tension হচ্ছে?
Samir: না, কিছুনা। বাবার সাথে কথা বলেছি দুপুরে। ভালো আছে বাবা…
Nesar: হুম, তাহলে তো tension এর কিছু নেই 🙂
Samir: না। তোর training শেষ কবে?
Nesar: এইতো আর ৫ দিন আছে।
কথা শেষে দুইজন ব্যস্ত হয়ে গেলাম.. আমি laptop নিয়ে আর নেছারও কি সব কাগজ পত্র নিয়ে। ভালোই কাটছিলো সময়টা। যাই করিনা কেন মনের মধ্যে একটাই ভালো লাগার শব্দ- ফাল্গুনের ফুল 😍😎

ইস 😗, স্যার টা দেখতে সুন্দর হলে কি হবে.. কত্তো পড়া দিয়েছে। স্যার হয়েছে বলেই কি এত্তো পড়া দিতে হবে 🙁? পড়া দেখে মাথা ঘুরছে। Ok, SSC তে A+ পেতে হলে আমার তাহলে কি করতে হবে 🤔🤔। হুম, test pepper টা নিয়ে আসি 🙂। কোন গুলি মুখস্ত করবো সেইগুলি mark করি।- ১ ঘন্টা ধরে mark করলাম। উফ, ক্ষুদা লেগে গিয়েছে। ফ্রিজের থেকে একটা লেবু বের করলাম। খাওয়ার রুমে যাব। যেতেই আম্মুর সাথে খেলাম গুতা।
আম্মু: দেখে হাঁটতে পারোনা। পর্দা মাথায় নিয়ে ছোট😡
আমি:😬😟….
আম্মু: আর লেবু দিয়ে কি করবে 😠?
আমি: লেবুর আমসত্ত্ব করবো 😛
আম্মু: লেবুর আবার আমসত্ত্ব করে কিভাবে 😕?
আমি: (শুনতে চাইলো তাই আগ্রহের সাথে বলা শুরু করলাম, আমার একটা দায়িত্ব আছে না) প্রথমে পেঁয়াজ, মরিচ আর ধনেপাতা কুচি করে নিতে হবে। তারপর কিছু চানাচুর নিতে হবে। ছোলা দিতে পারলে ভালো। আর না থাকলে, না হলেও চলবে। এটা আসলে optionally.. তারপর এক কাপ পরিমাণ মুড়ি নিতে হবে। তৈরী করে রাখা মসলাটাও এর ভেতরে দিয়ে দিতে হবে। আর দিতে হবে কিছুটা লেবুর রস। তারপর ভালো করে mix করে ফেলতে হবে। ব্যাস হয়ে গেল তৈরী মজার লেবুর আমসত্ত্ব😜
আম্মু: (এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে শুনছিল) এটা তো ঝালমুড়ি হলো 😠
আমি: আম্মু তুমি জানোনা এক মুখ থেকে কথা আর এক মুখে গেলে তা change হয়ে যায়। এটার নাম আসলে আগে লেবুর আমসত্ত্বই ছিলো। এক মুখ থেকে আর এক মুখে যেতে যেতে নামটা change হয়ে লেবুর আমসত্ত্ব থেকে ঝালমুড়ি হয়ে গেছে 😜😛
আম্মু: তোমাকে না কষে একটা থাপ্পড় দেয়া উচিৎ। পড়াশোনা নেই কিছু না, শুধু দুষ্টুমি 😠। ( বলে চলে গেল)
(আম্মু কিভাবে বলে যে আমি পড়িনা। এই যে এতক্ষণ বই নিয়ে বসে ছিলাম তার কোন নামই নেই, না !)
