এক নদীর দুই তীরের ভালোবাসা

0
681
এক নদীর দুই তীরের ভালোবাসা
এক নদীর দুই তীরের ভালোবাসা

 

বাড়িতে সকাল থেকে হৈচৈ ।
কারন আজ বাড়ির বড় ছেলে নিশান ১০ বছর পর দেশে ফিরছে।??

সেই সকাল থেকে ভাই বোন নিশানের জন্য ঘর সাজাতে ব্যস্ত। ওদিকে আবার তার মা ছেলের জন্য বিভিন্ন আইটেম রান্না করতে খুব ব্যস্ত।

নিশান??? হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন। ইনিই আমার গল্পের হিরো।
দেখতে শুনতে খুবই সুন্দর।‌? হ্যান্ডসাম ও বটে।? অন্য হিরোদের মতো রাগী তো একদমই না??তবে রাগ যে একদমই নেই তা কিন্তু নয়।নিশানরা তিন ভাই ও এক বোন।ঘরের বড় ছেলেই হলো নিশান।মেজ ছেলে ‌রিশাত এবং ঘরের সব চেয়ে বেশী মজাদার , ফাজিল এবং দুষ্টু ছেলে হলো ঈশান।????সব শেষে ঘরের সবচেয়ে ছোট আদরের মেয়ে হলো নিরিশা।? এরা সবাই পিঠেপিঠি ভাই বোন।
নিশানের বাবা ব্যবসায়ী। খুবই ভদ্র এবং ঝঞ্ঝাট মুক্ত একজন লোক। ব্যবসার কাজে বেশি সময়ই শহরের বাইরে থাকতে হয়।
এবার আসা‌ যাক গিন্নী ‌মানে নিশানের মার পরিচয়ে। নিশানের মা ও খুবই ভালো মনের মানুষ।তবে তিনি ছেলে মেয়েদের উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা পছন্দ করেন না।তিনি রাগলে শুধু একজন পারে বোঝাতে।
না না??তার ছেলে মেয়ে নয়। এই বাড়িতে আরও একজন আছে ????
সে কে????
গল্প পড়ুন। বুঝতে পারবেন।??

এবার গল্পে ফেরা যাক।

নিশান পড়াশোনার জন্য ১০ বছর বিদেশে ছিলো।আজ ফিরছে।তবে কেউ তাকে আনতে যায় নি। কারণ নিশান কাউকে সময় জানায় নি।চমক দেবে বলে।??

নিশানের বাড়িতে..

-দেখ মামী ..তোমার ছেলে মেয়েদের কান্ড দেখ।আমি ছিলাম না বলে এরা একটা কাজ ও ঠিক মতো করে নি।দরজার ফুল গুলোও ঠিক মতো লাগায়নি।সব খুলে পরে যাচ্ছে।আমার বিয়ে হয়ে গেলে যে তোমারা কি করবে তা আল্লাহ পাক জানে।(চিৎকার‌‌ করে বলতে বলতে কেউ একজন দরজার কাছে গেল)
দরজার পাশে একটি উচু টুল দেখে টুল টেনে টুলের উপর দারিয়ে দরজার ফুলগুলো ঠিক করতে শুরু করলো।এমন সময় নিরিশা‌র ডাকে পিছে ফিরে কিছু বোঝার আগেই টুল ভেঙে নিচে পরে গেল।???
কিন্তু না।পড়ে নি।মনে হচ্ছে কেউ ধরেছে।???

কিন্তু কে ধরলো??আর কেই বা পরলো?????

চলবে….