এক অভিমানীর গল্প পর্ব- ১৩(অন্তিম পর্ব)

এক অভিমানীর গল্প
পর্ব- ১৩(অন্তিম পর্ব)
লেখা- অনামিকা ইসলাম।

কম্বলের নিচ থেকে মাথা তুলে তাকায় মায়া। বাঁধনকে এভাবে দরজা বন্ধ করে ওর দিকে এগিয়ে আসতে দেখে ভয়ে কলিজা শুকিয়ে যায় ওর। জড়োসড়ো হয়ে মায়া বিছানায় উঠে বসে। কোনো কথা না বলে বাঁধনও চুপটি করে পাশে গিয়ে বসে। মুখ খুলে মায়া।
দরজা কেন বন্ধ করছেন? কিছুটা কাঁপা স্বরে প্রশ্নটা করে মায়া বাঁধনকে।
মৃদু হেসে বাঁধনের জবাব, এটাই তো হওয়ার কথা ছিল।
মা মা মা নে…..???
কেন? চিরকুটে পড়নি? আর এভাবে তোতলাচ্ছো কেন? একটা বিকেল’ই তো চেয়েছি। শুধু একটা বিকেল’ই তো! দিয়ে দাও না আজকের বিকেলটা আমার নামের লিখে।
কিকিকিকি করতে হবে?
বাঁধন রুমের লাইটটা জ্বালিয়ে দেয়। তারপর মায়ার অনেকটা কাছে গিয়ে মুখটা উপরের দিকে তুলে প্রশ্ন করে-
” ভয় পাচ্ছো????”
এবারো মায়া কিছুটা কাঁপা স্বরে জবাব দেয়, না….
তবে তোতলাচ্ছ কেন এভাবে? ওকে, ফাইন। বাদ দাও। তোমার বিকেল তোমার কাছেই যত্নে রাখো। আজকে বরং আমি আমার বিকেলটা তোমায় উৎসর্গ করে দিলাম। আসো, এদিকে আসো তো!

মায়া মাথা নিচু ভয়ে বিছানার চাদর আঁকড়ে ধরে আছে। সেটা দেখে দুষ্টু বুদ্ধি খেলে যায় বাঁধনের মাথায়। মায়াকে একটানে কাছে টেনে মুখের কাছে মুখ নিয়ে যায়। এদিকে ভয়ে পুরো জমে গেছে মায়া। বাঁধনের কিছু করার আগেই চোখ বন্ধ করে নাকমুখ শক্ত করে আছে। বিষয়টা বাঁধন খুব এনজয় করছে। স্থির দৃষ্টিতে বাঁধন ওর অভিমানীর দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে। এদিকে অনেকক্ষণ হয়ে গেল বাঁধনের কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে চোখ মেলে তাকায় মায়া। আর বাঁধন ঠিক তখনি মায়ার কপালে, গালে, নাকে চুমুর পরশ এঁকে দেয়। পরম সুখে চোখ দুটো আলতোভাবে বন্ধ করে মায়া। বাঁধন মায়ার দু’চোখে চুমুর পরশ এঁকে দেয়। চোখ খুলে মায়া। বাঁধন তখন মুগ্ধ দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়ে।
মিনিটখানেক একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকার পর আচমকায় বাঁধন বিছানায় শুয়ে পরে। অবাক মায়া কিছু বুঝে উঠার আগেই বাঁধন ওকে একটানে বুকে নেয়। মায়াও কোনো কথা না বলে নিশ্চুপ বালিকার মতো বাঁধনের বুকে মাথা রেখে শুয়ে পরে।