সোজা খাওয়ার রুমে যেয়ে লেবুর আমসত্ত্ব ওরফে ঝালমুড়ি টা করে নিয়ে এসে কম্পউটারের সামনে বসলাম। তারপর Cinderella cartoon দেখতে লাগলাম ঝালমুড়ি খেতে খেতে, সাথে আপুও।খাওয়া শেষ করে আবার বই নিয়ে বসলাম… আব্বুর ইচ্ছা আমরা দুই বোন ডাক্তার হই। আপুর পড়াশোনা তো ডাক্তার হওয়ার মতোই। আমি তো আবার কাটা-ফাটা দেখে ভীষণ ভয় পাই। ধরেন, না হয় কষ্ট করে ডাক্তার হয়েই গেলাম। তারপর OT তে গেলাম সার্জারি করতে। Pesent এর পেটে টিউমার হয়েছে। সেটা পেট থেকে উচ্ছেদ করতে পেটটা কাটলাম। তারপর পেটের ভেতরে রক্ত দেখে senseless হয়ে গেলাম। ২ ঘন্টা পরও sense ফিরছে না। তো আমি যেহেতু ডাক্তার, তাই আমার জন্য বিশেষ medical বোর্ড গঠন করা হবে। আর আমি চাইনা আমার জন্যে ডাক্তার দের এতো পেরেশানি হোক। তাই ঠিক করেছি আমি ডাক্তার না ইন্জিনিয়ার হবো। তা পড়াশোনার যে system তাতে ইন্জিনিয়ার তো দূরে থাক ইন্জিনিয়ারের assistant ও হতে পারবো না । আমাদের গ্রামের রাজমিস্ত্রীর assistant হতে হবে। ধুর ইন্জিনিয়ার হতেই হবে এমন কোন কথা আছে নাকি 😕। বর টা ইন্জিনিয়ার হলেই হবে, Samir স্যারের মতো 😜😍
আমার মতে paragraph পুরোটা দেয়া উচিৎ না, অর্ধেক দিতে হয়। এই Samir স্যার টা যে কি না। আর এই যে এইসব পাটিগণিত, বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, পরিমিতি এইগুলির life এ কোন দরকার আছে 🤔? +,-, ×,÷ ই তো যথেষ্ট। আবার chemistry এর পাতা গুলি পূর্ণ করেছে কি সব সংকেত দিয়ে। এই সব reading পড়লে কি মনে থাকে। Teacher রা না আসলে পড়াশোনার নামে student’s দের উপর নির্যাতন করে 😜। যাই হোক পড়াটা complete না করলে তো আবার নির্যাতনের স্বীকার হতে হবে। কাল ইসলাম শিক্ষার short test নিবে, এখন reading পড়লে মনে থাকবে না। তাই এই subject টা কাল সকালে পড়বো। পড়াশোনা complete করে ঘুমিয়ে গেলাম, সকালে তো আবার স্কুলে যেতে হবে 😕।….

হঠাৎ করে ঘুম টা ভেঙে গেল। এতো সকালে উঠতেই ইচ্ছা করছে না 😴। পাশে রাখা ঘড়িটা হাতে নিয়ে এক চোখ খুলে তাকালাম ওটার দিকে । সর্বনাশ ( লাফ দিয়ে উঠে) এতো ৭:৩০ বাজে, আমার তো ৬:০০ টায় উঠার কথা। ৭:৩০ বাজলো কিভাবে? আজ তো আবার ইসলাম শিক্ষার short test হবে, তাড়াতাড়ি উঠে পড়তে বসলাম। তারপর পড়া complete করে, খেয়ে, গোসল করে, ready হয়ে বের হয়ে গেলাম স্কুলের উদ্দেশ্যে।
যথাসময়ে পৌছে গেলাম স্কুলে। স্কুলে ঢুকতেই শুনলাম- ছেলেরা বলছে ঐ দেখ ফাল্গুনের ফুল আসছে। স্যার বলেছে বলেছে তোরা কেন বলিস (মনে মনে) 😡। অনেক ছেলেরাই আমাকে পছন্দ করে, কিন্তু আমি কাওকে accept করিনা। কথা আমি বলিনা আমি ছেলেদের সাথে। আর যারা আমাকে বলে আমাকে ভালোবাসে তাদের আমার একদমই ভালো লাগেনা, ফালতু মনে হয়। ভালোবাসি, এটা বলার এটা কোন নিয়ম হলো! আমার এক cousin আমাকে suggestion দিয়েছে- কখনও classmate কে পছন্দ করতে নেই, তারা বিপদে help করতে পারে না কখনও। তাই আপাত:ত পছন্দের ব্যাপারে আমার কোন interest নেই। এসব ভাবতে ভাবতে ক্লাসে এসে পৌছলাম।
এখন চতুর্থ period- ইসলাম শিক্ষা short test শুরু হয়ে গেছে।-
আমি: এই লতা সব common পড়েছে রে (ফিসফিস করে)?
লতা: নারে 😟।
আমি: তুই না পরিস, তাহলে পারছিস না কেন 😠?
লতা: কাল পড়িনি রে, তুই পড়িসনি?
আমি: Reading পড়ে কি ওতো মনে রাখা যায় নাকি 😕?
লতা: হুম।- 😟
যাই হোক exam তো দিতেই হবে। Short question এর চারটা option দেয়ার কি দরকার। যেটা পড়ি মনে হয় সেটাই হবে। ধ্যাত, দুইটা option দিলেই তো ভালো হো। এতো confusion থাকতো না। একটা না একটা তো হতোই 😋। বহু কষ্টে short test শেষ হলো 🙂।
শরিফ স্যার(ই: teacher): ফাল্গুনী, short test কেমন হলো?
আমি: জ্বি স্যার….
শরিফ স্যার: জ্বি স্যার মানে কি?
আমি: জ্বি স্যার মানে ভালো (স্যার এইটুকুও জানে না, তাই আবার teacher হয়েছে 😋)
শরিফ স্যার: ও, ভালো হলেই ভালো। (বলে চলে গেল)
সব teacher রা আমাকেই torture করার জন্যে বেছে নিয়েছে কেন, কে জানে! ভালো লাগে না 😞।
Tiffin period চলছে..১০ টা center fruit কিনলাম। কোচিং এর সময় bubbles ফুলানোর practice করবো 😜। সামনে SSC exam জন্যে tiffin এর পরে এক period এর বেশী হয়না।
৩:০০ বাজে, কোচিং ক্লাসে যেতে হবে। প্রথমেই Samir স্যারের ক্লাস। আর যাই হোক Samir স্যারের পড়াটা complete করেছি। হাজার হলেও নতুন স্যার, তার কাছে আমার একটা prestige আছে না 😝।
স্যার এসেছে ক্লাসে। স্যারের ভাষ্যে পড়া যেহেতু সে কম দিয়েছে , তাই একটু গল্প করে তারপর পড়া ধরবেন তিনি। তাই চিন্তা করলাম bubbles ফুলানোর practice টা হয়ে যাক তাহলে 😜। সামনে বইটা নিয়ে ১৫ মি: ধরে practice করছি, কিছুতেই হচ্ছে না 🙁। মনে হয় center fruit গুলি ভালো না ( নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা আর কি)। ফুঁ দিতেই ছুটে ২ হাত দূরে যেয়ে পড়ে 😮। পরপর ৬ টা center fruit নষ্ট হলো।
হুম, এইবার হয়েছে 😁। যেই না bubbles ফুলিয়েছি অমনি Samir স্যার ডাক দিলো। আর সাথে সাথে bubbles টা ফুটে পুরো ঠোঁটে লেগে গেল 🙄

Right time এর কিছুটা আগেই কোচিং এ ক্লাস নিতে চলে আসলাম। ফাল্গুনের ফুলটা কে দেখতে ভীষণ ইচ্ছা করছিল। ওকে আমার ভীষণ ভালো লাগে 😊। হয়তো ওর কাজল কালো চোখের দুষ্টু চাহনি আর ওর গোলাপ রাঙা গোলাপি ঠোঁটের মিষ্টি হাসিটার জন্য 🙂।
সত্যি বলতে কি, ওর পড়াশোনায় ফাঁকিবাজি টাও আমার ভীষণ ভালো লাগে। এ যেন এক অন্য রকম ভালো লাগা। আসলে যাকে ভালো লাগে তার সব কিছুই মনে হয় ভালো লাগে। সে যাই হোক, যথা সময়ে ক্লাসে গেলাম। আজ ফাল্গুনের ফুল বোরকা পড়ে এসেছে, বোরকা ছাড়া আসেনি। অসম্ভব সুন্দর লাগছে ওকে 😍। বেশীক্ষণ আর ওর দিকে তাকালাম না। ওই যে ভয় একটাই সৌন্দর্যের আধিক্য সহ্য করতে না পেরে যদি senseless হয়ে যাই। তাই অন্য students দের সাথে কথা বলা শুরু করলাম। কাল যেহেতু serf একটা paragraph দিয়েছি তাই সবাইকে বললাম যে আগে একটু গল্প করে নেই তারপর পড়া ধরবো। ফাল্গুনের ফুলের দিকে একবারও তাকাচ্ছিনা, না তাকালেও আবছা দেখতে পাচ্ছি। মনে হচ্ছে বই বের করলো। হয়তো paragraph টা revise দিবে।
কথা বলতে বলতে কিছুটা সময় পার হয়ে গেল, এবার পড়া ধরার পালা।
Samir: অনেকক্ষণ তো গল্প হলো নাকি? (students দের উদ্দেশ্যে)
Students: জ্বি স্যার।
Samir: তাহলে পড়া ধরি এখন, কি বলো?