ঘন্টাখানেক এভাবে শুয়ে থাকার পর বাঁধন টের পায় ওর শার্ট’টা কেমন যেন ভিঁজা ভিঁজা লাগছে। মাথা তুলে তাকায় বাঁধন। মায়া তখন উপরমুখি হয়ে শুয়ে। আর তার চোখ থেকে অনর্গল অশ্রু গড়িয়ে পরছে। বিছানায় উঠে বসে বাঁধন। সাথে মায়াকেও তুলে বসায়। অশ্রু লুকাতে অন্যদিকে তাকায় মায়া। বাঁধন মায়াকে ওর দিকে ফেরায়। হাত দিয়ে চোখের জল মুছে প্রশ্ন করে-
” লক্ষ্মী! কাঁদছ কেন?”
নিশ্চুপ মায়া মাথা নিচু করে আছে। বাঁধন আবারো প্রশ্ন করে, কি হলো? বলো?
কোনো কথা না বলে আচমকা মায়া বাঁধনকে জাপটে ধরে বাচ্চাদের মত হু, হু করে কাঁদতে থাকে।
বাঁধনও পরম আদরে মায়াকে বুকে জড়িয়ে নেয়। মায়ার এলোমেলো চুলগুলো গুছিয়ে কপালে আলতো করে চুমু দেয়।
“ভালোবাসি তো লক্ষ্মী! আর স্যরি, ঐভাবে তোমাকে ইগ্নোর করার জন্য। আমার ভুল হয়ে গেছে। এই তোমায় ছুঁয়ে প্রমিস করছি, আর কখনো এমন হবে না। এবার তো একটু শান্ত হও।”
কান্না থামিয়ে চুপ হয়ে যায় মায়া। কপালে আরো একটা চুমু দিয়ে নিবিড় করে জড়িয়ে ধরে বাঁধন।