Students: জ্বি স্যার…
অনেকক্ষণ ফাল্গুনের ফুলের দিকে না তাকিয়ে আছি। দেখা যাক আমার ফাল্গুনের ফুল টা কি করছে। ফাল্গুনের ফুল বলেই ডাকতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু না জানি আমার advance students রা আবার কি advance কি advance চিন্তা করে বসে। তাই বাধ্য হয়েই ফাল্গুনী বলেই ডাকতে হচ্ছে।-
Samir: ফাল্গুনী…😱 (ওমা একি, পড়ার নামই তো নেই। এ যে bubbles ফুলানোতে ব্যস্ত। কিন্তু ডাক দেয়ার সাথে সাথে bubbles টা ফুটে ওর গোলাপ রাঙা ঠোঁট জোড়াকে ঢেকে দিল 😁। খুব কষ্টে নিজের হাসিটা control করে মুখে গাম্ভীর্য এনে তারপর বললাম-
Samir: পড়া করে এসেছো?
ফাল্গুনী: জ্বি স্যার (তাড়াতাড়ি ঠোঁট থেকে bubbles সরিয়ে)।
Samir: ঠিক আছে, বলো।-
ফাল্গুনী: এক নিশ্বাসে পুরো paragraph টা বলে দিলাম..
Samir: হুম, তুমি তো অনেক ভালো পড়া পারো। তাহলে পড় না কেন?
ফাল্গুনী: 🤐 (তার মানে আমার নামে দুর্নাম করা শেষ নেছার স্যারের 😬)
Samir: বড় হয়ে কি হওয়ার ইচ্ছা?
ফাল্গুনী: এখন যদি বলি ডাক্তার বা ইন্জিনিয়ার, তাহলে তো অনেক কথা শুনতে হবে। তার চেয়ে চুপ থাকাই better.. (মনে মনে)
Samir: কি হলো চুপ করে আছো কেন, বলো-
ফাল্গুনী: আব্বুর ইচ্ছা ডাক্তার হই।
Samir: আর তোমার ইচ্ছা?
ফাল্গুনী: জ্বি মানে স্যার, ইয়ে মানে…
Samir: হুম, বুঝতে পেরেছি বসো 🙂।
(তোমার তো ডাক্তার হওয়ারও ইচ্ছা নেই, ইন্জিনিয়ার হওয়ারও ইচ্ছা নেই। তুমি তো হবে দুষ্টু বউ, আর আমার দুষ্টু বউ ভীষণ পছন্দ 😍)
Samir স্যার টা না আসলে খুব ভালো। আমাকে একদম বকে না। স্যার অন্যদের পড়া ধরছে, আর আমি branch এর উপর কনুই রেখে বাম হাতের পাতার উপর ডান হাতের পাতা দিয়ে থুতনি টা তার উপর ঠেকিয়ে স্যারের দিকে মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে আছি।
লতা: কিরে স্যারের দিকে ওই ভাবে তাকিয়ে আছিস কেন? স্যার তো পড়া বোঝাচ্ছেনা যে বলবি, পড়া শুনছি।
ফাল্গুনী: কেন, স্যারের দিকে তাকানো বারন নাকি?
লতা: না, তা না..
ফাল্গুনী: তো?
লতা: স্যার কে তোর খুব ভালো লাগে তাইনা?
ফাল্গুনী: হুম ☺…
লতা: তাহলে স্যার কে বিয়ে করে ফেল…
ফাল্গুনী: হুম (হঠাৎ খেয়াল হলো কথাটা বিয়ে সম্পর্কে ছিলো)। কি বলিস এসব!
লতা: ঠিকই তো বললাম। তোর যে পছন্দ।
ফাল্গুনী: আরে না।
লতা: Problem কোথায়?
ফাল্গুনী: স্যারের আর আমার বয়সের deference দেখেছিস। স্যার তো আগে আগে মারা যাবে, তখন আমার কি হবে বল 😜।
লতা: তুই আসলেই একটা ফাজিল 😡।
ফাল্গুনী: রাগ করিস কেন, এমনি বললাম। স্যারের বউ হওয়া তো দূরের কথা, স্যার কে যদি বলি.. স্যার আপনার বাসার কাজের মেয়ে হবো আমি। তাহলে স্যার কি বলবে জানিস?
লতা: কি বলবে 🙄?
ফাল্গুনী: বলবে যে, আমার বাসার কাজের মেয়ে হওয়ার যোগ্যতা তোমার নেই। আমার বাসার কাজের মেয়ে হওয়ার জন্য কমপক্ষে B.A. complete হতে হবে।
লতা: হ্যা, আমি তো তোকে সেই বিয়ের কথাই বলছি 😀।
ফাল্গুনী: ধুর, কি সব যে বলিস না। পড়া করে আসিস কাল।
লতা: কিন্তু কাল তো Friday…
ফাল্গুনী: কি, সত্যি?
লতা: হুম…
তাহলে কাল তো স্যার কে দেখতে পাবো না, খুব miss করবো 😖।

Coming soon interesting part..🌸Farzana🌸

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here