পরদিন সকালের ঘটনা__
লক্ষ্মী! এই লক্ষ্মী?!!! উঠো…..
পাশ থেকে হিয়া বার বার রিকোয়েস্ট করছে, ভাইয়া প্লিজ! ডাকবেন না ওকে। ওর কাঁচা ঘুম ভাঙলে উল্টাপাল্টা আচরণ করে।
বাঁধন শুনেনি শ্যালিকার কথা। ওর একটাই কথা, সবার সাথে উল্টাপাল্টা আচরণ করলেও ও আমার সাথে কিচ্ছু করবে না। কারণ ও আমায় ভালোবাসে। বুঝাতে ব্যর্থ হিয়া ভয়ে আল্লাহ আল্লাহ জপছে আর মনে মনে বলছে, হে আল্লাহ! রক্ষা করো….
মিনিট খানেক পর চোখ খুলে মায়া। বাঁধনের দিকে বড় বড় চোখে তাকিয়ে বিছানায় উঠে বসে সে। এদিকে হিয়া আল্লাহ আল্লাহ জপছে। এগিয়ে যায় বাঁধন মায়ার কাছে। হাসি, হাসি মুখ নিয়ে বলে_
এতক্ষণে তাহলে মহারাণীর উঠার সময় হলো! ফ্রেশ হয়ে, ব্রেকফাস্ট করতে হবে। উঠো, উঠো তাড়াতাড়ি। বাঁধন মায়ার একটা হাত ধরে ওকে বিছানা থেকে নামাচ্ছিল। একঝটকায় মায়া সে হাতটা ছাড়িয়ে নেয়।
ফিরে তাকায় বাঁধন। মায়া রাগে ফুসছে। বাঁধন আবারো বলে, কি হলো? চলো! ঢাকায় যেতে হবে না?!!!
রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে আছে মায়া। ভয়ংকর চোখে বাঁধনের দিকে তাকিয়ে বলে-
“বিয়ে করেছেন বলে কি আমার মাথাটা কিনে নিয়েছেন? আপনার জন্য আমি কি শান্তিতে ঘুমোতেও পারব না? আপনি এমন কেন? আপনাকে যে আমি বলছি কালকেই চলে যেতে, এখনো কেন পরে আছেন? কোন মোহে এখানে রয়ে গেছেন? আর কি যেন বলছেন? ভালোবাসা?!!! তাও আপনাকে? আপনার কি মনে হয় আদৌ এ বিয়েটা আমি মন থেকে মেনে নিতে পেরেছি? যদি মনে করেন, সেই বিয়ের আগের মতই আপনার প্রতি আমার ভালোবাসা আছে, তাহলে ভুল ভাবছেন, ভুল। কান খুলে শুনে রাখুন, আমি আপনাকে ভা লো বাবাসি না……”
কি হলো? এখনো এখানে দাঁড়িয়ে আছেন যে! যান, আমার সামনে থেকে বের হয়ে যান।
বাঁধনের চোখের কোণে জমে থাকা জলগুলো কেমন যেন টলটল করে উঠল। কোনো কথা না বলে চুপিসারে বাঁধন মায়ার সামনে থেকে সরে যায়।
মিনিট ত্রিশেক পর ফ্রেশ হয়ে কলেজ ড্রেস পরে কলেজে যাওয়ার জন্য রেডি হয় মায়া। পিছন থেকে ডাক দেয় বাঁধন।
” কলেজে যাবে?”
পিছন ফিরে তাকিয়ে সাথে সাথে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয় মায়া। কাঁধে ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে যায় রুম থেকে। বাঁধনও শ্বশুর বাড়ির সবার থেকে বিদায় নিয়ে মায়ার পিছু পিছু হাঁটতে থাকে। ৩০মিনিটের পুরো রাস্তা দু’জন বেশ চুপচাপ নিরবে হেঁটে গেছে। বাসস্টপে গিয়ে সিএনজিতে উঠে যায় মায়া। বাঁধনও চুপচাপ সিএনজিতে উঠে পরে। সিএনজিতেও কেউ কারো সাথে কথা বলেনি। তবে মায়া সুযোগ পেলেই আড়চোখে আবার কখনো বা সিএনজির সামনের গ্লাস দিয়ে বাঁধনকে দেখে নিয়েছে, সেটা বাঁধনের চোখ এড়ায় না।
সিএনজি থেকে কলেজ গেইট নেমে যায় মায়া। তার সাথে সাথে বাঁধন। আড়চোখে মায়া একবার বাঁধনের দেখে নিয়ে কলেজের উদ্দেশ্যে হাঁটার জন্য পা বাড়াতেই পিছন থেকে ডাক দেয় বাঁধন-
” লক্ষ্মী…….”
এ ডাকে অদ্ভুত এক নেশা আছে, আছে এক জাদু। যে জাদুর তাড়নায় মায়া মুহূর্তের জন্য সব ভুলে যেতে পারে। তাইতো এ ডাক উপেক্ষা করে মায়া আর সামনের দিকে এগুতে পারে নি। ফিরে তাকায় বাঁধনের দিকে। বাঁধন অনেকটা বিনীত ভঙ্গিতে মায়াকে বলে, ” একমিনিট! জাস্ট একমিনিট সময় দাও। আমি ওপাশে যাব আর আসব।”
কথাটা বলেই বাঁধন একদৌঁড়ে রাস্তার ওপাশে চলে যায়। একটা দোকানের সামনে গিয়ে বাঁধন দোকানদারকে হাত ইশারায় চিপস দিতে বলে। দোকানদার বাঁধনের হাতে ৫টা চিপস ধরিয়ে দেয়। মায়া জল ছলছল চোখে সেদিকেই তাকিয়ে আছে। চিপসের টাকা দিয়ে বাঁধন এপাশে আসার জন্য রাস্তায় পা বাড়াতেই একটা দ্রুতগামী গাড়ি সেদিকে ছুটে আসে। উচ্চস্বরে একটা চিৎকার দিয়ে মায়া ওর চোখ দুটো বন্ধ করে ফেলে। গাড়ি চলে যায়। ভীরু চোখে মায়া রাস্তার ওপাশে তাকায়। বাঁধন তখনও স্থির দাঁড়িয়ে রাস্তার ওপাশে। হাতে থাকা ব্যাগটা ফেলে মায়া ছুটে যায় রাস্তার ঐপাশে। কলেজ গেইটে দাঁড়ানো শত শত মানুষের সামনে জাপটে ধরে বাঁধনকে। চোখ বন্ধ করে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে মায়া।
বাঁধন পরম আদরে, নিবিড় করে একহাতে মায়াকে জড়িয়ে ধরে আরেকহাতে মায়ার মাথায় হাত বুলাতে থাকে। মায়ার চোখে যখন জল, বাঁধনের চোখে মুখে তখন হাসি। বিশ্বজয়ের হাসি, ভালোবাসার জয়ের হাসি। এক অভিমানীকে আপন করে পাওয়ার হাসি, যে কখনো একটাবারের জন্যও বলেনি ভালোবাসি, তার ভালোবাসা পাওয়ার হাসি। এ হাসি বহুবছরের, বহু প্রতীক্ষার।
হয়তো সেদিন অভিমানীর সেই লুকায়িত ভালোবাসা দেখার জন্যই থেমে গিয়েছিল বাস, সিএনজি, অটোরিক্সাসহ সমস্ত যানবাহন। থেমে গিয়েছিল পথচারী পথিক। ক্ষণিকের জন্য থেমে গিয়েছিল স্কুল কলেজের স্টুডেন্টদের পথচলা। যদিও তখন এর কিচ্ছুটি টের পায়নি অভিমানী মেয়েটা। মিষ্টি হেসে মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে দৃঢ় গলায় বাঁধন যখন বলে-
” এত সহজে যাব না তোমাকে ছেড়ে। আর ভালোবাসি তো লক্ষ্মী!”
ঘোর কাটে মায়ার। বাঁধনকে ছেড়ে দিয়ে অনেকটা লজ্জায় অভিমানে মাথা নিচু করে বলে, কিন্তু আমি তো আপনাকে ভালোবাসি না। সাথে সাথে হেসে দেয় বাঁধন। তার সাথে সাথে সেখানে উপস্থিত অনেকে।

৮বছর পর__
নীলিমা গিয়েছিল ওর কলেজ জীবনের একমাত্র কাছের বান্ধবী মায়াকে দেখতে। আজ অনেকগুলো বছর পর মায়াকে দেখবে। ভাবতেই আনন্দে চোখে জল এসে গেছে নীলিমার। ফোনে কথা বললেও, আজ অনেকগুলো বছর ধরে নীলিমা এবং মায়া একে অপরকে দেখেনি। যদিও লোক মারফত নীলিমা শুনেছে মায়ার একটা মেয়ে আরেকটা ছেলে হয়েছে। মেয়েটার বয়স ৪বছর, ছেলেটার সাড়ে তিনমাস। এদেরকে দেখার জন্যই নীলিমার ছু্টে আসা।
রুমের দরজাটা আধখোলাই ছিল। ভিতরে প্রবেশ করতে তাই কোনো সমস্যা হয়নি। এদিক ওদিক তাকিয়ে রুমে ঢুকতেই “থ” হয়ে যায় নীলিমা। একটা ছোট্ট মেয়ে নাক মুখ ফুলিয়ে তখন ড্রয়িংরুমে দাঁড়িয়ে। ঠিক যেন অভিমানী মায়ার ডুপ্লিকেট। নীলিমার বুঝতে খুব বেশী অসুবিধে হয়নি এ জুনিয়র অভিমানী। সিনিয়র অভিমানীর মতই রাগ করলে নাক মুখ ফুলে যায়। দৌঁড়ে গিয়ে নীলিমা জুনিয়র অভিমানীকে কোলে তুলে নিয়ে নাকে, মুখে, গালে, চুমু দেয়। তারপর আদরের সঙ্গে জিজ্ঞেস করে-
” মন খারাপ কেন? কি হয়েছে আমার মিষ্টি মামনিটার?”
জুনিয়র অভিমানী নাক ফুলিয়ে নীলিমার কাছে বাবার নামে অভিযোগ করে। ওর ভাষ্যমতে- ওর বাবা ওকে একদম আদর করে না। সব আদর করে ছোট ভাই আলিফকে আর ওর মাকে।
নীলিমা গম্ভীর হয়ে বলে, খুব খারাপ! আজকে এর একটা বিহীত না করলেই নয়। চলো, চলো…..

মায়া-বাঁধনের ছোট্ট অভিমানীকে কোলে নিয়ে কোনো নক ছাড়াই নীলিমা ওদের বেডরুমে প্রবেশ করে। বাঁধন ওর মায়ার কপালে, আর মায়া ছোট্ট আলিফের কপালে চুমু দেয়ায় ব্যস্ত ছিল। নীলিমা তখনই উচ্চস্বরে বলে উঠে- Very bad Maya, Very bad……
নীলিমার এভাবে প্রবেশ ওরা প্রত্যাশা করেনি। অনেকটা লজ্জায় বাঁধন মায়ার থেকে সরে যায়। নীলিমা অনর্গল বলতে থাকে-
” বউ, বাচ্চা সবাইকেই তো দেখি বেশ আদর করতে পারেন। তো এই এতিম মেয়েটা কি অপরাধ করল? একে কেন ড্রয়িংরুমে দাঁড় করিয়ে রাখছেন?”
বাঁধন মায়ার কোলে আলিফকে দিয়ে লাবণ্যকে কোলে তুলে নেয়- ওলে আমার মামণিটা বলেই জুনিয়র অভিমানী লাবণ্যর গালে, নাকে, কপালে চুমু দিতে থাকে। এদিকে মায়ের কোলের ছোট্ট আলিফ ঠোঁট বাকিয়ে কাঁদতে থাকে বাবার কোলে যাবার জন্য। মায়া ঠাস করে আলিফকে খাটের উপর রাখে। যাহ! বাপ নিয়েই থাক….

বাঁধন:- এটা কি হলো?
মায়া:- কি হলো দেখতে পাচ্ছো না? পুরো পাগল হয়ে গেলাম আমি।
বাঁধন:- এত তাড়াতাড়ি পাগল হলে ক্যামনে কি?
মায়া:- ক্যামনে কি মানে?
বাঁধন:- বিয়ের আগে কি প্ল্যান ছিল?
মায়া:- কি?
বাঁধন:- আমরা আমাদের বাচ্চাদের নিয়া ক্রিকেট টিম বানাবো।
মায়া:- ??
বাঁধন:- রেগে কেন যাচ্ছ? তখন তুমিই তো আগ বাড়িয়ে বলছ ক্রিকেট টিমে নাকি কম যায়, তুমি তোমার বাচ্চাদের নিয়ে স্কাউট টিম বানাতে চাও। তবে তাই হোক। লাবণ্যর খেলার জন্য সাথী হবে। কি বলো মামনি? তোমার কি খেলনা চায় না?

জানি না ছোট লাবণ্য বাপের কথায় সেদিন ঠিক কি বুঝে হাত তালি দিচ্ছিল। আর সেটা দেখে রাগে সোফায় রাখা ঝাড়ু নিয়ে মায়া বাঁধনের দিকে এগুতে থাকে। বাঁধন ভয়ে নীলিমার কোলে ছোট্ট আলিফকে দিয়ে ওমাগো, ও বাবাগো, বাঁচাও বলে রুম থেকে দৌঁড়ে বের হয়ে যায়।
পিছনে লাবণ্য তখনো খিলখিলিয়ে হাসছে, আর হাত তালি দিচ্ছে।
” কি মজা, কি মজা! আব্বু পারে না…!

বেঁচে থাকুক ভালোবাসারা………

♪The End♪

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here